দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
স্বাভাবিক বাঁধ
অর্থাৎ, স্বাভাবিক বাঁধের একপাশে নদী প্রবাহিত হয় ও অপর পাশে প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়। স্বাভাবিক বাঁধের নদীর দিকের অংশ খাড়া এবং প্লাবনভূমির দিকটি ক্রমশ ঢালু হয়। স্বাভাবিক বাঁধ সর্বদা নদীর গতিপথের সমান্তরালে অবস্থান করে। এগুলি গড়ে দেড় থেকে দু-কিমি পর্যন্ত চওড়া ও উচ্চতায় ৩-৪ মিটার পর্যন্ত বা তার থেকে উঁচুও হয়। যেমন, মিসিসিপি নদীর নিম্ন অববাহিকায় স্বাভাবিক বাঁধের উচ্চতা ৬ মিটার থেকে ৭.৬ মিটার পর্যন্ত হয়েছে। অনেক সময় স্বাভাবিক বাঁধ অবস্থানের ফলে তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের (প্লাবনভূমি) বৃষ্টির জল সহজে নিষ্কাশিত হতে না পেরে স্বাভাবিক বাঁধের পশ্চাতে জলাভূমির সৃষ্টি করে। একে ‘পশ্চাৎ জলাভূমি' বলে। ভাগীরথী নদীর পশ্চিমপাড়ে এইরূপ স্বাভাবিক বাঁধে পশ্চাৎ জলাভূমি দেখা যায়। অনেকসময় বন্যার ফলে স্বাভাবিক বাঁধ ভেঙে যায়। একে প্লাবন ফাটল বলে।
আরও পড়ুন::
Comments
Post a Comment