আপনার খেলাধুলার সাধারণ জ্ঞান এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির সুবিধার্থে এখানে জনপ্রিয় খেলাগুলোর প্রধান প্রধান শব্দ, তাদের বাংলা অর্থ এবং সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো: 🏏 ক্রিকেট (Cricket) Toss (টস): ম্যাচ শুরুর আগে দুই অধিনায়কের মধ্যে কয়েন ছুঁড়ে ব্যাটিং বা বোলিং নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া। Wicket (উইকেট): তিনটি স্টাম্প এবং দুটি বেল নিয়ে গঠিত কাঠামো, অথবা পিচের মূল অংশ। Pitch (পিচ): দুই উইকেটের মধ্যবর্তী ২২ গজের আয়তক্ষেত্রাকার মাটি বা টার্ফ। Stump (স্টাম্প): উইকেটের তিনটি খাড়া কাঠ। Bails (বেল): স্টাম্প দুটির উপরে আড়াআড়িভাবে রাখা ছোট কাঠের টুকরো। Crease (ক্রিজ): পিচে দাগ কাটা নির্দিষ্ট রেখা, যা ব্যাটসম্যান ও বোলারের সীমানা নির্দেশ করে। Pavilion (প্যাভিলিয়ন): খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের বসার বা বিশ্রামের ঘর। Wicket Keeper (উইকেট কিপার): ব্যাটসম্যানের পেছনে স্টাম্পের ঠিক পেছনে অবস্থানকারী ফিল্ডার।
গ্রাবরেখা
ভূবিজ্ঞানী স্ট্রলারের মতে, “Morains are ridge like depositional features of glacial tills"। প্রকৃতি ও অবস্থান অনুযায়ী গ্রাবরেখাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা—
(১) পার্শ্ব-গ্রাবরেখা— হিমবাহের দু'পাশে শিলাস্তূপ প্রাচীরের মতো সঞ্চিত হলে তাকে পার্শ্ব গ্রাবরেখা বলে।
(২) প্রান্ত-গ্রাবরেখা— হিমবাহের শেষপ্রান্তে বা সামনে শিলাস্তূপ সঞ্চিত হলে তাকে প্রান্ত-গ্রাবরেখা বলে।
(৩) মধ্য-গ্রাবরেখা— দুটি হিমবাহ, দুদিক থেকে এসে একসঙ্গে মিলিত হলে উভয়ের মধ্যবর্তী অংশে আর একটি গ্রাবরেখার সৃষ্টি হয়, একে মধ্য-গ্রাবরেখা বলে। দুই-এর বেশি হিমবাহ মিলিত হলে একাধিক মধ্য-গ্রাবরেখার সৃষ্টি হতে পারে।
(৪) তলদেশ-গ্রাবরেখা— শিলাচূর্ণ ফাটল পথে নীচে গিয়ে হিমবাহের তলদেশে সঞ্চিত হয়ে তলদেশ-গ্রাবরেখা সৃষ্টি করে।
(৫) আবদ্ধ গ্রাবরেখা— শিলাচূর্ণ ফাটল পথে নীচে গিয়ে হিমবাহের মধ্যে আটকে পড়ে আবদ্ধ-গ্রাবরেখা সৃষ্টি করে।
(৬) কেম— অনেক সময় হিমবাহের শেষপ্রান্তে কাদা, বালি, কাঁকর ইত্যাদি পদার্থ ত্রিকোণাকারে সঞ্চিত হয়ে যে প্রান্ত-গ্রাবরেখা সৃষ্টি হয় তাকে কেম বলে।
এ ছাড়া অন্যান্য গ্রাবরেখাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল—হিমাদ্ধ গ্রাবরেখা, হিমতল গ্রাবরেখা, অবিন্যস্ত গ্রাবরেখা, রোজেন গ্রাবরেখা প্রভৃতি। তিস্তা নদীর উচ্চ-অববাহিকায় লাচুং ও লাচেন নামক স্থানে বিভিন্ন প্রকার গ্রাবরেখা লক্ষ করা যায়।
Comments
Post a Comment