বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...
হিমবাহ
উচ্চ–পার্বত্য বা মেরু অঞ্চলে হিমরেখার ঊর্ধ্বে ক্রমাগত তুষারপাত ঘটে। ওপরের তুষারকণার চাপে নিম্নের তুষারকণার মধ্যবর্তী বায়ু নিষ্কাশিত হয়ে কঠিন বরফে পরিণত হয়। বরফের আয়তন বৃদ্ধি পেলে তা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূমির ঢাল অনুসারে ধীরেধীরে উপত্যকার মধ্য দিয়ে নীচের দিকে নামতে থাকে। বিশাল আয়তনের হিমবাহের স্তূপ যখন অগ্রসর হয় তখন ওপরের বরফরাশির চাপে ও ঘর্ষণে হিমবাহের তলদেশ সামান্য উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। ফলে বরফের তলদেশ গলে পিচ্ছিল হয়ে যায়, যা হিমবাহের অবতরণকে ত্বরান্বিত করে। এইভাবেই হিমবাহের সৃষ্টি হয়।
হিমবাহের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে ভূবিজ্ঞানী আলসান ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে হিমবাহকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করেন। যথা—
(১) পাদদেশীয় হিমবাহ—
হিমবাহ যখন উঁচু পর্বতের ওপর থেকে নেমে এসে পর্বতের পাদদেশে বিস্তৃত হয়, তখন তাকে পাদদেশীয় হিমবাহ বলে।
যেমন—আলাস্কার মালাসপিনা হিমবাহটি হল পৃথিবার বৃহত্তম পাদদেশীয় হিমবাহের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ, এটি প্রায় ৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত।
(২) মহাদেশীয় হিমবাহ—
সুমেরু ও কুমেরু অঞ্চল জুড়ে যে বিরাট বরফের স্তর দেখা যায় তাকে মহাদেশীয় হিমবাহ বলে।
যেমন—অ্যান্টার্কটিকার ল্যাম্বার্ট পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশীয় হিমবাহ।
(৩) পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহ—
পার্বত্য অঞ্চলে প্রধানত উচ্চতার প্রভাবে সঞ্চিত বরফ যখন মাধ্যাকর্ষণ বলের দ্বারা কোনো উপত্যকার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে নেমে আসে তখন তাকে পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহ বলে।
যেমন—আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা প্রদেশের হুবার্ড পৃথিবীর দীর্ঘতম পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহ।
Comments
Post a Comment