পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
অবঘর্ষ
(i) নদী দ্বারা সংঘটিত অবঘর্ষ—
এই প্রক্রিয়ায় উচ্চগতিতে নদীবাহিত প্রস্তরখণ্ডের সঙ্গে নদীখাতের ঘর্ষণের ফলে নদীখাত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং নদীখাতে ছোটোছোটো গর্তের (মন্থকূপ) সৃষ্টি হয়। নদীখাতের এইরূপ ক্ষয়কে অবঘর্ষ বলে।
(ii) হিমবাহ দ্বারা অবঘর্ষ—
প্রবহমান হিমবাহের মধ্যে যেসব পাথরের টুকরো থাকে সেগুলোর সঙ্গে পর্বতের সংঘর্ষে পাহাড়ের গা কিংবা হিমবাহ উপত্যকা ক্রমশ ক্ষয়ে গিয়ে মসৃণ হলে তাকে অবঘর্ষ বলে।
(iii) বায়ুর দ্বারা অবঘর্ষ—
মরু অঞ্চলে বায়ুর সঙ্গে বাহিত বিভিন্ন প্রস্তরখণ্ড, শিলারাশি, বালুকণা, প্রভৃতির আঘাতে শিলাসমূহ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, একে অবঘর্ষ বলে। মরু অঞ্চলে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় শিলাস্তরে গভীর দাগ, আঁচড়ানোর দাগ বা মৌচাকের মতো অসংখ্য ছোটো ছোটো ছিদ্রের সৃষ্টি হয়। কঠিন শিলাস্তরের তুলনায় কোমল শিলাস্তরে অবঘর্ষের পরিমাণ বেশি হয়। প্রধানত মরুভূমি অঞ্চলে অবঘর্ষের ফলে শিলা গৌর, ইনসেলবার্জ, ভেন্টিফ্যাক্ট, ড্রিক্যান্টার, ইয়ারদাং, জুগ্যান প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়।
এখানে বলা দরকার যে, মরুভূমি অঞ্চলে কঠিন ও কোমল শিলাস্তর ভূমির সঙ্গে পরস্পর সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত হয়ে জুগ্যান এবং লম্বালম্বিভাবে বিন্যস্ত হয়ে ইয়ার্দাং ভূমিরূপ গঠন করে।
আরও পড়ুন::
Comments
Post a Comment