Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-৪১

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
ধূসর বস্তু ও শ্বেত বস্তুর মধ্যে একটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর: 
ধূসর বস্তু— এটি প্রধানত নিউরােনের কোশদেহ, নিউরােগ্লিয়া নিয়ে গঠিত এবং এটি মায়েলিনবিহীন।
শ্বেত বস্তু—এটি প্রধানত নিউরােনের অ্যাক্সন, নিউরােগ্লিয়া ও মায়েলিনযুক্ত স্নায়ুতন্তু দিয়ে গঠিত।


প্রশ্ন:২
ব্যথা, স্পর্শ ও তীব্র আলােকে গ্রাহকগুলির নাম কী ?

উত্তর: 
ব্যথা–মুক্ত স্নায়ুপ্রান্ত।
স্পর্শ–মেইজনার কণিকা।
তীব্র আলাে–রেটিনায় কোন্ কোশ।


প্রশ্ন:৩
মেনিনজেস কী ? মেনিনজেস গঠনকারী তিনটি আবরক কী কী ?

উত্তর: 
সমগ্র মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড তিনটি তন্তুময় আবরক দিয়ে গঠিত ঝিল্লি দ্বারা আবৃত থাকে। এই ঝিলিকে বলা হয় মেনিনজেস।
মেনিনজেস গঠনকারী তিনটি আবরক হল— 
(i) বহিস্থ দৃঢ় আবরক বা ডুরা ম্যাটার, 
(ii) মধ্যস্থ আবরক বা অ্যারাকনয়েড ম্যাটার, 
(iii) অন্তঃস্থ আবরক বা পায়া ম্যাটার।


প্রশ্ন:৪
ঘ্রাণসহিষ্ণুতা বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
বারবার বা বেশ কিছু সময় ধরে কোনাে গন্ধযুক্ত পদার্থের ঘ্রাণ গ্রহণ করলে ঘ্রাণগ্রাহক কোশ সেই গন্ধের প্রতি অনেকটা অসংবেদী হয়ে ওঠে। এই অবস্থাকে ঘ্রাণসহিষ্ণুতা বলে। যেমন—লেবুর গন্ধকে যদি 5-10 মিনিট নাকের কাছে ধরে রাখা হয় তাহলে এরপর আর এই গন্ধের উপলদ্ধি থাকে না।


প্রশ্ন:৫
করপাস ক্যালােসাম ও ভারমিস কী ?

উত্তর: 
করপাস ক্যালােসাম হল গুরুমস্তিষ্কের গােলার্ধদ্বয়ের স্নায়ুযােজক এবং ভারমিস হল লঘুমস্তিষ্কের গােলার্ধদ্বয়ের স্নায়ুযােজক।


প্রশ্ন:৬
শতমূলক ও নিঃশর্ত প্রতিবর্ত ক্রিয়া কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
যেসব প্রতিবর্ত জন্মগত নয়, বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জিত হয় তাকে শৰ্তমূলক বা সাপেক্ষ প্রতিবর্ত বলে। যেমন—শিশুর কথা বলতে শেখা, সাইকেল চালানাে ইত্যাদি।
যেসব প্রতিবর্ত জন্মগত এবং কোনাে শর্তের অধীন নয়, তাদের সহজাত বা নিঃশর্ত প্রতিবর্ত বলে। যেমন—জিহ্বায় খাদ্যবস্তুর সংস্পর্শে মুখে লালাক্ষরণ হওয়া।


প্রশ্ন:৭
ধূসর বস্তু ও শ্বেত বস্তু কী ?

উত্তর: 
মস্তিস্ক এবং সুষুম্নাকাণ্ডের স্নায়ুকোশগুলি কোশদেহ ও নিউরােগ্লিয়া কোশ একত্রিত হয়ে যে ঈষৎ কালচে রঙের অংশ গঠন করে তাকে ধূসর বস্তু বলে। অপরপক্ষে, স্নায়ুকোশের অ্যাক্সনগুলি একত্রিত হয়ে যে বর্ণহীন অংশ গঠন করে তাকে শ্বেত বস্তু বলে।
গুরুমস্তিষ্কে ধূসর বস্তু পরিধির দিকে এবং শ্বেত বস্তু কেন্দ্রের দিকে থাকে। অপরপক্ষে, সুষুম্নাকাণ্ডে কেন্দ্রের দিকে ধূসর বস্তু এবং পরিধির দিকে শ্বেত বস্তু থাকে।


প্রশ্ন:৮
সালকাস ও জাইরাস কী ?

উত্তর: 
মস্তিষ্কের বহির্ভাগ অসংখ্য ভাঁজ ও খাঁজবিশিষ্ট। বহির্ভাগের এই ভাঁজগুলিকে জাইরাস এবং খাঁজগুলিকে সালকাস বলে।


প্রশ্ন:৯
প্রান্তফলকীয় বিভব কাকে বলে ?

উত্তর: 
চেষ্টীয় স্নায়ু উদ্দীপনা পেশির প্রান্তফলকে পৌঁছালে অর্থাৎ নিউরােনের স্ফীত প্রান্ত থেকে প্রান্তফলকে স্থানান্তরিত হলে নিউরােহিউমার সংযুক্ত গ্রাহকগুলির ভেদ্যতার পরিবর্তন হয়। ফলে Na+ ভিতরে প্রবেশ করে এবং K+ বাইরে আসে। এই বিভব পরিবর্তনকে প্রান্তফলকীয় বিভব বা এন্ড-প্লেট পােটেনশিয়াল বলে।


প্রশ্ন:১০
CSF কী ?

উত্তর: 
সাবডুরাল স্পেস, সাব-অ্যারাকনয়েড স্পেস এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের গহ্বরে যে তরল থাকে তাকে CSF বা সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

[MCQ]রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা।।সেট ৬

রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা ⮞ ⮞ ⮞ ⮞ প্রশ্ন:১ রামায়ণে কয়টি জনপদের উল্লেখ আছে ? (a) ১৬ টি (b) ১৮ টি (c) ২৫ টি (d) ২৭ টি

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।