Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-৪১

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
ধূসর বস্তু ও শ্বেত বস্তুর মধ্যে একটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর: 
ধূসর বস্তু— এটি প্রধানত নিউরােনের কোশদেহ, নিউরােগ্লিয়া নিয়ে গঠিত এবং এটি মায়েলিনবিহীন।
শ্বেত বস্তু—এটি প্রধানত নিউরােনের অ্যাক্সন, নিউরােগ্লিয়া ও মায়েলিনযুক্ত স্নায়ুতন্তু দিয়ে গঠিত।


প্রশ্ন:২
ব্যথা, স্পর্শ ও তীব্র আলােকে গ্রাহকগুলির নাম কী ?

উত্তর: 
ব্যথা–মুক্ত স্নায়ুপ্রান্ত।
স্পর্শ–মেইজনার কণিকা।
তীব্র আলাে–রেটিনায় কোন্ কোশ।


প্রশ্ন:৩
মেনিনজেস কী ? মেনিনজেস গঠনকারী তিনটি আবরক কী কী ?

উত্তর: 
সমগ্র মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড তিনটি তন্তুময় আবরক দিয়ে গঠিত ঝিল্লি দ্বারা আবৃত থাকে। এই ঝিলিকে বলা হয় মেনিনজেস।
মেনিনজেস গঠনকারী তিনটি আবরক হল— 
(i) বহিস্থ দৃঢ় আবরক বা ডুরা ম্যাটার, 
(ii) মধ্যস্থ আবরক বা অ্যারাকনয়েড ম্যাটার, 
(iii) অন্তঃস্থ আবরক বা পায়া ম্যাটার।


প্রশ্ন:৪
ঘ্রাণসহিষ্ণুতা বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
বারবার বা বেশ কিছু সময় ধরে কোনাে গন্ধযুক্ত পদার্থের ঘ্রাণ গ্রহণ করলে ঘ্রাণগ্রাহক কোশ সেই গন্ধের প্রতি অনেকটা অসংবেদী হয়ে ওঠে। এই অবস্থাকে ঘ্রাণসহিষ্ণুতা বলে। যেমন—লেবুর গন্ধকে যদি 5-10 মিনিট নাকের কাছে ধরে রাখা হয় তাহলে এরপর আর এই গন্ধের উপলদ্ধি থাকে না।


প্রশ্ন:৫
করপাস ক্যালােসাম ও ভারমিস কী ?

উত্তর: 
করপাস ক্যালােসাম হল গুরুমস্তিষ্কের গােলার্ধদ্বয়ের স্নায়ুযােজক এবং ভারমিস হল লঘুমস্তিষ্কের গােলার্ধদ্বয়ের স্নায়ুযােজক।


প্রশ্ন:৬
শতমূলক ও নিঃশর্ত প্রতিবর্ত ক্রিয়া কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
যেসব প্রতিবর্ত জন্মগত নয়, বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জিত হয় তাকে শৰ্তমূলক বা সাপেক্ষ প্রতিবর্ত বলে। যেমন—শিশুর কথা বলতে শেখা, সাইকেল চালানাে ইত্যাদি।
যেসব প্রতিবর্ত জন্মগত এবং কোনাে শর্তের অধীন নয়, তাদের সহজাত বা নিঃশর্ত প্রতিবর্ত বলে। যেমন—জিহ্বায় খাদ্যবস্তুর সংস্পর্শে মুখে লালাক্ষরণ হওয়া।


প্রশ্ন:৭
ধূসর বস্তু ও শ্বেত বস্তু কী ?

উত্তর: 
মস্তিস্ক এবং সুষুম্নাকাণ্ডের স্নায়ুকোশগুলি কোশদেহ ও নিউরােগ্লিয়া কোশ একত্রিত হয়ে যে ঈষৎ কালচে রঙের অংশ গঠন করে তাকে ধূসর বস্তু বলে। অপরপক্ষে, স্নায়ুকোশের অ্যাক্সনগুলি একত্রিত হয়ে যে বর্ণহীন অংশ গঠন করে তাকে শ্বেত বস্তু বলে।
গুরুমস্তিষ্কে ধূসর বস্তু পরিধির দিকে এবং শ্বেত বস্তু কেন্দ্রের দিকে থাকে। অপরপক্ষে, সুষুম্নাকাণ্ডে কেন্দ্রের দিকে ধূসর বস্তু এবং পরিধির দিকে শ্বেত বস্তু থাকে।


প্রশ্ন:৮
সালকাস ও জাইরাস কী ?

উত্তর: 
মস্তিষ্কের বহির্ভাগ অসংখ্য ভাঁজ ও খাঁজবিশিষ্ট। বহির্ভাগের এই ভাঁজগুলিকে জাইরাস এবং খাঁজগুলিকে সালকাস বলে।


প্রশ্ন:৯
প্রান্তফলকীয় বিভব কাকে বলে ?

উত্তর: 
চেষ্টীয় স্নায়ু উদ্দীপনা পেশির প্রান্তফলকে পৌঁছালে অর্থাৎ নিউরােনের স্ফীত প্রান্ত থেকে প্রান্তফলকে স্থানান্তরিত হলে নিউরােহিউমার সংযুক্ত গ্রাহকগুলির ভেদ্যতার পরিবর্তন হয়। ফলে Na+ ভিতরে প্রবেশ করে এবং K+ বাইরে আসে। এই বিভব পরিবর্তনকে প্রান্তফলকীয় বিভব বা এন্ড-প্লেট পােটেনশিয়াল বলে।


প্রশ্ন:১০
CSF কী ?

উত্তর: 
সাবডুরাল স্পেস, সাব-অ্যারাকনয়েড স্পেস এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের গহ্বরে যে তরল থাকে তাকে CSF বা সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।  

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো। ১. ইতিহাসের উপাদান             ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক বিবরণ। কিন্তু এই বিবরণ কল্পনাপ্রসূত নয়; এটি নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ওপর। যে সমস্ত উৎস, সাক্ষ্য বা প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিকরা অতীত দিনের ঘটনাবলী পুনর্গঠন করেন, তাকেই 'ইতিহাসের উপাদান' (Sources of History) বলা হয়। উপাদান ছাড়া ইতিহাস রচনা করা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার শামিল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বা আর. সি. মজুমদার সকলেই একমত যে, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের ক্ষেত্রে উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ইতিহাসের উপাদানের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Historical Sources)           ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—  (ক) সাহিত্যিক উপাদান এবং  (খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান।  তবে আধুনিক যুগে এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো: ক) সাহিত্যিক উপাদান (Literary Sources):...