Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জীবের জনন, সেট-১

জীবের জনন


প্রশ্ন:১
হাইড্রোসিলিক ফ্লুইড কাকে বলে ?

উত্তর: 
টিউনিকা ভ্যাজাইনালিসের ভিসেরাল ও প্যারাইট্যাল স্তরের মাঝে যে তরল পদার্থ থাকে তাকে হাইড্রোসিলিক ফ্লুইড বলে।


প্রশ্ন:২
যমজ সন্তান কত রকমের হয় ?

উত্তর: 
যমজ সন্তান (Twins) দু-রকমের হয়, 
যথা—অভিন্ন যমজ অর্থাৎ একই ডিম্বাণুজাত যমজ এবং সহােদর যমজ অর্থাৎ দ্বিডিম্বাণুজাত যমজ।

প্রশ্ন:৩
নিষেক হলে কী হয় ?

উত্তর: 
নিষেক হলে ডিম্বাণুর সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায় এবং নিষিক্ত ডিম্বাণুটি ডিপ্লয়েড জাইগােটে রূপান্তরিত হয় এবং নতুন জীবনের সূচনা হয়।


প্রশ্ন:৪
IUD কী ?

উত্তর: 
IUD হল ইন্ট্রা-ইউটেরাইন ডিভাইস, 
যেমন—কপার-T, লুপ ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৫
নিষেক পর্দা কাকে বলে ?

উত্তর: 
একটি শুক্রাণুর মস্তক ডিম্বাণুর মধ্যে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর চারদিকে একটি সুদৃঢ় ঝিল্লি গঠিত হয়। নিষেকের পর ডিম্বাণুর চারপাশে যে পর্দার আবির্ভাব হয় তাকে নিষেক পর্দা বা ফার্টিলাইজেশন মেমব্রেন বলে।


প্রশ্ন:৬
মানুষের গর্ভকাল কত দিন ?

উত্তর: 
মানুষের স্বাভাবিক গর্ভকাল 9 মাস 10 দিন অর্থাৎ 280 দিন।


প্রশ্ন:৭
শুক্রাণু সৃষ্টি হতে কতদিন সময় লাগে ? শুক্রাণু কতদিন বেঁচে থাকে ? স্ত্রীজননাঙ্গে শুক্রাণুর আয়ুষ্কাল কত ?

উত্তর: 
পরিণত শুক্রাণু সৃষ্টি হতে গড়ে সময় লাগে 74 দিন। শুক্রাণু 60 দিন বেঁচে থাকতে পার, কিন্তু তার নিষিক্ত করার ক্ষমতা থাকে 30 দিন পর্যন্ত। স্ত্রীজননাঙ্গে স্খলিত শুক্রাণুর আয়ু মাত্র 72 ঘন্টা।


প্রশ্ন:৮
অ্যাগ্লুটিনেশন কাকে বলে ?

উত্তর: 
শুক্রাণু ডিম্বাণুর কাছে এলে ডিম্বাণু নিঃসৃত ফার্টিলাইজিন এবং শুক্রাণু নিঃসৃত অ্যান্টিফার্টিলাইজিন নামক রাসায়নিক পদার্থের বিক্রিয়ায় শুক্রাণু ডিম্বাণুর প্রাচীরসংলগ্ন হয়। এই প্রক্রিয়াকে অ্যাগ্লুটিনেশন বলে।


প্রশ্ন:৯
রজঃচক্রের দশাগুলি কী কী ?

উত্তর: 
রজঃচক্রের দৃশগুলি হল–
(i) রিপেয়ারিং ফেজ, 
(ii) ওভিউলেটরি ফেজ (13-16 দিন), 
(iii) প্রোলিফারেটিভ ফেজ (7-14 দিন), 
(iv) সেক্রেটরি ফেজ বা প্রিমেনস্ট্রুয়াল ফেজ (17-28 দিন), 
(v) মেনস্ট্রুয়াল ফেজ (1-4 দিন)।


প্রশ্ন:১০
স্ত্রীদেহে ভ্রূণ কোথায় অবস্থান করে ?

উত্তর: 
আদি ভ্রূণ জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়াম স্তরে অবস্থান করে। পরিণত ভ্রূণটি ভ্রূণপর্দায় (অ্যামনিয়ন, কোরিওন ও অ্যালানটয়েস) বেষ্টিত অবস্থায় জরায়ুর মধ্যে অবস্থান করে এবং জরায়ুর প্রাচীর থেকে নাভিরজ্জু দিয়ে প্রলম্বিত থাকে।




✶✶✶


✶✶✶




Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...