Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-২২

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
কৃত্রিম পেসমেকার কেন বসানাে হয় ?

উত্তর: 
এস.এ.নােড বিকল হলে এটি স্পন্দনপ্রবাহ উৎপন্ন করতে ব্যর্থ হয় এবং তখন হৃৎস্পন্দন অনিয়মিত হয়। এই অবস্থায় রােগীর বুকে শল্যচিকিৎসার দ্বারা কৃত্রিম পেসমেকার বসানাে হয় যা হৃৎপিণ্ডকে নিয়মিত ব্যবধানে উদ্দীপিত করে। এর ফলে হৃৎপিণ্ড তার ছন্দময়তা ফিরে পায়।


প্রশ্ন:২
হৃৎচক্র কাকে বলে ? তুচক্রের প্রথম ঘটনাটি কী ?

উত্তর: 
হৃৎপিণ্ডের একটি স্পন্দনে যেসব পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন সংঘটিত হয়, পরবর্তী স্পন্দনেও সেসব পরিবর্তনের অনুরূপভাবে পুনরাবৃত্তি ঘটে। হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন থেকে স্পন্দনে এই চক্রাকার পরিবর্তনসমূহকে হৃৎচক্র বা কার্ডিয়াক সাইকেল বলে। হৎচক্রের প্রথম ঘটনাটি হল অলিন্দদ্বয়ের সংকোচন।


প্রশ্ন:৩
ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রামের তাৎপর্য কী ?

উত্তর: 
হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন রােগে ECG-এর গুরুত্ব অপরিসীম। ECG-এর বিভিন্ন তরঙ্গের আকৃতি-প্রকৃতি, স্থিতিকাল এবং অনুপস্থিতি হৃৎপিণ্ড স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক এবং অস্বাভাবিক থাকলে তার সঠিক অবস্থান কোথায় সেটি বােঝা যায়। তা ছাড়া দেহে পেসমেকার লাগানাে আছে এমন ব্যক্তির ECG পর্যবেক্ষণ করে পেসমেকার-এর স্থায়িত্ব বােঝা যায়। তা ছাড়া ECG থেকে হৃৎস্পন্দন হার (rate of heart beat) জানা যায়।


প্রশ্ন:৪
হৃদসংকেত (Cardiac index) কাকে বলে ?

উত্তর: 
প্রতি মিনিটে প্রতি বর্গমিটার দেহতলে হার্দ-উৎপাদকে বলা হয় হৃদসংকেত।


প্রশ্ন:৫
হৃদ্-অবরােধ বা হার্ট ব্লক কী ?

উত্তর: 
এস.এ.নােডে স্পন্দনপ্রবাহের সৃষ্টি যদি ত্রুটিপূর্ণ হয় অথবা উৎপন্ন স্পন্দনপ্রবাহের পরিবহণ সঠিক না হয় তবে হৃৎপিণ্ডের ছান্দিক সংকোচন-প্রসারণ বিঘ্নিত হয়। একে বলা হয় হৃদ্-অবরােধ বা হার্ট ব্লক।


প্রশ্ন:৬
দ্বিতীয় হৃদধ্বনি সৃষ্টির কারণ ও গুরুত্ব লেখাে।

উত্তর: 
নিলয় প্রসারণে অন্তঃনিলয় চাপ হ্রাস পাওয়ায় মহাধমনি ও ফুসফুসীয় ধমনিস্থিত রক্তের বিপরীতমুখী প্রবাহে অর্ধচন্দ্রাকার কপাটিকা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দ্বিতীয় হৃদধ্বনির সৃষ্টি হয়।
গুরুত্ব—
(i) দ্বিতীয় হৃদধ্বনি হৎপিণ্ডের সংকোচনের সমাপ্তি এবং প্রসারণের সূচনা নির্দেশ করে।
(ii) দ্বিতীয় হৃদধ্বনির স্পষ্টতা নির্দেশ করে যে অর্ধচন্দ্রাকার কপাটিকা সঠিকভাবে বন্ধ হচ্ছে এবং কোনাে বিপরীতমুখী রক্তপ্রবাহ নেই।


প্রশ্ন:৭
এ.ভি.নােডকে সংরক্ষী ছন্দ-নিয়ামক (Reserve Pacemaker) বলে কেন ?

উত্তর: 
এ.ভি.নােড প্রতি মিনিটে 40-60টি স্পন্দনপ্রবাহ উৎপন্ন করতে পারে। এস.এ.নোড কোনাে কারণে বিনষ্ট হলে হৃৎপিণ্ড এ.ভি.নােডের ছন্দে সংকুচিত হয়। তাই এ.ভি.নােডকে সংরক্ষী ছন্দ-নিয়ামক বলে।


প্রশ্ন:৮
প্রথম হৃদধ্বনি (First heart sound) সৃষ্টির কারণ কী ? এই ধ্বনির গুরুত্ব লেখাে।

উত্তর: 
নিলয়ের সংকোচনে উভয় নিলয়ের মধ্যে রক্তচাপ বাড়তে থাকে এবং প্রতি নিলয়ের রক্তচাপ সেদিকের অলিন্দের রক্তচাপের অধিক হলে উভয় অলিন্দ-নিলয় কপাটিকা সশব্দে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে প্রথম হৃদধ্বনি সৃষ্টি হয়।
গুরুত্ব—প্রথম হৃদধ্বনির স্থিতিকাল ও তীব্রতা থেকে মায়ােকার্ডিয়ামের অবস্থা জানা যায়। এই ধ্বনির স্পষ্টতা থেকে বােঝা যায় যে, অলিন্দ-নিলয় কপাটিকা সঠিকভাবে বন্ধ হচ্ছে এবং এর মধ্যে কোনো অনুপযুক্ততা (incompetence) নেই।


প্রশ্ন:৯
ধমনি ও শিরার কলাস্থানিক গঠনে কী পার্থক্য লক্ষ করা যায় ?

উত্তর: 
ধমনি ও শিরা উভয় রক্তবাহই বহিঃস্তর, মধ্যস্তর ও অন্তঃস্তর এই তিনটি স্তর নিয়ে গঠিত। তবে ধমনিতে বহিঃস্তর ও মধ্যস্তর দুটি সবচেয়ে বেশি থাকে এবং বহিঃস্তরে প্রধানত সাদা তন্তুময় যােগকলা থাকে এবং এই স্তরটি তুলনামূলকভাবে অস্থিতিস্থাপক।
অপরপক্ষে, শিরার অন্তঃস্তর এবং মধ্যস্তর দুটি ধমনির তুলনায় পাতলা। শিরার প্রাচীরে পেশি এবং স্থিতিস্থাপক বস্তু কম থাকে। শিরার প্রাচীর পাতলা এবং অপেক্ষাকৃত কম অনৈচ্ছিক পেশি থাকে।


প্রশ্ন:১০
ইলেকট্রোকার্ডিয়ােগ্রাম বা ECG কী ?

উত্তর: 
মানুষের দেহ-আয়তন পরিবাহী (volume conductor) হওয়ায় এস.এ.নােডে উৎপন্ন তড়িৎ উদ্দীপনা হৃৎপিণ্ডের চতুঃপার্শ্বস্থ কলাকোশ থেকে সমগ্র দেহে প্রবাহিত হয়। এইজন্য হৃৎপিণ্ডের বিপরীত দেহাংশে যথােপযুক্ত তড়িদ্বার (electrode) যােগ করলে হৃৎপিণ্ডের তড়িৎ বিভবের পরিবর্তন ধরা পড়ে। তড়িৎ বিভবের পরিবর্তনকে বিশেষ যান্ত্রিক ব্যবস্থার দ্বারা লিপিবদ্ধ করলে যে লেখচিত্র (graph) পাওয়া যায় তাকে ইলেকট্রোকার্ডিয়ােগ্রাম বা ECG বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-১৬

মানব শারীরবিদ্যা প্রশ্ন:১ হেমারেজ ও হিমােলাইসিসের মধ্যে পার্থক্য কী ? উত্তর:  কেটে যাওয়া বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ হওয়াকে হেমারেজ বলে। অপরপক্ষে, লােহিত রক্তকণিকা ভেঙে গিয়ে প্লাজমাতে হিমােগ্লোবিন ছড়িয়ে পড়াকে হিমােলাইসিস বলে। প্রশ্ন:২ ধমনি রক্ত অপেক্ষা শিরা রক্তের লােহিত রক্তকণিকা আকারে বড় হয় কেন ? উত্তর:  শিরা রক্তের ক্লোরাইড শিফটের জন্য লােহিত রক্তকণিকার অভ্যন্তরস্থ অভিস্রবণ চাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে লােহিত রক্তকণিকার মধ্যে ক্লোরাইড ও জল প্রবেশ করায় লােহিত রক্তকণিকাগুলি আকারে বড়াে হয়ে যায়। প্রশ্ন:৩ লােহিত অস্থিমজ্জা এবং শ্বেত অস্থিমজ্জার পার্থক্য কী ? উত্তর:  (i) লােহিত অস্থিমজ্জা রক্তকোশ উৎপন্ন করতে পারে, শ্বেত অস্থিমজ্জা পারে না।  (ii) লােহিত অস্থিমজ্জায় অ্যাডিপােস কলা কম থাকে বা থাকে না, শ্বেতমজ্জায় অ্যাডিপােস কলা বেশি থাকে।  (iii) লােহিত মজা স্পঞ্জি অস্থিতে থাকে, শ্বেত মজ্জা দীর্ঘকায় অস্থিগহ্বরে থাকে।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন(The Evolution of Indian Civilization)

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন: প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক যাত্রা           ভারতীয় সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং নিরন্তর প্রবাহমান সভ্যতা। এর বিবর্তন একটি বিশাল মহাকাব্যিক যাত্রা, যা প্রায় দশ হাজার বছর ধরে বহু যুগ, সংস্কৃতি, ধর্ম, সাম্রাজ্য এবং মতাদর্শের উত্থান-পতনের সাক্ষী। এই বিবর্তন শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, প্রযুক্তি, শিল্পকলা, দর্শন এবং আধ্যাত্মিক চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তরকেও নির্দেশ করে।

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?