ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
মানব শারীরবিদ্যা
প্রশ্ন:১
তঞ্চনঘটিত কয়েকটি ত্রুটি উল্লেখ করাে।
উত্তর:
হিমােফিলিয়া, ফাইব্রিনােজেনােপেনিয়া, প্রোথ্রম্বিন ঘাটতি এবং ভিটামিন K ঘাটতি প্রভৃতি তঞ্চনের ত্রুটি।
প্রশ্ন:২
জ্যান্ত টেস্টটিউব কী ?
উত্তর:
ঘােড়ার জুগুলার শিরাতে দু-দিকে সুতাে বেঁধে শিরাটিকে কেটে পৃথক করলেও যায় শিরার মধ্যে রক্ত তঞ্চিত হয় না। এইরূপ রক্তসহ শিরাটিকে জ্যান্ত টেস্টটিউব বলে। এই পরীক্ষাটিকে জ্যান্ত টেস্টটিউব পরীক্ষা বলে।
প্রশ্ন:৩
রক্তবাহে রক্ত তঞ্চিত হয় না কেন ?
উত্তর:
(i) রক্তে অবস্থিত তঞ্চনরােধক পদার্থ হেপারিন, অ্যান্টিথ্রম্বিন-III, ম্যাক্রোগ্লোবিউলিন ইত্যাদি থাকায় থ্রম্বিনের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।
(ii) দ্রুত রক্ত সংবহনের জন্য সব অণুচক্রিকা দলবদ্ধ হতে পারে না।
(iii) রক্তবাহের অভা ও মসৃণ অন্তঃআবরণী কোনাে অণুচক্রিকাকে বিদারিত হতে দেয় না।
(iv) রক্তে প্লাজমিনােজেন নামক ফাইব্রিনোলাইসিস পদার্থের উপস্থিতি।
প্রশ্ন:৪
কোন্ বিজ্ঞানী রক্তের বিভাগীকরণ বা শ্রেণিবিভাগ করেন ?
উত্তর:
ভিয়েনার চিকিৎসক ল্যান্ডস্টেইনার (Landsteiner, 1901) রক্তের শ্রেণিবিভাজন করেন।
প্রশ্ন:৫
পরাশ্রয়ী রক্ততঞ্চন (extrinsic blood coagulation) বলতে কী বােঝায় ?
উত্তর:
পরাশ্রয়ী রক্ততঞ্চনে বিনষ্ট কলাকোশ থেকে থ্রম্বােপ্লাস্টিন নিঃসৃত হয়ে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। পরে প্লাজমাজাত নানা উপাদানের দ্বারা সক্রিয় হয়ে প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে পরিণত করে। থ্রম্বিন ফাইব্রিনােজেনকে ফাইব্রিনে রূপান্তর করে রক্ততঞ্চন ঘটায়।
প্রশ্ন:৬
থ্রম্বােসিস বলতে কী বােঝাে ?
উত্তর:
রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধার পদ্ধতিকে থ্রম্বােসিস বলে এবং রক্তবাহম্বিত রক্তমণ্ডকে থ্রম্বাস বলে। হৃৎপিণ্ডের করােনারি রক্তনালিকায় রক্তের জমাট বাঁধাকে করােনারি থ্রম্বােসিস এবং গুরুমস্তিস্কের রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধাকে সেরিব্রাল থ্রম্বােসিস বলে।
প্রশ্ন:৭
হিমােফিলিয়া কাকে বলে ?
উত্তর:
এটি একপ্রকারের বংশগত রােগ। এক্ষেত্রে তঞ্চনকাল অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়, ফলে রক্তক্ষরণ দেখা দেয়। দেহের বিভিন্ন অংশে রক্তস্ফীতি দেখা দেয়। এই রােগটি সাধারণত পুরুষদের ক্ষেত্রে দেখা দেয়, কিন্তু নারী দ্বারা রােগটি বাহিত হয়। প্লাজমায় VIII এবং IX ফ্যাক্টরের অভাব থেকে এই রােগ হয়।
প্রশ্ন:৮
সিরাম কী ?
উত্তর:
রক্ত জমাট বাঁধার পর রক্তের জমাট অংশ থেকে হালকা হলুদ রঙের বা খড়ের রঙের মতাে একপ্রকার স্বচ্ছ রস নিঃসৃত হয়, একে সিরাম বলে।
প্রশ্ন:৯
রক্তবাহে কখন রক্ত তঞ্চিত হয় ?
উত্তর:
(i) রক্তবাহের আন্তঃআবরণীতে ক্ষত সৃষ্টি হলে বা আঘাত পেলে।
(ii) রক্তপ্রবাহ মন্থর হয়ে পড়লে।
(iii) আর্টারিওস্ক্লেরােসিস হলে এই সমস্ত কারণে রক্তের অণুচক্রিকা সেখানে জড়াে হয় এবং বিনষ্ট হয়। ফলে ফাইব্রিন তন্তুর সৃষ্টি হয় এবং রক্ত জমাট বাঁধে।
প্রশ্ন:১০
তঞ্চন ও থ্রম্বােসিসের মধ্যে পার্থক্য কী ?
উত্তর:
দেহ থেকে নির্গত রক্ত যে প্রক্রিয়ায় অর্ধকঠিন জেলির আকারে রূপান্তরিত হয়, তাকে তঞ্চন বলে। অপরপক্ষে, রক্তবাহের মধ্যে রক্তের তঞ্চনকে থ্রম্বােসিস বলে।

Comments
Post a Comment