Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-৪২

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
অক্সিটোসিন-এর উৎস কাজ লেখাে।

উত্তর: 
অক্সিটোসিন হাইপােথ্যালামাসের প্যারাভেন্ট্রিকুলার নিউক্লিয়াসে সংশ্লেষিত হয়ে হাইপােথ্যালামিক হাইপােফাইসিয়াল স্নায়ুপথে পশ্চাৎ পিটুইটারিতে পৌঁছােয় এবং সেখান থেকে ক্ষরিত হয়।


প্রশ্ন:২
বৃদ্ধ বয়সে বৃদ্ধি হরমােনের স্বল্পতায় কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায় ?

উত্তর: 
অধিক বয়সের ছাপ পরিলক্ষিত হয়, অর্থাৎ 50 বছরের কোনাে ব্যক্তিকে দেখলে মনে হয় যেন তার বয়স 65। 
অন্যান্য দৈহিক ও শারীরবৃত্তীয় প্রভাবগুলি হল— 
(i) চামড়া কুঁচকে যায়, 
(ii) বিভিন্ন অঙ্গের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় এবং 
(iii) পেশির পরিমাণ ও ক্ষমতা কমে যায়।


প্রশ্ন:৩
হরমােন কী ? হরমােনকে রাসায়নিক দূত বলে কেন ?

উত্তর: 
বিশেষ ধরনের কোশসমষ্টি (উদ্ভিদদেহে) বা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি (প্রাণীদেহে) থেকে নিঃসৃত যেসব জৈব-রাসায়নিক পদার্থ দেহতরলের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে বাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্য অর্থাৎ বৃদ্ধি, পরিস্ফুরণ, জনন ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে; যাদের প্রভাব ক্রমান্বয়িক, সুদূরপ্রসারী এবং ক্রিয়ার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় তাদের হরমােন বলে। হরমােন উৎসস্থল থেকে দূরবর্তী স্থানে রাসায়নিক বার্তা বহন করে নিয়ে যায়। তাই হরমােনকে রাসায়নিক দূত বা কেমিক্যাল ম্যাসেঞ্জার বলে।


প্রশ্ন:৪
অতিকায়ত্ব বা জাইগ্যানটিজম কী ?

উত্তর: 
পিটুইটারির অগ্রখণ্ডের বৃদ্ধি হরমােন নিঃসরণকারী অ্যাসিডােফিল কোশগুলির সক্রিয়তা যদি বয়ঃসন্ধিকালের (adolescence) পূর্বে বেড়ে যায় এবং এর ফলে অতিরিক্ত বৃদ্ধি হরমােন ক্ষরিত হয় তবে দৈহিক বৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উচ্চতা 8 ফুট পর্যন্ত হয়। এই অবস্থাকে বলা হয় অতিকায়ত্ব বা জাইগ্যানটিজম (Gigantism)।


প্রশ্ন:৫
নেগেটিভ ফিডব্যাক (negative feed back) কী ?

উত্তর: 
কোনাে গ্রন্থির ক্ষরিত পদার্থ যখন ওর উচ্চতর কেন্দ্রের ক্ষরণে বাধা সৃষ্টি করে সেই পদ্ধতিকে নেগেটিভ ফিড ব্যাক বলে। যেমন—পিটুইটারি গ্রন্থির অগ্রখণ্ড থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমােন (TSH) থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমােন ক্ষরণ ঘটায়। আবার রক্তে থাইরক্সিনের অধিক মাত্রা পিটুইটারি থেকে TSH-এর ক্ষরণ হ্রাসের মাধ্যমে থাইরয়েড থেকে থাইরক্সিনের ক্ষরণ হ্রাস করে। এই ধরনের নিয়ন্ত্রণকে নেগেটিভ ফিডব্যাক (negative feedback) বলে।


প্রশ্ন:৬
পিটুইটারির পশ্চাদখণ্ডের স্বল্পক্ষরণজনিত লক্ষণগুলি কী কী ?

উত্তর: 
(1) ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস (Diabetes Insipidus)—পশ্চাৎ পিটুইটারি থেকে ADH-এর ক্ষরণ কম হওয়ায় বৃক্কের দূরবর্তী নালিকা দ্বারা জলের পুনঃশোষণ উল্লেখযােগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে অধিক পরিমাণে (প্রতিদিন 15 লিটার বা তার বেশি) পাতলা মূত্র উৎপন্ন হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বারবার মূত্র ত্যাগ করে, এই অবস্থাকে বলা হয় বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস। 
(2) অক্সিটোসিনের স্বল্পতাজনিত ফল—অক্সিটোসিনের স্বল্পতায় প্রসবকালীন অবস্থায় জরায়ুর সংকোচনের তীব্রতা উল্লেখযােগ্যভাবে হ্রাস পায়। ফলে স্বাভাবিক প্রসবক্রিয়া বিঘ্নিত হয়। তা ছাড়া স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি ও দুগ্ধ নিঃসরণ কমে যায়।


প্রশ্ন:৭
হাইপােথ্যালামাস দ্বারা পশ্চাৎ পিটুইটারির হরমােন ক্ষরণ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় ?

উত্তর: 
পিটুইটারি পশ্চাদখণ্ড ও হাইপােথ্যালামাসের সম্পর্ক খুবই নিবিড়। পশ্চাদখণ্ডের দুটি হরমােন—ADH ও অক্সিটোসিন হাইপােথ্যালামাসের সুপ্রাঅপটিক (Supraoptic) ও প্যারাভেন্ট্রিকুলার (Paraventricular) নিউক্লিয়াসে সংশ্লেষিত হয় এবং হাইপােথ্যালামিক হাইপােফাইসিয়াল স্নায়ুপথে পশ্চাৎ পিটুইটারিতে পৌঁছোয়। হাইপােথ্যালামাস থেকে আগত স্নায়ু উদ্দীপনায় উদ্দীপিত হলে পশ্চাৎ পিটুইটারি থেকে হরমােন ক্ষরিত হয়। অর্থাৎ পশ্চাৎ পিটুইটারি হরমােন নিঃসরণ সম্পূর্ণভাবে হাইপােথ্যালামাস নিয়ন্ত্রণ করে।


প্রশ্ন:৮
হরমােনের দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ (double control) বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
কোনাে কোনাে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় একাধিক হরমােন অংশগ্রহণ করে। সেখানে একটি হরমােন প্রক্রিয়াটিকে সহায়তা করে এবং অন্য হরমােন প্রক্রিয়াটিতে বাধা সৃষ্টি করে। যেমন—ইনসুলিন রক্তশর্করার পরিমাণ হ্রাস করে কিন্তু গ্লুকাগন রক্তশর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। একে হরমােনের দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ বলে।


প্রশ্ন:৯
অক্সিটোসিন-এর শারীরবৃত্তীয় কাজ উল্লেখ করো।

উত্তর: 
অক্সিটোসিন-এর শারীরবৃত্তীয় কাজ—অক্সিটোসিন গর্ভাবস্থার শেষের দিকে জরায়ুর শক্তিশালী সংকোচন ঘটায়। জরায়ুর এই শক্তিশালী সংকোচনের জন্যই প্রসবকালীন ব্যথা (labor pain) অনুভূত হয়। এইভাবে এটি শিশুপ্রসবে সাহায্য করে। এটি স্তনগ্রন্থির মায়ােএপিথেলিয়াল কোশের সংকোচনের দ্বারা দুগ্ধ নিঃসরণ ত্বরান্বিত করে।


প্রশ্ন:১০
ADH-এর উৎস ও শারীরবৃত্তীয় কাজ উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
ADH হাইপােথ্যালামাসের সুপ্রাঅপটিক নিউক্লিয়াসে সংশ্লেষিত হয় এবং পিটুইটারি গ্রন্থির পশ্চাদখণ্ড থেকে ক্ষরিত হয়।
ADH-এর শারীরবৃত্তীয় কাজ—সূক্ষ্মমাত্রায় ADH বৃক্কীয় নালিকার ভেদ্যতা (permeability) বৃদ্ধি করে। ফলে গ্লোমেরুলাস দ্বারা পরিস্রুত তরল থেকে বেশিরভাগ জল পুনঃশােষিত হয়ে রক্তে ফিরে যায়। এইভাবে ADH দ্বারা দেহের জল সংরক্ষণ হয়। তা ছাড়া ADH-এর উচ্চ ঘনত্ব সারাদেহে ধমনিকাগুলির সংকোচন ঘটিয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। তাই ADH-এর অপর নাম ভেসােপ্রেসিন।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।  

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ঘূর্ণবাত বৃষ্টি বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি

ঘূর্ণবাত বৃষ্টি বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি        জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিম্নচাপের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে ওপরে উঠে শীতল হয়ে যে বৃষ্টিপাত ঘটায়, তাকে ঘূর্ণবাত বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বলে। কোনো স্থানে প্রবল নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে চারদিক থেকে ছুটে আসা শুকনো, ঠান্ডা ও ভারী বাতাসের ওপর জলীয়বাষ্পপূর্ণ গরম বাতাস উঠে যাওয়ার জন্যই ঘূর্ণবাত বৃষ্টিপাতের সৃষ্টি হয়। ঘূর্ণবাত বৃষ্টি সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে ঝিরঝির করে পড়ে। পৃথিবীর দুটি পৃথক অঞ্চলে ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বৃষ্টি হয়ে থাকে।