Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 2

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ  কে গণপরিষদের খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন? উত্তরঃ বি. আর. আম্বেদকর। প্রশ্নঃ  ভারতবর্ষের সংবিধান—  উত্তরঃ  পৃথিবীর বৃহত্তম লিখিত সংবিধান।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জীবের জনন, সেট-১৪

জীবের জনন


প্রশ্ন:১
শুক্রাশয়ের লেডিগ কোশ থেকে কী কী হরমােন ক্ষরিত হয় ?

উত্তর: 
শুক্রাশয়ের লেডিগ কোশ থেকে তিন প্রকার অ্যানড্রোজেন হরমােন ক্ষরিত হয়। 
যথা–
(i) টেস্টোস্টেরন, 
(ii) ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন এবং 
(iii) অ্যানড্রোস্ট-4 -এইন 3, 17 ডায়ােন।


প্রশ্ন:২
ডিম্বাশয় থেকে প্রধানত কী কী হরমােন ক্ষরিত হয় ?

উত্তর: 
ডিম্বাশয় থেকে প্রধানত তিন ধরনের হরমােন ক্ষরিত হয়। যথা–
(i) ইসট্রোজেন, 
(ii) প্রােজেস্টেরন এবং 
(iii) রিলাক্সিন।

প্রশ্ন:৩
দেহের বৃদ্ধিতে টেস্টোস্টেরনের প্রভাব কী ?

উত্তর: 
টেস্টোস্টেরনের প্রভাবে মাংসপেশির বৃদ্ধি ঘটে, ফলে পুরুষােচিত আকৃতির বিকাশ ঘটে। তা ছাড়া টেস্টোস্টেরনের ক্রিয়ায় বয়ঃসন্ধিকালে দেহের ক্যালশিয়াম ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অস্থির বৃদ্ধি ঘটে ও অস্থি মজবুত হয়।


প্রশ্ন:৪
পুরুষদের প্রধান যৌন হরমােন কোনটি ? এই হরমােনের প্রভাবে পুরুষের দেহে কী কী গৌণ যৌনলক্ষণের বিকাশ ঘটে ?

উত্তর: 
পুরুষদের প্রধান যৌন হরমােনটি হল টেস্টোস্টেরন।
টেস্টোস্টেরন হরমােনের প্রভাবে পুরুষদের দেহে নিম্নলিখিত গৌণ যৌনলক্ষণগুলির বিকাশ ঘটে। যেমন— 
(i) কণ্ঠস্বর ভারী হয়; 
(ii) দেহ পেশিবহুল হয়; 
(iii) শ্রোণিদেশ, বক্ষদেশ, বগল ইত্যাদি স্থানে কেশোদ্গম ঘটে; 
(iv) গোঁফ-দাড়ি গজায়; 
(v) দেহত্বকের বর্ণের গাঢ়ত্ব দেখা যায়; 
(vi) স্বেদক্ষরণ বৃদ্ধি পায়; 
(vii) সিবেসিয়াস গ্রন্থির ক্ষরণ বৃদ্ধি পাওয়ায় মুখে ব্রণ দেখা যায়; 
(viii) কপালের উভয়পাশের কেশ লােপ পেতে থাকে।


প্রশ্ন:৫
সারটোলি কোশ কোথায় থাকে ? এই কোশের কাজ কী ?

উত্তর: 
আদি শুক্রকোশস্তরে একরকমের বৃহদাকার কোশ ভিত্তিপর্দা থেকে কেন্দ্রের দিকে বিস্তৃত থাকে। এদের সারটোলি কোশ বলে।
কাজ–সারটোলি কোশগুলি শুক্রাণুকে পুষ্টি জোগায়। তাই এদের পােষক কোশ বলে।


প্রশ্ন:৬
করপাস লিউটিয়াম বা পীতগ্রন্থি কী ? এর কাজ কী ?

উত্তর: 
পরিণত ডিম্বথলি থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণের পর বিদীর্ণ ডিম্বথলি করপাস লিউটিয়াম বা পীতগ্রন্থিতে পরিণত হয়।
কাজ–এটি একটি অস্থায়ী অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিরূপে কাজ করে এবং প্রোজেস্টেরন হরমােন ক্ষরণ করে। এই হরমােন গর্ভাবস্থাকে বজায় রাখতে সাহায্য করে।


প্রশ্ন:৭
বার্থোলিন গ্রন্থির অবস্থান ও কাজ লেখাে।

উত্তর: 
যােনিছিদ্রের নিকটবর্তী অঞ্চলে ভেস্টিবিউলের মধ্যে বার্থোলিন গ্রন্থি অবস্থান করে।
কাজ–এই গ্রন্থি মিউকাস ক্ষরণ করে যােনিপথকে পিচ্ছিল ও সিক্ত রাখে।


প্রশ্ন:৮
স্তনগ্রন্থি কী ? স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি, স্তনগ্রন্থিতে দুগ্ধ উৎপাদন এবং স্তনগ্রন্থি থেকে দুধ নিঃসরণ কোন্ কোন্ হরমােন দ্বারা প্রভাবিত হয় ?

উত্তর: 
স্তনগ্রন্থি একপ্রকার গৌণ যৌনগ্রন্থি।
এই গ্রন্থি পুরুষদের দেহে ক্ষুদ্র এবং অপরিণত থাকে। স্ত্রীলােকের দেহে বয়ঃসন্ধিকালে ইসট্রোজেন ও প্রােজেস্টেরন হরমােনের প্রভাবে স্তনগ্রন্থি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে প্রমাণ আকার ধারণ করে। সন্তান প্রসবের পর প্রােল্যাকটিন হরমােনের প্রভাবে স্তনগ্রন্থিতে দুগ্ধ উৎপাদন শুরু হয়।


প্রশ্ন:৯
স্পর্মিওজেনেসিস কাকে বলে ?

উত্তর: 
অপরিণত শুক্রাণু থেকে পরিণত শুক্রাণু গঠন হওয়াকে স্পর্মিওজেনেসিস বলে।


প্রশ্ন:১০
শুক্রাশয়ের কাজ কী ?

উত্তর: 
শুক্রাশয়ের প্রধান কাজ দুটি—
(i) শুক্রাণু উৎপাদন করা এবং 
(ii) হরমােন নিঃসরণ। শুক্রাশয়ের সেমিনিফেরাস নালিকায় শুক্রাণু উৎপন্ন হয়। শুক্রাণু উৎপাদন প্রক্রিয়াকে স্পার্মাটোজেনেসিস (spermatogenesis) বলে। শুক্রাশয় থেকে প্রধান টেস্টোস্টেরন হরমােন নিঃসৃত হয়। এই হরমােন পুরুষের গৌণ যৌনলক্ষণসমূহের প্রকাশ ঘটায় এবং শুক্রাণু উৎপাদন অব্যাহত রাখে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

[MCQ]।।ভারতের ইতিহাস।।ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.)।। সেট ১

  ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.) 👉প্রশ্ন:১ অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়— (a) ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে (b) ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে (c) ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে (d) ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল            আর্দ্রবায়ু পাহাড়ে বাধা পেয়ে প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত করার পর তাতে আর জলীয় বাষ্প থাকে না। জলীয়বাষ্পহীন ওই শুকনো বাতাস পাহাড় অতিক্রম করে পাহাড়ের অপর দিকে (অনুবাত ঢালে) গেলে সেখানে আর বৃষ্টিপাত হয় না। পাহাড়ের বায়ুমুখী ঢালের বিপরীত দিকের প্রায় বৃষ্টিহীন অনুবাত ঢালকে “বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল” বলা হয়।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...