Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-২৭

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
কোন্ কোন্ শ্বেতকণিকা রােগজীবাণু ধ্বংস করে ?

উত্তর: 
নিউট্রোফিল, মনােসাইট ও লিম্ফোসাইট।


প্রশ্ন:২
স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তবাহের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধে না কেন ?

উত্তর: 
(i) রক্তে হেপারিন (বেসােফিল দ্বারা ক্ষরিত হয়) নামে একপ্রকার তঞ্চনরােধক পদার্থ থাকে যা রক্তবাহের মধ্যে রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না। 
(ii) রক্তবাহের গাত্র খুবই মসৃণ, এর ফলে রক্তের অণুচক্রিকা অবিকৃত থাকে এবং অণুচক্রিকা থেকে থ্রম্বােপ্লাস্টিন নির্গত হয় না। 
(iii) রক্তবাহের মধ্য দিয়ে রক্ত বেগে প্রবাহিত হয়, যার ফলে অণুচক্রিকা একসঙ্গে সম্মিলিত হতে পারে না।


প্রশ্ন:৩
প্লাজমা কীভাবে জলসাম্যতা নিয়ন্ত্রণ করে ?

উত্তর: 
দেহে প্রয়ােজনের তুলনায় জল কম থাকলে প্লাজমা ঘনীভূত হয় ও প্লাজমার অভিস্রবণ চাপ বেড়ে যায়। এর ফলে জল আন্তঃকোশীয় তরল থেকে প্লাজমায় প্রবেশ করে। তারপর আন্তঃকোশীয় তরল ঘনীভূত হয়—জল অন্তঃকোশীয় তরল থেকে আন্তঃকোশীয় তরলে প্রবেশ করে। এইভাবে দেহের সব প্রকোষ্ঠ থেকে জল অপসারিত হয়ে তাদের অভিস্রবণ চাপের সমতা বজায় রাখে। কোশীয় তরলের অপসারণ তৃষ্ণার অনুভূতি জাগায় এবং জলপানের ফলে দেহে জলের অভাব দূর হয়।


প্রশ্ন:৪
রক্তের ABO পদ্ধতির (ABO system) ভিত্তি কী ?

উত্তর: 
রক্তের লােহিতকণিকার কোশপর্দার আ্যাগ্লুটিনােজেন ও রক্তরসের আ্যাগ্লুটিনিন-এর প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে রক্তকে A, B, AB ও O—এই চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। রক্তের এইরূপ শ্রেণিবিন্যাসের পদ্ধতিকে বলা হয় ABO পদ্ধতি।


প্রশ্ন:৫
হিমােগ্লোবিন কী ? এটি কোথায় থাকে ? কোন্ রােগে হিমােগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং কোন্ রােগে হ্রাস পায় ?

উত্তর: 
হিমােগ্লোবিন একপ্রকার লৌহঘটিত রঞ্জক পদার্থ। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের লােহিত রক্তকণিকায় এবং অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তরসে হমােগ্লোবিন থাকে। হিমােগ্লোবিনের পরিমাণ পলিসাইথিমিয়া রােগে বৃদ্ধি পায় এবং রক্তাল্পতা রােগে হ্রাস পায়।


প্রশ্ন:৬
কৃত্রিম রক্ততঞ্চনরােধক পদার্থ বা অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট-এর দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
(i) সাইট্রেট লবণ—সােডিয়াম সাইট্রেট ও পটাশিয়াম সাইট্রেট রক্ত থেকে ক্যালশিয়ামের অধঃক্ষেপ ঘটিয়ে রক্ততঞ্চনে বাধা দেয়। 
(ii) সােডিয়াম ফ্লুওরাইড (0.3% দ্রবণ)—এটি সাইট্রেট লবণের মতাে একইভাবে কাজ করে।


প্রশ্ন:৭
N2-বিহীন কোন্ কোন্ জৈব যৌগ মধুমেহ রােগে রক্তে বেশি থাকে ?

উত্তর: 
গ্লুকোজ, ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল।


প্রশ্ন:৮
হেপারিন কী ? এর উৎস কী ?

উত্তর: 
হেপারিন একপ্রকার প্রাকৃতিক রক্ততঞ্চনরােধক পদার্থ। এটি একধরনের আম্লিক মিউকোপলিস্যাকারাইড। রক্তের বেসােফিল শ্বেতকণিকা হেপারিন ক্ষরণ করে।


প্রশ্ন:৯
রক্তের কোন্ কোন্ উপাদান রক্তক্ষরণ প্রতিরােধে সাহায্য করে ?

উত্তর: 
অণুচক্রিকা, প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনােজেন ও ক্যালশিয়াম আয়ন।


প্রশ্ন:১০
প্লাজনা কীভাবে দেহতাপ নিয়ন্ত্রণ করে ?

উত্তর: 
প্লাজমার তরল অংশ অর্থাৎ জল দেহতাপ নিয়ন্ত্রণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে, যথা—
(i) জলের আপেক্ষিক তাপ বেশি হওয়ায় এটি প্রচুর পরিমাণে তাপ শােষণ করতে পারে এবং এর ফলে দেহতাপমাত্রার আকস্মিক পরিবর্তন হতে পারে না।
(ii) অন্যান্য সাধারণ তরলের তুলনায় জলের তাপ পরিবহণের ক্ষমতা বেশি। তা ছাড়া এটি তাপের দ্রুত বন্টনে সহায়তা করে।
(iii) জলের বাস্পীভবনের লীনতাপ খুব বেশি এবং যেহেতু জল সবসময় ত্বক এবং ফুসফুসের মাধ্যমে বাস্পীভূত হয়, তাই এইভাবে প্রচুর পরিমাণে তাপ দেহ থেকে অপসারিত হয়।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

অঙ্গারযোজন বা কার্বোনেশন

অঙ্গারযোজন বা কার্বোনেশন          বিভিন্ন খনিজের সঙ্গে প্রাকৃতিক কার্বন ডাইঅক্সাইড-এর রাসায়নিক সংযোগের ফলে যে বিক্রিয়া ঘটে তাতে শিলা বিয়োজিত হয় এবং মূল খনিজগুলো নতুন খনিজে পরিণত হয়ে সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এই প্রক্রিয়াকে অঙ্গারযোজন বা কার্বনেশন বলে। 👉 ভূগোলের MCQs, VSQs এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর গুলি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।  👈         বায়ুমণ্ডলের ভিতর দিয়ে ভূপৃষ্ঠে বৃষ্টির জল পড়ার সময় বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইডের সঙ্গে মিশে মৃদু কার্বনিক অ্যাসিড তৈরি করে। সাধারণ জলে চুনাপাথর দ্রবীভূত না হলেও এই কার্বনিক অ্যাসিড মিশ্রিত জল চুনাপাথরের (ক্যালশিয়াম কার্বনেট) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে চুনাপাথর সহজেই দ্রবীভূত হয় এবং চুনাপাথর ক্যালশিয়াম বাইকার্বনেটে পরিণত হয়। এবং তা সহজেই দ্রবীভূত হয়ে অপসারিত হয়। চুনাপাথরযুক্ত অঞ্চলে চুনাপাথর এই প্রক্রিয়ায় বিয়োজিত এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বিভিন্ন ভূমিরূপ গঠন করে। আরও পড়ুন:: ⚡ আবহবিকার বা বিচূর্ণীভবন - সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ ⚡ যান্ত্রিক আবহবিকার ⚡ রাসায়নিক আবহবিকার ⚡ জৈবিক আবহবিকার ⚡ জারণ বা অক্সিডেশ...

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়।