Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জীবের জনন, সেট-৭

জীবের জনন


প্রশ্ন:১
সেমিনিফেরাস নালিকার স্তরগুলির নাম লেখাে।

উত্তর: 
সেমিনিফেরাস নালিকার স্তরগুলি হল–
(i) স্পার্মাটোগােনিয়া বা আদি শুক্রকোশ, 
(ii) প্রাইমারি স্পার্মাটোসাইট বা প্রাথমিক পরশুক্রাণু, 
(iii) সেকেন্ডারি স্পার্মাটোসাইট বা গৌণ পরশুক্রাণু, 
(iv) স্পার্মাটিড বা অপরিণত শুক্রাণু, 
(v) স্পার্মাটোজোয়া বা পরিণত শুক্রাণু।


প্রশ্ন:২
স্পার্মাটোজেনেসিস, স্পর্মিওজেনেসিস ও স্পার্মিয়েশন কাকে বলে ?

উত্তর: 
যে প্রক্রিয়ায় শুক্রাশয়ে শুক্রাণু মাতৃকোশ থেকে শুক্রাণু উৎপন্ন হয় তাকে স্পার্মাটোজেনেসিস বলে। যে প্রক্রিয়ায় গৌণ পরশুক্রাণু পরিণত শুক্রাণুতে রূপান্তরিত হয় তাকে স্পর্মিওজেনেসিস বলে। অপরপক্ষে, সারাটোলির কোশ থেকে শুক্রাণুর অপসারণকে স্পার্মিয়েশন বলে।

প্রশ্ন:৩
সারটোলির কোশ কাকে বলে ? এর কাজ কী ?

উত্তর: 
সেমিনিফেরাস নালিকায় আদি শুক্রকোশ স্তরে যে বৃহদাকার কোশগুলি ভিত্তিঝিল্লি থেকে নালিকার কেন্দ্রের দিকে বিস্তৃত থাকে, তাদের সারটোলির কোশ বা সাসটেন্টাকিউলার কোশ বলে।
এই কোশগুলি শুক্রাণুকে পুষ্টি জোগায়।


প্রশ্ন:৪
বীর্য বা সিমেন কী ? বীর্যে শুক্রাণুর স্বাভাবিক সংখ্যা কত ?

উত্তর: 
যৌন মিলনকালে শিশ্ন থেকে যে অস্বচ্ছ, সাদা, গাঢ় তরল নিঃসৃত হয়, যা শুক্রাণু, প্রস্টেট রস ও সেমিনাল রস নিয়ে গঠিত, তাকে বীর্য বা সিমেন বলে।
প্রতিবার বীর্য স্থলনে 25-35 কোটি শুক্রাণু নির্গত হয়, প্রতি মিলিলিটার বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা প্রায় 10 কোটি।


প্রশ্ন:৫
স্ক্রোটাম বা শুক্রাশয় থলির আবরকগুলি কী কী ?

উত্তর: 
শুক্রাশয় যে থলির মধ্যে থাকে তাকে স্ক্রোটাম বা শুক্রাশয় থলি বলে। এই থলির আবরণগুলি হল—
(i) চর্ম, 
(ii) টিউনিকা ডারটস, 
(iii) বহিঃস্পার্মাটিক ফাসা, 
(iv) ক্রিম্যাস্টেরিক ফাসা, 
(v) অন্তঃস্বার্মাটিক ফাসা, 
(vi) টিউনিকা ভ্যাজাইনালিস। 
শেষােক্ত স্তরটি ভিসেরাল ও প্যারাইটাল স্তরে বিভক্ত।


প্রশ্ন:৬
লাইগেশন বা টিউবেকটোমি কাকে বলে ?

উত্তর: 
স্ত্রীলােকের উভয় পাশের ফ্যালােপিয়ান নালির কিছু অংশ কেটে বাদ দিয়ে বেঁধে দেওয়ার পদ্ধতিকে লাইগেশন বা টিউবেকটোমি বলে।


প্রশ্ন:৭
শুক্রাশয় বেষ্টনকারী স্তরগুলির নাম লেখাে।

উত্তর: 
শুক্রাশয় বেষ্টনকারী স্তরগুলি হল—
(i) টিউনিকা ভ্যাজাইনালিস, 
(ii) টিউনিকা অ্যালবুজিনিয়া এবং 
(iii) টিউনিকা ভাসকুলারিস।


প্রশ্ন:৮
ভ্যাসেকটোমি ও ভ্যাসােলাইগেশন কাকে বলে ?

উত্তর: 
পুরুষদের শুক্রনালি অর্থাৎ ভাস ডিফারেন্স ব্যবচ্ছেদ করে কিছু অংশ অপসারিত করে স্থায়ী বন্ধ্যাত্বকরণ পদ্ধতিকে ভ্যাসেকটোমি বলে। অপরপক্ষে, শুক্রনালিকে বেঁধে দিয়ে অস্থায়ী বন্ধ্যাত্বকরণ পদ্ধতিকে ভ্যাসােলাইগেশন বলে।


প্রশ্ন:৯
লেডিগ-এর আন্তরকোশ কাকে বলে ? এর কাজ কী ?

উত্তর: 
শুক্রাশয়ের সেমিনিফেরাস নালিকাগুলির অন্তর্বর্তী স্থানের যােগকলায় যে বহুতলাকার অন্তঃক্ষরা কোশসমষ্টি থাকে তাদের লেডিগ-এর আন্তরকোশ বলে।
এই কোশগুলি টেস্টোস্টেরন হরমােন নিঃসরণ করে।


প্রশ্ন:১০
শুক্ররজ্জু কী ? এর অংশগুলি কী কী ?

উত্তর: 
যে রজ্জু দিয়ে শুক্রাশয় দুটি স্ক্রোটাম গহ্বরে প্রলম্বিত থাকে তাকে শুক্ররজ্জু বা স্পার্মাটিক কর্ড বলে। এই রজ্জুটি শুক্রনালি, রক্তবাহ, স্নায়ু ও লসিকাবাহ নিয়ে গঠিত।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।