Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-৩৫

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
প্রশ্বাস কী ?

উত্তর: 
মধ্যচ্ছদা ও বহিস্থ আন্তর পঞ্জরাস্থি পেশিগুলি একই সঙ্গে সংকুচিত হলে বক্ষগহ্বর সবদিকে বেড়ে যায়। এর ফলে ফুসফুস প্রসারিত হয় এবং অন্তঃফুসফুসীয় চাপ (intrapulmonary pressure) বায়ুমণ্ডলীয় চাপ অপেক্ষা 4 mmHg থেকে 6 mmHg পর্যন্ত হ্রাস পায়। চাপের এই বৈষম্যের জন্য বিশুদ্ধ বায়ু ফুসফুসে প্রবেশ করে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রশ্বাস।


প্রশ্ন:২
শারীরবৃত্তীয় নিষ্ক্রিয় স্থানের গুরুত্ব কী ?

উত্তর: 
সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে শারীরবৃত্তীয় নিষ্ক্রিয় স্থানে বায়ু পরিমাণ প্রায় একই থাকে। তবে ফুসফুসের কোনাে কোনাে রােগে এর মান 1 থেকে 2 লিটার পর্যন্ত হয় যাকে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা হাসের সূচক হিসাবে ধরা যায়।


প্রশ্ন:৩
শারীরস্থানিক নিষ্ক্রিয় স্থান বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
প্রশ্বাসের সময় গৃহীত বায়ুর কিছু অংশ নাসাগলবিল, শ্বাসনালি, উপক্লোমশাখা ইত্যাদি অংশে আবদ্ধ থাকে। বাকি অংশ ফুসফুসের বায়ুথলিতে প্রবেশ করে এবং গ্যাসীয় বিনিময়ে অংশহণ করে। অ্যালভিওলাই ব্যতীত উপরােক্ত বায়ুপথকে শারীরস্থানিক নিষ্ক্রিয় স্থান বলে।


প্রশ্ন:৪
বলপূর্বক নিশ্বাসে সহায়ককারী শ্বাসপেশিগুলি কী কী ? এদের কার্যকারিতা উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
বলপূর্বক নিশ্বাস প্রক্রিয়ায় (forced inspiration) দু-ধরনের নিশ্বাস পেশি (inspiratory muscles) অংশগ্রহণ করে।
(i) উদর পেশি (Abdominal muscle)— এই পেশির সংকোচনে উদরের অঙ্গগুলি ওপরের দিকে উঠে আসে, এর ফলে মধ্যচ্ছদায় চাপ সৃষ্টি হয় এবং মধ্যচ্ছদা অধিকতর উত্তল আকার ধারণ করে। তাই বক্ষগহ্বরের আয়তন সম্মুখ-পশ্চাতে হ্রাস পায়।
(ii) অন্তঃ আন্তর পঞ্জরাস্থি পেশি (Internal intercostal muscle)— এই পেশি সংখ্যায় 11 জোড়া এবং পাঁজরের মাঝে থাকে। এই পেশির সংকোচনে পাঁজর পশ্চাতে, নীচে এবং ভিতরের দিকে সরে যায়। এর ফলে বক্ষগহ্বরের আয়তন উর্ধ্ব, নিম্ন ও পাশাপাশি হ্রাস পায়। বক্ষগহ্বরের আয়তন হ্রাস পাওয়ায় ফুসফুস সংকুচিত হয় এবং প্রায় 500 মিলি বায়ু ফুসফুস থেকে নির্গত হয়। একে বলা হয় নিশ্বাস।


প্রশ্ন:৫
শ্বসন চলন কাকে বলে ?

উত্তর: 
শ্বাসকার্যের সময় বক্ষগহ্বরের পর্যায়ক্রমিক সংকোচন ও প্রসারণকে শ্বসন চলন বলে।


প্রশ্ন:৬
সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় ধূমপান কাকে বলে ?

উত্তর: 
ধূমপানের সময় বিড়ি বা সিগারেট থেকে নির্গত ধোঁয়া সরাসরি গ্রহণ করলে তাকে সক্রিয় ধূমপান (active smoking) বলে।
অপরপক্ষে, বিড়ি বা সিগারেটের যে ধোঁয়া বায়ুতে মিশে যায় এবং পার্শ্ববর্তী লােকজনের দেহে প্রবেশ করে তাকে নিষ্ক্রিয় ধূমপান (passive smoking) বলে।


প্রশ্ন:৭
প্রশ্বাসে সহায়ককারী শ্বাসপেশিগুলি কী কী ? এদের কার্যকারিতা উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
প্রধানত দু-ধরনের পেশির সংকোচনে প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়, যথা– 
(i) মধ্যচ্ছদা এবং (ii) বহিস্থ আন্তর পঞ্জরাস্থির পেশি।
মধ্যচ্ছদা (Diaphragm): এটি বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বরের মাঝখানে অবস্থিত। এই পেশি সংকুচিত হলে নীচের দিকে নেমে যায়, ফলে বক্ষগহ্বর দৈর্ঘ্যে প্রসারিত হয়।
বহিস্ব আন্তর পঞ্জরাস্থি পেশি (External intercostal muscle) : এই পেশি সংখ্যায় 11 জোড়া এবং 12 জোড়া পঞ্জরাস্থির মধ্যে অবস্থান করে। এই পেশির সংকোচনে পঞ্জরাস্থি সম্মুখ এবং ওপর দিকে প্রসারিত হয়। তাই বক্ষগহ্বর ঊর্ধ্ব, নিম্ন এবং পাশের দিকে বেড়ে যায় ।


প্রশ্ন:৮
বায়ুধারকত্ব কাকে বলে ? কোন্ কোন্ রােগে বায়ুধারকত্ব হ্রাস পায় ?

উত্তর: 
সর্বোচ্চ প্রশ্বাস ক্রিয়ার পর যে পরিমাণ বায়ু বলপূর্বক নিশ্বাসের দ্বারা ফুসফুস থেকে বের করে দেওয়া সম্ভব হয়, তাকে ফুসফুসের বায়ুধারকত্ব বলা হয়। হৃদরােগ, নিউমােনিয়া, যক্ষ্মা, ফুসফুসীয় রক্তাধিক্য, অক্ষিগােলক বহিঃস্ফীতি, গলগণ্ড প্রভৃতি রােগে বায়ুধারকত্ব হ্রাস পায়।


প্রশ্ন:৯
শারীরবৃত্তীয় নিষ্ক্রিয় স্থান কী ?

উত্তর: 
স্বাভাবিক অবস্থায় ফুসফুসের শীর্ষ বায়ুথলিগুলি বায়ু দ্বারা পূর্ণ হয়। কিন্তু তাদের রক্ত সরবরাহ কম থাকায় অধিকাংশ বায়ু রক্তে প্রবেশ করতে পারে না, অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় থেকে যায়। উপরােক্ত বায়ুথলিগুলি শারীরবৃত্তীয় নিষ্ক্রিয় স্থান গঠন করে।


প্রশ্ন:১০
বায়ুথলীয় বায়ু বলতে কী বােঝায় ? বায়ুথলীয় বায়ুর উপাদান লেখাে।

উত্তর: 
বায়ুথলীয় বায়ু বলতে বােঝায় যে পরিমাণ বায়ু ফুসফুসের শ্বসন অংশে অবস্থান করে এবং ফুসফুসস্থিত রক্তজালকের সঙ্গে গ্যাসীয় আদানপ্রদানে অংশগ্রহণ করে। বায়ুথলীয় বায়ুতে O2, CO2, N2 ও জলীয় বাষ্প থাকে যথাক্রমে শতকরা 14.2, 5.5, 80.3 এবং 6.2 ভাগ।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-১৬

মানব শারীরবিদ্যা প্রশ্ন:১ হেমারেজ ও হিমােলাইসিসের মধ্যে পার্থক্য কী ? উত্তর:  কেটে যাওয়া বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ হওয়াকে হেমারেজ বলে। অপরপক্ষে, লােহিত রক্তকণিকা ভেঙে গিয়ে প্লাজমাতে হিমােগ্লোবিন ছড়িয়ে পড়াকে হিমােলাইসিস বলে। প্রশ্ন:২ ধমনি রক্ত অপেক্ষা শিরা রক্তের লােহিত রক্তকণিকা আকারে বড় হয় কেন ? উত্তর:  শিরা রক্তের ক্লোরাইড শিফটের জন্য লােহিত রক্তকণিকার অভ্যন্তরস্থ অভিস্রবণ চাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে লােহিত রক্তকণিকার মধ্যে ক্লোরাইড ও জল প্রবেশ করায় লােহিত রক্তকণিকাগুলি আকারে বড়াে হয়ে যায়। প্রশ্ন:৩ লােহিত অস্থিমজ্জা এবং শ্বেত অস্থিমজ্জার পার্থক্য কী ? উত্তর:  (i) লােহিত অস্থিমজ্জা রক্তকোশ উৎপন্ন করতে পারে, শ্বেত অস্থিমজ্জা পারে না।  (ii) লােহিত অস্থিমজ্জায় অ্যাডিপােস কলা কম থাকে বা থাকে না, শ্বেতমজ্জায় অ্যাডিপােস কলা বেশি থাকে।  (iii) লােহিত মজা স্পঞ্জি অস্থিতে থাকে, শ্বেত মজ্জা দীর্ঘকায় অস্থিগহ্বরে থাকে।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন(The Evolution of Indian Civilization)

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন: প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক যাত্রা           ভারতীয় সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং নিরন্তর প্রবাহমান সভ্যতা। এর বিবর্তন একটি বিশাল মহাকাব্যিক যাত্রা, যা প্রায় দশ হাজার বছর ধরে বহু যুগ, সংস্কৃতি, ধর্ম, সাম্রাজ্য এবং মতাদর্শের উত্থান-পতনের সাক্ষী। এই বিবর্তন শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, প্রযুক্তি, শিল্পকলা, দর্শন এবং আধ্যাত্মিক চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তরকেও নির্দেশ করে।

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?