Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-৩৫

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
প্রশ্বাস কী ?

উত্তর: 
মধ্যচ্ছদা ও বহিস্থ আন্তর পঞ্জরাস্থি পেশিগুলি একই সঙ্গে সংকুচিত হলে বক্ষগহ্বর সবদিকে বেড়ে যায়। এর ফলে ফুসফুস প্রসারিত হয় এবং অন্তঃফুসফুসীয় চাপ (intrapulmonary pressure) বায়ুমণ্ডলীয় চাপ অপেক্ষা 4 mmHg থেকে 6 mmHg পর্যন্ত হ্রাস পায়। চাপের এই বৈষম্যের জন্য বিশুদ্ধ বায়ু ফুসফুসে প্রবেশ করে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রশ্বাস।


প্রশ্ন:২
শারীরবৃত্তীয় নিষ্ক্রিয় স্থানের গুরুত্ব কী ?

উত্তর: 
সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে শারীরবৃত্তীয় নিষ্ক্রিয় স্থানে বায়ু পরিমাণ প্রায় একই থাকে। তবে ফুসফুসের কোনাে কোনাে রােগে এর মান 1 থেকে 2 লিটার পর্যন্ত হয় যাকে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা হাসের সূচক হিসাবে ধরা যায়।


প্রশ্ন:৩
শারীরস্থানিক নিষ্ক্রিয় স্থান বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
প্রশ্বাসের সময় গৃহীত বায়ুর কিছু অংশ নাসাগলবিল, শ্বাসনালি, উপক্লোমশাখা ইত্যাদি অংশে আবদ্ধ থাকে। বাকি অংশ ফুসফুসের বায়ুথলিতে প্রবেশ করে এবং গ্যাসীয় বিনিময়ে অংশহণ করে। অ্যালভিওলাই ব্যতীত উপরােক্ত বায়ুপথকে শারীরস্থানিক নিষ্ক্রিয় স্থান বলে।


প্রশ্ন:৪
বলপূর্বক নিশ্বাসে সহায়ককারী শ্বাসপেশিগুলি কী কী ? এদের কার্যকারিতা উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
বলপূর্বক নিশ্বাস প্রক্রিয়ায় (forced inspiration) দু-ধরনের নিশ্বাস পেশি (inspiratory muscles) অংশগ্রহণ করে।
(i) উদর পেশি (Abdominal muscle)— এই পেশির সংকোচনে উদরের অঙ্গগুলি ওপরের দিকে উঠে আসে, এর ফলে মধ্যচ্ছদায় চাপ সৃষ্টি হয় এবং মধ্যচ্ছদা অধিকতর উত্তল আকার ধারণ করে। তাই বক্ষগহ্বরের আয়তন সম্মুখ-পশ্চাতে হ্রাস পায়।
(ii) অন্তঃ আন্তর পঞ্জরাস্থি পেশি (Internal intercostal muscle)— এই পেশি সংখ্যায় 11 জোড়া এবং পাঁজরের মাঝে থাকে। এই পেশির সংকোচনে পাঁজর পশ্চাতে, নীচে এবং ভিতরের দিকে সরে যায়। এর ফলে বক্ষগহ্বরের আয়তন উর্ধ্ব, নিম্ন ও পাশাপাশি হ্রাস পায়। বক্ষগহ্বরের আয়তন হ্রাস পাওয়ায় ফুসফুস সংকুচিত হয় এবং প্রায় 500 মিলি বায়ু ফুসফুস থেকে নির্গত হয়। একে বলা হয় নিশ্বাস।


প্রশ্ন:৫
শ্বসন চলন কাকে বলে ?

উত্তর: 
শ্বাসকার্যের সময় বক্ষগহ্বরের পর্যায়ক্রমিক সংকোচন ও প্রসারণকে শ্বসন চলন বলে।


প্রশ্ন:৬
সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় ধূমপান কাকে বলে ?

উত্তর: 
ধূমপানের সময় বিড়ি বা সিগারেট থেকে নির্গত ধোঁয়া সরাসরি গ্রহণ করলে তাকে সক্রিয় ধূমপান (active smoking) বলে।
অপরপক্ষে, বিড়ি বা সিগারেটের যে ধোঁয়া বায়ুতে মিশে যায় এবং পার্শ্ববর্তী লােকজনের দেহে প্রবেশ করে তাকে নিষ্ক্রিয় ধূমপান (passive smoking) বলে।


প্রশ্ন:৭
প্রশ্বাসে সহায়ককারী শ্বাসপেশিগুলি কী কী ? এদের কার্যকারিতা উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
প্রধানত দু-ধরনের পেশির সংকোচনে প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়, যথা– 
(i) মধ্যচ্ছদা এবং (ii) বহিস্থ আন্তর পঞ্জরাস্থির পেশি।
মধ্যচ্ছদা (Diaphragm): এটি বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বরের মাঝখানে অবস্থিত। এই পেশি সংকুচিত হলে নীচের দিকে নেমে যায়, ফলে বক্ষগহ্বর দৈর্ঘ্যে প্রসারিত হয়।
বহিস্ব আন্তর পঞ্জরাস্থি পেশি (External intercostal muscle) : এই পেশি সংখ্যায় 11 জোড়া এবং 12 জোড়া পঞ্জরাস্থির মধ্যে অবস্থান করে। এই পেশির সংকোচনে পঞ্জরাস্থি সম্মুখ এবং ওপর দিকে প্রসারিত হয়। তাই বক্ষগহ্বর ঊর্ধ্ব, নিম্ন এবং পাশের দিকে বেড়ে যায় ।


প্রশ্ন:৮
বায়ুধারকত্ব কাকে বলে ? কোন্ কোন্ রােগে বায়ুধারকত্ব হ্রাস পায় ?

উত্তর: 
সর্বোচ্চ প্রশ্বাস ক্রিয়ার পর যে পরিমাণ বায়ু বলপূর্বক নিশ্বাসের দ্বারা ফুসফুস থেকে বের করে দেওয়া সম্ভব হয়, তাকে ফুসফুসের বায়ুধারকত্ব বলা হয়। হৃদরােগ, নিউমােনিয়া, যক্ষ্মা, ফুসফুসীয় রক্তাধিক্য, অক্ষিগােলক বহিঃস্ফীতি, গলগণ্ড প্রভৃতি রােগে বায়ুধারকত্ব হ্রাস পায়।


প্রশ্ন:৯
শারীরবৃত্তীয় নিষ্ক্রিয় স্থান কী ?

উত্তর: 
স্বাভাবিক অবস্থায় ফুসফুসের শীর্ষ বায়ুথলিগুলি বায়ু দ্বারা পূর্ণ হয়। কিন্তু তাদের রক্ত সরবরাহ কম থাকায় অধিকাংশ বায়ু রক্তে প্রবেশ করতে পারে না, অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় থেকে যায়। উপরােক্ত বায়ুথলিগুলি শারীরবৃত্তীয় নিষ্ক্রিয় স্থান গঠন করে।


প্রশ্ন:১০
বায়ুথলীয় বায়ু বলতে কী বােঝায় ? বায়ুথলীয় বায়ুর উপাদান লেখাে।

উত্তর: 
বায়ুথলীয় বায়ু বলতে বােঝায় যে পরিমাণ বায়ু ফুসফুসের শ্বসন অংশে অবস্থান করে এবং ফুসফুসস্থিত রক্তজালকের সঙ্গে গ্যাসীয় আদানপ্রদানে অংশগ্রহণ করে। বায়ুথলীয় বায়ুতে O2, CO2, N2 ও জলীয় বাষ্প থাকে যথাক্রমে শতকরা 14.2, 5.5, 80.3 এবং 6.2 ভাগ।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

মহীখাত

মহীখাত        জে.হল, জে.ডি.ডানা ও কোবার প্রথম মহীখাত বা Geosyncline ধারণার অবতারণা করেন। তাঁদের মতে, পৃথিবীর আদি ভূভাগ দ্বারা বেষ্টিত ভূপৃষ্ঠের সংকীর্ণ, অবনমিত ও অগভীর সমুদ্রখাত হল মহীখাত। অর্থাৎ, ভূতাত্ত্বিকদের মতে, এখন যেসব জায়গায় ভঙ্গিল পর্বতগুলো অবস্থান করছে, অতি প্রাচীনকালে সেখানে ছিল বিস্তীর্ণ অবনত অঞ্চল— ভূতাত্ত্বিকগণের ভাষায় যার নাম মহীখাত বা অগভীর সমুদ্র।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

হিমদ্রোণি বা হিমখাত (Glacial trough) বা ‘U’ আকৃতির উপত্যকা

হিমদ্রোণি বা হিমখাত (Glacial trough) বা ‘U’ আকৃতির উপত্যকা               উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হওয়া অন্যতম এক ভূমিরূপ হল হিমদ্রোণী। হিমবাহ যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয় যেখানে হিমবাহের পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয় সমানভাবে হওয়ার ফলে পার্বত্য উপত্যকাটির আকৃতি ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়ে যায়, একে ‘U’ আকৃতির উপত্যকা বা হিমদ্রোণী বলে।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

আয়নবায়ু ও পশ্চিমাবায়ুর পার্থক্য

  আয়নবায়ু ও পশ্চিমাবায়ুর পার্থক্য Sl. No. আয়নবায়ু পশ্চিমাবায়ু 1 আয়নবায়ুর প্রভাবে যতটুকু বৃষ্টিপাত হয় তা মহাদেশের পূর্বভাগে সীমাবদ্ধ থাকায় এই বায়ুর গতিপথে মহাদেশের পশ্চিমভাগে বড়ো বড়ো ক্রান্তীয় মরুভূমির সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে মহাদেশের পশ্চিমভাগে প্রবল, বৃষ্টিপাত হয় এবং পূর্বভাগে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশ কমে যায়। তাই পশ্চিমাবায়ুর গতিপথে মহাদেশের পূর্বভাগে নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমির সৃষ্টি হয়েছে। 2 এটি উষ্ণ মণ্ডলের নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। এটি নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। 3 আয়নবায়ু উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। পশ্চিমাবায়ু উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। 4 আয়নবায়ুর প্রভাবে খুব কম বৃষ্টিপাত হয...

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

জুগ্যান বা জুইগেন

জুইগেন                  কখনো কখনো দেখা যায় যে, কোনো কোনো শিলাস্তূপের কঠিন ও কোমল শিলাস্তরগুলো ওপর-নিচে পরস্পরের সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। প্রচণ্ড সূর্যতাপে এইসব উচ্চভূমিতে ফাটল সৃষ্টি হলে বায়ুর অবঘর্ষণের ফলে কঠিন শিলাস্তরগুলো অতি অল্প ক্ষয় পেয়ে টিলার মতো দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোমল শিলাস্তরগুলো বেশি ক্ষয় পেয়ে ফাটল বরাবর লম্বা খাত বা গহ্বরের সৃষ্টি করে। এই রকম দুটো খাতের মধ্যে চ্যাপ্টা মাথা টিলার মতো যে ভূমিরূপের সৃষ্টি হয় তাকে জুগ্যান বা জুইগেন বলে।