Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-৪৬

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
দেহের বিভিন্ন চেষ্টীয় কাজ এবং ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে লঘুমস্তিষ্কের গুরুত্ব উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
দেহের বিভিন্ন চেষ্টীয় কাজ এবং ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে লঘুমস্তিষ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্বাভাবিক চেষ্টীয় কাজের নিয়ন্ত্রণে সেরিব্রাল কর্টেক্সের সঙ্গে লঘুমস্তিষ্ক অংশগ্রহণ করে। লঘুমস্তিষ্ক মূলত চেষ্টীয় কাজের সময় নির্ধারণ করে এবং এটি ব্যক্তিকে মসৃণভাবে এক ধরনের গমন থেকে অন্য ধরনের গমনে যেতে সাহায্য করে। লঘুমস্তিস্ক পেশি সঞ্চালনের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণ করে এবং দ্রুত পেশি সঞ্চালনজনিত কাজ, যেমন— দৌড়ােনাে, টাইপ করা, পিয়ানাে বাজানাে ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে। দেহভঙ্গি এবং ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ— লঘুমস্তিষ্কের ফ্লোকুলোনােডুলার লােব অন্তঃকর্ণের ভেস্টিবিউলার যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত থেকে দেহভঙ্গি ও ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। ফ্লোকুলোনােডুলার লােব মূলত ঋজুভাবে দণ্ডায়মান থাকা নিয়ন্ত্রণ করে এবং এই লােবে ক্ষত সৃষ্টি হলে ঋজুভাবে দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব হয় না। তা ছাড়া ফ্লোকুলোনােডুলার লােককে বিনষ্ট করলে দেহের ভারসাম্য ব্যাহত হয়। যদিও ঐচ্ছিক চলাফেরার কোনাে প্রকার অস্বাভাবিকতা লক্ষ করা যায় না।


প্রশ্ন:২
সুষুম্নাকাণ্ডের আবরণ গঠনকারী তিনটি পর্দা (মেনিনজেস) কী কী?

উত্তর: 
(i) ডুরা ম্যাটার (Dura matter)—এটি সর্ববহিস্থ দৃঢ় পর্দা যা কশেরুকার সঙ্গে সংলগ্ন অবস্থায় থাকে।
(ii) অ্যারানয়েড ম্যাটার (Arachnoid matter)—এই পর্দা ডুরা ম্যাটার ও পায়া ম্যাটার-এর মাঝখানে থাকে।
(iii) পায়া ম্যাটার (Pia matter)—এটি সবচেয়ে ভিতরের পর্দা এবং স্নায়ুকলাকে ঘিরে অবস্থান করে।


প্রশ্ন:৩
সেরিব্রাল কর্টেক্সকে শর্তাধীন প্রতিবর্ত ক্রিয়ার স্থান বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
সেরিব্রাল কর্টেক্স বিভিন্ন অধঃকর্টিক্যাল (subcortical) কেন্দ্রের সঙ্গে নতুন সংযােগস্থাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন শর্তাধীন প্রতিবর্ত ক্রিয়া গঠন করে। যেমন—শর্তাধীন লালারস ক্ষরণ প্রতিবর্ত ক্রিয়াটি কর্টেক্সের স্বাদকেন্দ্র ও শ্রবণকেন্দ্র এবং অধঃকর্টিক্যাল কেন্দ্র মিলিতভাবে গঠন করে থাকে।


প্রশ্ন:৪
উচ্চতর মস্তিষ্ক স্তর হিসেবে গুরুমস্তিষ্কের গুরুত্ব লেখাে।

উত্তর: 
গুরুমস্তিষ্ক মস্তিস্কের সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গুরুমস্তিষ্ক প্রাত্যহিক বিভিন্ন অভিজ্ঞতার সংগ্রহশালা হিসেবে কাজ করে। অতীতের অভিজ্ঞতার অধিকাংশ স্মৃতিই এখানে সঞ্জিত হয়ে থাকে। তা ছাড়া চেষ্টীয় প্রতিক্রিয়ার বিভিন্ন খবরও এখানে সঞ্চিত থাকে। গুরুমস্তিস্কের সঙ্গে থ্যালামাস ও অন্যান্য নিম্নতর মস্তিস্ক স্তরের শারীরস্থানিক এবং কার্যকারী উভয় সম্পর্কই বিদ্যমান। গুরুমস্তিষ্কের প্রতিটি অঞ্চলের অনুরূপ অঞ্চল থ্যালামাসে আছে। তাই থ্যালামাসের খুব সামান্য অংশের সক্রিয়তা থেকে গুরুমস্তিষ্কের অনুরূপ ও বৃহৎ অঞ্চল সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ ছাড়া মধ্যমস্তিষ্কের কোনাে কোনাে অঞ্চলের সক্রিয়তা থেকে বিক্ষিপ্ত সংকেত গুরুমস্তিষ্কে প্রেরিত হয়; ফলে সমগ্র গুরুমস্তিষ্ক সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই প্রক্রিয়াকে জাগরণ প্রতিক্রিয়া (wakefullness) বলা হয়। অপরপক্ষে, যখন মধ্যমস্তিস্কের এই অঞ্চল নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে তখন থ্যালামাস এবং গুরুমস্তকীয় অঞ্চল নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে, একে নিদ্রা (sleep) বলা হয়।


প্রশ্ন:৫
মস্তিষ্কের কোন্ অংশকে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বলা হয় এবং কেন ?

উত্তর: 
হাইপোথ্যালামাসকে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বলা হয়। কারণ এটি স্বতন্ত্র ও পরাস্বতন্ত্র উভয় স্নায়ুতন্ত্রের ক্রিয়াকেই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। হাইপােথ্যালামাসের পশ্চাদদেশীয় নিউক্লিয়াসসমূহ প্রধানত স্বতন্ত্র স্নায়ুতন্ত্রের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। এই নিউক্লিয়াসগুলিকে উদ্দীপিত করলে রক্তচাপ, হৃৎস্পন্দন ও এপিনেফ্রিন ক্ষরণ বেড়ে যায়। তা ছাড়া রক্তবাহের সংকোচন ও তারারন্ধ্রের প্রসারণ হয় এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের বিচলন হ্রাস পায়। অপরপক্ষে, হাইপােথ্যালামাসের সম্মুখদেশীয় নিউক্লিয়াসসমূহ পরস্বতন্ত্র স্নায়ুতন্ত্রের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এসব স্নায়ুকেন্দ্রে উদ্দীপনা প্রয়ােগ করলে তারারন্ধ্রের সংকোচন, রক্তচাপ হ্রাস, হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন হারের হ্রাস ইত্যাদি প্রকাশ পায়।


প্রশ্ন:৬
স্নায়ুতন্ত্রের সংজ্ঞাবহ বিভাগের কার্যকারিতা লেখো।

উত্তর: 
দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয়স্থানের দ্বারা সংগৃহীত সংজ্ঞাবহ অভিজ্ঞতা বা সংবাদ সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে নতুবা মস্তিস্কে সঞ্চিত থেকে ভবিষ্যতে দেহের প্রতিক্রিয়া কী হওয়া উচিত তা নির্ধারিত হতে সহায়তা করে। দেহের উপরিতলীয় ও গভীরের গ্রাহক থেকে সংজ্ঞাবহ অভিজ্ঞতা বা সংবাদ সুষুম্না স্নায়ুর মাধ্যমে স্নায়ুতন্ত্রে প্রবেশ করে এবং সুষুম্নাকাণ্ডের সর্বস্তরে, মেডালা, পনস্ ও মধ্যমস্তিস্কের জালক পদার্থে, লঘুমস্তিস্কে , থ্যালামাসে এবং গুরুমস্তিষ্কের দেহগত অঞ্চলে প্রেরিত হয়। উদ্দীপনা এরপর মস্তিস্কের প্রায় সব অঞ্চলেই ছড়িয়ে পড়ে।


প্রশ্ন:৭
থ্যালামাসকে রিলেকেন্দ্র (relay station) বলার কারণ কী ?

উত্তর: 
ঘ্রাণপ্রবাহ ছাড়া সবরকম সংজ্ঞাবহ স্নায়ুপ্রবাহ থ্যালামাসের মধ্য দিয়ে গুরুমস্তিষ্কে প্রবেশ করে। তাই থ্যালামাস গুরুমস্তিষ্কের প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। তাপ, চাপ, স্পর্শ, টান, কম্পন প্রভৃতি উদ্দীপনা পরিবহণকারী ঊর্ধ্বগামী স্নায়ুপথসমূহ মধ্যম সুষুম্নাগত ও ট্রাইজেমিনাল লেমনিসকাসের মাধ্যমে থ্যালামাসে প্রবেশ করে এবং থ্যালামাসের স্নায়ুকেন্দ্রে স্নায়ুসন্নিধি গঠন করে। থ্যালামাস থেকে উৎপন্ন তৃতীয় পর্যায়ের স্নায়ুতন্তু এরপর স্নায়ুপ্রবাহকে গুরুমস্তিষ্কের সংজ্ঞাবহ অঞ্চল এবং ফ্রন্টাল লােবে প্রেরণ করে। লঘুমস্তিষ্ক থেকে আগত স্নায়ুপ্রবাহকেও থ্যালামাস ফ্রন্টাল লােবের ৪ নং ও 6 নং অঞ্চলে প্রেরণ করে। তা ছাড়া থ্যালামাস গুরুমস্তিষ্কের কোনাে কোনাে অঞ্চল থেকে আগত স্নায়ুতন্ত্রের প্রেরক স্থান হিসেবেও কাজ করে।


প্রশ্ন:৮
সুষুম্নাকাণ্ডের কাজ কী ?

উত্তর: 
(i) প্রতিবর্ত ক্রিয়ার স্নায়ুকেন্দ্র—সুষুন্নকাণ্ড দেহের বিভিন্ন প্রতিবর্ত ক্রিয়ার স্নায়ুকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
(ii) সংযােজী অঙ্গ—সুষুম্নাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন অন্তর্বাহী ও বহির্বাহী স্নায়ুপথ প্রবাহিত হওয়ায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও মস্তিষ্কের মধ্যে সংযােগস্থাপন করে।
(iii) স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের কেন্দ্র—স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের স্বতন্ত্র স্নায়ুগুলি সুষুম্নাকাণ্ডের বক্ষ ও লাম্বার অঞ্চল থেকে এবং পরাস্বতন্ত্র স্নায়ুর কটিস্নায়ুগুলি এর কটি অঞ্চল থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই সুষুম্নাকাণ্ডের এই অঞ্চলগুলি স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
(iv) অন্যান্য কাজ—সুষুম্নাকাণ্ড পেশিটান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেহভঙ্গি বজায় রাখে। তা ছাড়া রক্তবাহের ব্যাস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তা ছাড়া দেহউষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে অংশগ্রহণ করে।


প্রশ্ন:৯
সুষুম্নাকান্ড কাকে বলে ?

উত্তর: 
মেরুদণ্ডের গহ্বরে ফোরামেন ম্যাগনাম থেকে শুরু করে মেরুদণ্ডের প্রথম ও দ্বিতীয় কটিদেশীয় কশেরুকা পর্যন্ত বিস্তৃত ফাঁপা গােলাকার রজ্জুর মতাে সরু স্নায়ুস্তম্ভকে সুষুম্নাকাণ্ড বলে।


প্রশ্ন:১০
হাইপােথ্যালামাস কীভাবে দেহের জলসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে ?

উত্তর: 
হাইপােথ্যালামাস দু-ভাবে দেহের জলসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে—
(i) হাইপােথ্যালামাস তৃষ্ণা অনুভূতি সৃষ্টি করে। এর ফলে প্রাণী অথবা ব্যক্তি জলপান করে। 
(ii) হাইপােথ্যালামাস মূত্রের মাধ্যমে জলের রেচন নিয়ন্ত্রণ করে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, হাইপােথ্যালামাসের সুপ্রা-অপটিক নিউক্লিয়াস দেহতরলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেলে উদ্দীপিত হয়। এই উদ্দীপনা হাইপােথ্যালামাসের নিউরােহাইপােফাইসিয়াল স্নায়ুপথে বাহিত হয়ে পিটুইটারির পশ্চাখণ্ডে পৌঁছোলে সেখান থেকে অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমােন (ADH) ক্ষরিত হয়। ADH বৃক্কের সংগ্রাহী নালির মাধ্যমে জলের পুনঃশােষণ ঘটিয়ে মূত্রের মাধ্যমে জলের রেচন হ্রাস করে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...