Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-১৮

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
ব্লাড ব্যাংকে রক্ত সংরক্ষণে সােডিয়াম সাইট্রেটের ব্যবহার অধিকতর শ্রেয় কেন ?

উত্তর: 
এর কারণ সােডিয়াম সাইট্রেট সহজেই দেহের কোশ বা কলাতে বিপাকিত (metabolized) হয়, ফলে কোনাে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না।


প্রশ্ন:২
প্রদাহজনিত শােথ বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
দেহের কোনাে অংশের প্রদাহজনিত অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া, অধিবিষ বা অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ রক্তজালকের প্রাচীরে ক্ষতি করে, এর ফলে রক্তজালকের ভেদ্যতা বৃদ্ধি পায় এবং অধিক পরিমাণে কলারস সৃষ্টি হয়।


প্রশ্ন:৩
কলারসের কাজ কী ?

উত্তর: 
কলারসের কাজ—
(i) কলারস কলাকোশগুলিকে অক্সিজেন ও পুষ্টিদ্রব্য সরবরাহ করে এবং কোশের বিপাক ক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলি অপসারণ করে। 
(ii) কলারস দেহে জল, লবণ ও বিভিন্ন পুষ্টিদ্রব্যর সঞ্চয় ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে। 
(iii) কলারস রক্তের আয়তন সঠিক মাত্রায় বজায় রাখে।


প্রশ্ন:৪
লােহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যা বা নরমাল কাউন্ট উল্লেখ করো।

উত্তর: 
একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের রক্তে প্রতি ঘন মিলিমিটার (mm) বা মাইক্রোলিটারে (μL) গড়ে 5 মিলিয়ন বা 50 লক্ষ লােহিত রক্তকণিকা থাকে (স্ত্রীলােকদের ক্ষেত্রে 4.5 মিলিয়ন বা 45 লক্ষ)।


প্রশ্ন:৫
ব্লাড ব্যাংকে কীভাবে রক্ত সংরক্ষণ করা হয় ?

উত্তর: 
ব্লাড ব্যাংকে সমগ্র রক্ত রক্ততঞ্জনরােধক পদার্থ (সাধারণত সােডিয়াম সাইট্রেট) সহযােগে ডেক্সট্রোজ দ্রবণে +4°C উষ্ণতায় সংরক্ষণ করা হয়। এইভাবে কয়েক সপ্তাহ রক্তের স্বাভাবিক ধর্ম বজায় রাখা সম্ভব হয়। সংরক্ষিত রক্তের লােহিতকণিকা স্বাভাবিক লােহিতকণিকার মতােই ধ্বংস হয়ে যায়। তাই অনেকদিনের পুরােনাে সংরক্ষিত রক্তে লােহিতকণিকার সংখ্যা খুবই কম থাকে। সমগ্র রক্ত ব্যতীত প্লাজমা কিংবা সিরাম এবং রক্তকোশগুলিকে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা যায়। হিমায়িত পৃথক প্লাজমা -20°C উষ্ণতায় কয়েক বছর সংরক্ষণ করা যায়।


প্রশ্ন:৬
হিমােগ্লোবিনের যৌগ ও লব্ধ পদার্থগুলি কী ?

উত্তর: 
(i) হিমােগ্লোবিন যৌগ পদার্থ—অক্সি-হিমােগ্লোবিন, কার্বক্সি-হিমােগ্লোবিন, সালফা-হিমােগ্লোবিন ইত্যাদি।
(ii) লব্ধ পদার্থ—হেমিন, হিম, হিমাটিন, হিমােসিডারিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৭
অসংগত রক্ত সঞ্চালনের বিপত্তি কী ?

উত্তর: 
অসংগত রক্ত সঞ্চালনে গ্রহীতার দেহে দাতার রক্তের লােহিতকণিকাগুলি বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়; এর ফলে লােহিতকণিকা থেকে নির্গত হিমােগ্লোবিন অধিক পিত্তরঞ্জক (bile pigments) সৃষ্টি করে যার ফলে–
(i) জন্ডিসের প্রাদুর্ভাব ঘটে, 
(ii) মূত্রের সঙ্গে হিমােগ্লোবিন নির্গত হয় এবং 
(iii) বৃক্কের ক্রিয়া বিনষ্ট হয়।


প্রশ্ন:৮
লসিকার প্রতিরক্ষামূলক কাজটি কী ?

উত্তর: 
দেহে ব্যাকটেরিয়া, বিজাতীয় প্রােটিন বা অন্য কোনাে রোগজীবাণু প্রবেশ করলে লসিকা তাদের কলাস্থান থেকে অপসারিত করে লসিকাপর্বে (lymph node) প্রেরণ করে এবং লসিকাস্থিত লিম্ফোসাইট ও মনােসাইট-এর সাহায্যে ধ্বংস করে। তা ছাড়া লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে দেহে রােগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি গড়ে তোলে।


প্রশ্ন:৯
শােথ বা ইডিমা কাকে বলে ?

উত্তর: 
কলাস্থানে অধিক পরিমাণে তরল পদার্থ সঞ্চিত হলে স্থানটি ফুলে ওঠে, এই অবস্থাকে বলা হয় শােথ বা ইডিমা।


প্রশ্ন:১০
কলারস কী ?

উত্তর: 
রক্তজালকের ভেদ্যপ্রাচীরের মধ্য দিয়ে প্লাজমা থেকে কিছু জল ও প্রােটিন বেরিয়ে এসে কলারস সৃষ্টি করে যা কলাকোশগুলিকে স্নাত করে। তাই কলারস প্লাজমার অনুরূপ তরল বিশেষ, তবে কলারসে প্লাজমার তুলনায় প্রােটিন অনেক কম থাকে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো। ১. ইতিহাসের উপাদান             ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক বিবরণ। কিন্তু এই বিবরণ কল্পনাপ্রসূত নয়; এটি নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ওপর। যে সমস্ত উৎস, সাক্ষ্য বা প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিকরা অতীত দিনের ঘটনাবলী পুনর্গঠন করেন, তাকেই 'ইতিহাসের উপাদান' (Sources of History) বলা হয়। উপাদান ছাড়া ইতিহাস রচনা করা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার শামিল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বা আর. সি. মজুমদার সকলেই একমত যে, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের ক্ষেত্রে উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ইতিহাসের উপাদানের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Historical Sources)           ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—  (ক) সাহিত্যিক উপাদান এবং  (খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান।  তবে আধুনিক যুগে এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো: ক) সাহিত্যিক উপাদান (Literary Sources):...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]Environmental Science।।পরিবেশ ও উন্নয়ন।।সেট-৪

পরিবেশ ও উন্নয়ন 🟌 🟌 🟌 প্রশ্ন:১ ধূমপান বিরােধী দিবস পালন করা হয়— (a) 31 শে মে (b) 28 শে ফেব্রুয়ারি (c) 16 ই জুন