Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক

WBSSC WBPSC WBPRB WBPRB

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন(The Evolution of Indian Civilization)

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-১৮

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
ব্লাড ব্যাংকে রক্ত সংরক্ষণে সােডিয়াম সাইট্রেটের ব্যবহার অধিকতর শ্রেয় কেন ?

উত্তর: 
এর কারণ সােডিয়াম সাইট্রেট সহজেই দেহের কোশ বা কলাতে বিপাকিত (metabolized) হয়, ফলে কোনাে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না।


প্রশ্ন:২
প্রদাহজনিত শােথ বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
দেহের কোনাে অংশের প্রদাহজনিত অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া, অধিবিষ বা অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ রক্তজালকের প্রাচীরে ক্ষতি করে, এর ফলে রক্তজালকের ভেদ্যতা বৃদ্ধি পায় এবং অধিক পরিমাণে কলারস সৃষ্টি হয়।


প্রশ্ন:৩
কলারসের কাজ কী ?

উত্তর: 
কলারসের কাজ—
(i) কলারস কলাকোশগুলিকে অক্সিজেন ও পুষ্টিদ্রব্য সরবরাহ করে এবং কোশের বিপাক ক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলি অপসারণ করে। 
(ii) কলারস দেহে জল, লবণ ও বিভিন্ন পুষ্টিদ্রব্যর সঞ্চয় ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে। 
(iii) কলারস রক্তের আয়তন সঠিক মাত্রায় বজায় রাখে।


প্রশ্ন:৪
লােহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যা বা নরমাল কাউন্ট উল্লেখ করো।

উত্তর: 
একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের রক্তে প্রতি ঘন মিলিমিটার (mm) বা মাইক্রোলিটারে (μL) গড়ে 5 মিলিয়ন বা 50 লক্ষ লােহিত রক্তকণিকা থাকে (স্ত্রীলােকদের ক্ষেত্রে 4.5 মিলিয়ন বা 45 লক্ষ)।


প্রশ্ন:৫
ব্লাড ব্যাংকে কীভাবে রক্ত সংরক্ষণ করা হয় ?

উত্তর: 
ব্লাড ব্যাংকে সমগ্র রক্ত রক্ততঞ্জনরােধক পদার্থ (সাধারণত সােডিয়াম সাইট্রেট) সহযােগে ডেক্সট্রোজ দ্রবণে +4°C উষ্ণতায় সংরক্ষণ করা হয়। এইভাবে কয়েক সপ্তাহ রক্তের স্বাভাবিক ধর্ম বজায় রাখা সম্ভব হয়। সংরক্ষিত রক্তের লােহিতকণিকা স্বাভাবিক লােহিতকণিকার মতােই ধ্বংস হয়ে যায়। তাই অনেকদিনের পুরােনাে সংরক্ষিত রক্তে লােহিতকণিকার সংখ্যা খুবই কম থাকে। সমগ্র রক্ত ব্যতীত প্লাজমা কিংবা সিরাম এবং রক্তকোশগুলিকে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা যায়। হিমায়িত পৃথক প্লাজমা -20°C উষ্ণতায় কয়েক বছর সংরক্ষণ করা যায়।


প্রশ্ন:৬
হিমােগ্লোবিনের যৌগ ও লব্ধ পদার্থগুলি কী ?

উত্তর: 
(i) হিমােগ্লোবিন যৌগ পদার্থ—অক্সি-হিমােগ্লোবিন, কার্বক্সি-হিমােগ্লোবিন, সালফা-হিমােগ্লোবিন ইত্যাদি।
(ii) লব্ধ পদার্থ—হেমিন, হিম, হিমাটিন, হিমােসিডারিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৭
অসংগত রক্ত সঞ্চালনের বিপত্তি কী ?

উত্তর: 
অসংগত রক্ত সঞ্চালনে গ্রহীতার দেহে দাতার রক্তের লােহিতকণিকাগুলি বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়; এর ফলে লােহিতকণিকা থেকে নির্গত হিমােগ্লোবিন অধিক পিত্তরঞ্জক (bile pigments) সৃষ্টি করে যার ফলে–
(i) জন্ডিসের প্রাদুর্ভাব ঘটে, 
(ii) মূত্রের সঙ্গে হিমােগ্লোবিন নির্গত হয় এবং 
(iii) বৃক্কের ক্রিয়া বিনষ্ট হয়।


প্রশ্ন:৮
লসিকার প্রতিরক্ষামূলক কাজটি কী ?

উত্তর: 
দেহে ব্যাকটেরিয়া, বিজাতীয় প্রােটিন বা অন্য কোনাে রোগজীবাণু প্রবেশ করলে লসিকা তাদের কলাস্থান থেকে অপসারিত করে লসিকাপর্বে (lymph node) প্রেরণ করে এবং লসিকাস্থিত লিম্ফোসাইট ও মনােসাইট-এর সাহায্যে ধ্বংস করে। তা ছাড়া লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে দেহে রােগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি গড়ে তোলে।


প্রশ্ন:৯
শােথ বা ইডিমা কাকে বলে ?

উত্তর: 
কলাস্থানে অধিক পরিমাণে তরল পদার্থ সঞ্চিত হলে স্থানটি ফুলে ওঠে, এই অবস্থাকে বলা হয় শােথ বা ইডিমা।


প্রশ্ন:১০
কলারস কী ?

উত্তর: 
রক্তজালকের ভেদ্যপ্রাচীরের মধ্য দিয়ে প্লাজমা থেকে কিছু জল ও প্রােটিন বেরিয়ে এসে কলারস সৃষ্টি করে যা কলাকোশগুলিকে স্নাত করে। তাই কলারস প্লাজমার অনুরূপ তরল বিশেষ, তবে কলারসে প্লাজমার তুলনায় প্রােটিন অনেক কম থাকে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য

  স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য Sl. No. স্থলবায়ু সমুদ্রবায়ু 1 স্থলবায়ু মূলত শীতল ও শুষ্ক প্রকৃতির হয়। সমুদ্রবায়ু মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির হয়। 2 স্থলবায়ু প্রধানত রাত্রিবেলায় প্রবাহিত হয়। সমুদ্রবায়ু প্রধানত দিনেরবেলায় প্রবাহিত হয়। 3 সূর্যাস্তের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুর প্রবাহ শুরু হয় ও রাত্রির শেষদিকে বায়ুপ্রবাহের বেগ বৃদ্ধি পায়। সূর্যোদয়ের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুরপ্রবাহ শুরু হয় ও অপরাহ্নে বায়ুপ্রবাহে বেগ বৃদ্ধি পায়। 4 স্থলবায়ু উচ্চচাযুক্ত স্থলভাগ থেকে নিম্নচাপযুক্ত জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে স্থলবায়ুকে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। সমুদ্রবায়ু উচ্চচাপযুক্ত সমুদ্র থেকে নিম্নচাপযুক্ত স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে সমুদ্রবায়ুকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। 5 স্থলভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবার দরুন বেগ তুলনামূলক কম হয়ে থাকে। উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে দীর্ঘপথ প্রবাহিত হ...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

বার্খান

বার্খান             বায়ুর সঞ্চয়কাজের ফলে যেসব ভূমিরূপ গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে বালিয়াড়ি বিশেষ উল্লেখযোগ্য।বালিয়াড়ির অন্যতম একটি বিশেষ শ্রেণি হল বাৰ্খান বা তির্যক বালিয়াড়ি। ‘বাৰ্খান’একটি তুর্কি শব্দ, এর অর্থ হল ‘কিরঘিজ স্টেপস্’ অঞ্চলের বালিয়াড়ি। উষ্ণ মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের পথে আড়াআড়িভাবে গঠিত বালির স্তূপ বা বালিয়াড়িকে বাৰ্খান বলা হয়।