Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জীবের জনন, সেট-১০

জীবের জনন


প্রশ্ন:১
করপাস লিউটিয়াম কী ? এর কাজ কী ?

উত্তর: 
পরিণত ডিম্বথলি থেকে ডিম্বাণু নির্গত হয়ে গেলে ডিম্বথলিটি পীতাভ কোশ দিয়ে পূর্ণ হয়ে যে গ্রন্থি সৃষ্টি করে তাকে করপাস লিউটিয়াম বলে।
করপাস লিউটিয়াম প্রােজেস্টেরন ও রিলাক্সিন হরমােন নিঃসরণ।


প্রশ্ন:২
করােনা রেডিয়েটা কী ?

উত্তর: 
করােনা রেডিয়েটা–গৌণ পরডিম্বাণুর চারপাশে যে গ্র্যানুলােসা কোশ যুক্ত থাকে তাকে করােনা রেডিয়েটা বলে, যা জোনা পেলিউসিডার বাইরের স্তর।


প্রশ্ন:৩
ওভিউলেশন কাকে বলে ? কোন্ হরমােনের প্রভাবে এই প্রক্রিয়াটি ঘটে ?
উত্তর: 
পরিণত গ্রাফিয়ান ফলিকল বিদীর্ণ হয়ে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুর বের হওয়াকে ডিম্বক নিঃসরণ বা ওভিউলেশন বলে।
LH হরমােন এই প্রক্রিয়াটিকে নিয়ন্ত্রণ করে।


প্রশ্ন:৪
নিষেক কী ? মানুষের নিষেক কোথায় ও কখন হয়?

উত্তর: 
পুংগ্যামেট ও স্ত্রীগ্যামেটের মিলনকে নিষেক বলে। মানুষের নিষেক স্ত্রীদেহে ফ্যালােপিয়ান নালির ঊর্ধ্বাংশে অর্থাৎ অ্যম্পুলাতে সম্পন্ন হয়।


প্রশ্ন:৫
গ্রাফিয়ান ফলিকল বা ডিম্বথলি কাকে বলে ?

উত্তর: 
ডিম্বাশয়ে প্রজনন কলা থেকে উৎপন্ন হয়ে স্ট্রোমার মধ্যে অবস্থানকারী যে থলির মতাে অংশে ডিম্বাণু সৃষ্টি হয় এবং ডিম্বাণু অবস্থান করে তাদের গ্রাফিয়ান ফলিকল বা ডিম্বথলি বলে।


প্রশ্ন:৬
প্রােনিউক্লিয়াস কী ?

উত্তর: 
নিষেকের পূর্বে ডিম্বাণুর ঊপ্লাজমে প্রবেশের পর শুক্রাণুর স্ফীত মস্তক এবং দ্বিতীয় মেরুডিম্ব নিক্ষেপের পর পরিণত ডিম্বাণু যে দুটি নিউক্লিয়দেহে পরিণত হয় তাদের প্রত্যেকটিকে প্রােনিউক্লিয়াস বলে। প্রানিউক্লিয়াস দু-রকমের। যথা–পুংপ্রােনিউক্লিয়াস ও স্ত্রীপ্রােনিউক্লিয়াস।


প্রশ্ন:৭
ভাইটেলাইন পর্দা, জোনা পেলুসিডা কী ?

উত্তর: 
ভাইটেলাইন পর্দা–ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজমকে বেষ্টন করে থাকা পর্দা।
জোনা পেলুসিডা–পরিণত ডিম্বাণুর ভাইটেলাইন পর্দাকে বেষ্টন করে অবস্থিত অপেক্ষাকৃত পুরু আবরণ।


প্রশ্ন:৮
ডিম্বথলি কত প্রকারের ও কী কী?

উত্তর: 
ডিম্বথলি দু-প্রকারের, যথা—
(i) আদি ডিম্বথলি এবং 
(ii) পরিণত ডিম্বথলি বা বিদীর্ণ ডিম্বথলি। 
উল্লেখ্য, আদি ডিম্বথলি ডিম্বাণুবিহীন এবং পরিণত ডিম্বথলি ডিম্বাণুযুক্ত।


প্রশ্ন:৯
গাইনিকোমাসটিয়া কাকে বলে ?

উত্তর: 
পুরুষদের বুকের স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধিকে গাইনিকোমাসটিয়া বলে। ইসট্রোজেন ক্ষরণকারী টিউমারের উপস্থিতির জন্য এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।


প্রশ্ন:১০
ঊজেনেসিস কাকে বলে ? কোন্ হরমােন এই প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে ?

উত্তর: 
যে প্রক্রিয়ায় ডিম্বাশয়ের ডিম্বাণু-মাতৃকোশ থেকে ডিম্বাণু সৃষ্টি হয় তাকে ঊজেনেসিস বলে।
GTH, FSH এবং LH হরমােন এই প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 23

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ মূল সংবিধানে আঞ্চলিক ভাষা হিসাবে কতগুলি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল—   উত্তরঃ  ১৪টি। প্রশ্নঃ ভারতের কোন রাজ্যের পৃথক সংবিধান আছে—   উত্তরঃ  জম্মু ও কাশ্মীর। (দ্রষ্টব্য: ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর এটি এখন আর প্রযোজ্য নয়) প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানের প্রথম সংশোধনীটি ছিল—   উত্তরঃ  ভূমি সংস্কার সংক্রান্ত।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 17

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্য আইন সভার সদস্যগণ জনস্বার্থে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে?    উত্তরঃ  মুলতুবি প্রস্তাবের মাধ্যমে। প্রশ্নঃ ২০০৫ সালে সংসদ কোন রাজ্য বিধান পরিষদ স্থাপনের জন্য বিল অনুমোদন করেছে?    উত্তরঃ  অন্ধ্রপ্রদেশ।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 22

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত সমিতির সংখ্যা কত—   উত্তরঃ  ৩৪১ জন। প্রশ্নঃ ব্লক স্তরে পঞ্চায়েতী রাজ প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়—   উত্তরঃ  পঞ্চায়েত সমিতি। প্রশ্নঃ সমাজ উন্নয়ন কর্মসূচী আরম্ভ হয়—  উত্তরঃ  ১৯৫২ সালে।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 16

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে লোকসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  লোকসভার অধ্যক্ষ কর্তৃক মনোনীত কোন সদস্য। প্রশ্নঃ বিধান পরিষদের মেয়াদ হল —  উত্তরঃ   অসীম (বা স্থায়ী কক্ষ)। প্রশ্নঃ প্রোটেম স্পিকারের কাজ হল—   উত্তরঃ  সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো এবং অধ্যক্ষ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করা।