Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-১০

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
মস্তিষ্ক মেরুরস-এর কার্যাবলি লেখাে।

উত্তর: 
মস্তিষ্ক মেরুরসের কার্যাবলি—
(a) কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সুরক্ষা—করােটি মধ্যস্থ চাপ বৃদ্ধি পেলে মস্তিষ্ক মেরুরস অপসারিত হয় এবং হ্রাস পেলে অধিক মস্তিষ্ক মেরুরস করােটিতে থেকে যায়। এইভাবে এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ভিতর ও বাইরে যান্ত্রিক চাপের সমতা বিধান করে। তা ছাড়া মস্তিষ্ক মেরুরস তার প্লবতা ধর্মের জন্য কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ভার বহনে অংশগ্রহণ করে এবং অভিকর্ষ ও অন্যান্য বলের বিরুদ্ধে মস্তিষ্কের ভরবেগকে হ্রাস করে মস্তিঙ্কে ক্ষত সৃষ্টিতে বাধাদান করে। 
(b) বিপাকজাত পদার্থের অপসারণ—কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে বিভিন্ন বিপাকজাত পদার্থকে অপসারিত করে। 


প্রশ্ন:২
একটি সরল প্রতিবর্ত পথের বিভিন্ন অংশগুলি কী কী ?

উত্তর: 
একটি সরল প্রতিবর্ত পথ পাঁচটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত—
(i) গ্রাহক, 
(ii) অন্তর্বাহী বা সংবেদী নিউরােন, 
(iii) স্নায়ুকেন্দ্র, 
(iv) বহির্বাহী নিউরােন বা চেষ্টীয় নিউরােন, 
(v) কারক অঙ্গ।


প্রশ্ন:৩
প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র কী কী অংশ নিয়ে গঠিত ?

উত্তর: 
মস্তিষ্ক থেকে উৎপন্ন 12 জোড়া করােটি স্নায়ু ও সুষুম্নাকাণ্ড থেকে উৎপন্ন 31 জোড়া সুষুম্না স্নায়ু এবং আন্তরযন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র বা স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র নিয়ে প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র গঠিত।


প্রশ্ন:৪
অ্যাকুইডাক্ট অব্ সিলভিয়াস কাকে বলে ?

উত্তর: 
মধ্যমস্তিষ্কের টেগমেনটাম অংশে যে ক্ষুদ্র স্নায়ুনালি মস্তিস্কের তৃতীয় গহ্বরকে চতুর্থ গহ্বরের সঙ্গে যুক্ত রাখে, তাকে অ্যাকুইডাক্ট অব্ সিলভিয়াস বলে।


প্রশ্ন:৫
স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য কী কী ?

উত্তর: 
(i) স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত, এটি মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড থেকে নির্গত স্নায়ুসমষ্টি এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের বাইরে অবস্থিত কতগুলি স্নায়ুগ্রন্থি দ্বারা গঠিত। 
(ii) এর সক্রিয়তা সাধারণত অচেতন এবং এটি ইচ্ছার অধীন নয়। 
(iii) এর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রধানত সমপার্শ্বীয়। 
(iv) এটি অনৈচ্ছিক হলেও সম্পূর্ণভাবে ঐচ্ছিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়।


প্রশ্ন:৬
EEG কাকে বলে ?

উত্তর: 
মস্তিষ্কের স্বতঃস্ফূর্ত তড়িৎ সক্রিয়তার লিপিকে EEG বা ইলেকট্রোএনসেফালােগ্রাম (electroencephalogram) বলে। গুরুমস্তিষ্কের স্নায়ুকোশে যে অবিরাম ছন্দবদ্ধ তড়িৎবিভবের পরিবর্তন হয়, তড়িদ্বারের সাহায্যে মস্তকের উপরিতল থেকে তাকে লিপিবদ্ধ করা হয়। গুরুমস্তিষ্কের এইরূপ লেখচিত্রকে EEG বলে।


প্রশ্ন:৭
প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ কী ?

উত্তর: 
প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র করােটি স্নায়ু ও সুষুম্না স্নায়ুর মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে অবস্থিত গ্রাহক বা কারক অঙ্গা বা প্রতিবেদন অঙ্গের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যােগসূত্র স্থাপন করে।


প্রশ্ন:৮
মস্তিষ্ক মেরুরস কী ?

উত্তর: 
মস্তিষ্ক প্রকোষ্ট , সুষুম্নাকাণ্ডের কেন্দ্রীয় নালি এবং সাব-অ্যারাকনয়েড স্থানের মধ্যে অবস্থিত একপ্রকার স্বচ্ছ, বর্ণহীন, পরিবর্তিত কলারসকে মস্তিষ্ক মেরুস বলে।


প্রশ্ন:৯
কোনাস মেডুলারিস ও ফাইলমি টারমিনেলি কাকে বলে ?

উত্তর: 
সুষুম্নাকাণ্ডের ক্রমশ সরু নিম্নভাগকে কোনাস মেডুলারিস বলে। ওই অংশ থেকে নির্গত সূক্ষ্ম তন্তুর মতাে মেনিনজেস অংশটিকে ফাইলাম টারমিনেলি বলে।


প্রশ্ন:১০
প্রতিবর্ত পথ বা রিফ্লেক্স আর্ক কী ?

উত্তর: 
প্রতিবর্ত ক্রিয়ায় গ্রাহক অঙ্গ থেকে স্নায়ু আবেগ স্নায়ুকেন্দ্রের মাধ্যমে কারক অঙ্গে যে পথে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয় প্রতিবর্ত পথ বা রিফ্লেক্স আর্ক (reflex arc)।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

হেটেরোস্ফিয়ার

হেটেরোস্ফিয়ার                      ‘হেটেরো’ শব্দের অর্থ ‘ বিষমবৈশিষ্ট্যপূর্ণ। বায়ুমণ্ডলের হোমোস্ফিয়ার স্তরের ওপরের অংশে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত এবং বায়ুমণ্ডলের স্তরগুলো একই রকম থাকে না বলে ভূপৃষ্ঠের ওপরে ৯০ কিলোমিটার থেকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে হেটেরোস্ফিয়ার বা বিষমমণ্ডল বলা হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য

  গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. গিরিখাত ক্যানিয়ন 1 গিরিখাত আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে বহু উপনদী গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। ফলে নদীখাত সামান্য প্রশস্ত হয়। ক্যানিয়ন শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে ক্যানিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সঙ্গে কোনো উপনদী মিলিত হয় না। ফলে নদীখাত একদম সংকীর্ণ হয়। 2 আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীতে গিরিখাতের সৃষ্টি হয়। শুষ্ক মরু ও মরুপ্রায় উচ্চভূমিতে প্রবাহিত নদীতে ক্যানিয়নের সৃষ্টি হয়। 3 গিরিখাত গঠনের সময় অধিক নিম্নক্ষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পার্শ্বক্ষয়ও হয়ে থাকে। ক্যানিয়ন গঠনের সময় পার্শ্বক্ষয় একদম হয় না শুধু নদীর নিম্নক্ষয়ই হয়ে থাকে। 4 গিরিখাতের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো। ক্যানিয়নের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘I’ অক্ষরের মতো। 5 যেহেতু আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে গিরিখাত সৃষ্টি হয়, সেহেতু বৃষ্টিপাতের জন্য নদীর দুই পাড়ের ক্ষয় সামা...

বার্খান

বার্খান             বায়ুর সঞ্চয়কাজের ফলে যেসব ভূমিরূপ গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে বালিয়াড়ি বিশেষ উল্লেখযোগ্য।বালিয়াড়ির অন্যতম একটি বিশেষ শ্রেণি হল বাৰ্খান বা তির্যক বালিয়াড়ি। ‘বাৰ্খান’একটি তুর্কি শব্দ, এর অর্থ হল ‘কিরঘিজ স্টেপস্’ অঞ্চলের বালিয়াড়ি। উষ্ণ মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের পথে আড়াআড়িভাবে গঠিত বালির স্তূপ বা বালিয়াড়িকে বাৰ্খান বলা হয়।

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

মহীখাত

মহীখাত        জে.হল, জে.ডি.ডানা ও কোবার প্রথম মহীখাত বা Geosyncline ধারণার অবতারণা করেন। তাঁদের মতে, পৃথিবীর আদি ভূভাগ দ্বারা বেষ্টিত ভূপৃষ্ঠের সংকীর্ণ, অবনমিত ও অগভীর সমুদ্রখাত হল মহীখাত। অর্থাৎ, ভূতাত্ত্বিকদের মতে, এখন যেসব জায়গায় ভঙ্গিল পর্বতগুলো অবস্থান করছে, অতি প্রাচীনকালে সেখানে ছিল বিস্তীর্ণ অবনত অঞ্চল— ভূতাত্ত্বিকগণের ভাষায় যার নাম মহীখাত বা অগভীর সমুদ্র।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

অবঘর্ষ

অবঘর্ষ            অবঘর্ষ হল এমন একটি ক্ষয়সাধনকারী প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ প্রভৃতি ক্ষয়কার্য করে থাকে।  (i) নদী দ্বারা সংঘটিত অবঘর্ষ—  এই প্রক্রিয়ায় উচ্চগতিতে নদীবাহিত প্রস্তরখণ্ডের সঙ্গে নদীখাতের ঘর্ষণের ফলে নদীখাত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং নদীখাতে ছোটোছোটো গর্তের (মন্থকূপ) সৃষ্টি হয়। নদীখাতের এইরূপ ক্ষয়কে অবঘর্ষ বলে।