Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-১৩

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
রক্তের শ্রেণি কীভাবে নির্ণয় করা হয় ?

উত্তর: 
রক্তকে প্রথমে 0.7 শতাংশ সােডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) দ্রবণে তরলীকৃত করে লােহিতকণিকার 5% অবলম্ব তৈরি করা হয়। এর এক ফোঁটা একটি স্লাইডে এবং আর এক ফোঁটা অন্য একটি স্লাইডে রেখে তার সঙ্গে যথাক্রমে অ্যান্টি-A ও অ্যান্টি-B সিরাম মেশানাে হয়। লােহিতকণিকা যদি শুধুমাত্র অ্যান্টি-A-এর সংস্পর্শে জমাট বাঁধে তবে তা ‘A’ শ্রেণির রক্ত। যদি শুধুমাত্র অ্যান্টি-B-এর সংস্পর্শে জমাট বাঁধে তবে তা ‘B’ শ্রেণির রক্ত। অ্যান্টি-A এবং অ্যান্টি-B উভয় সিরামের দ্বারা রক্তকণিকা জমাট বাঁধলে রক্তের শ্রেণি হবে ‘AB’। উভয় অ্যান্টি সিরামের দ্বারা রক্তকণিকা জমাট না বাঁধলে রক্তের শ্রেণি হবে ‘O’।


প্রশ্ন:২
এরিথ্রোব্লাস্টোসিস ফিটালিস কী ?

উত্তর: 
যদি Rh (–) মাতার দেহে Rh (+) ভ্রূণ সৃষ্টি হয় তবে ভ্রূণের দেহ থেকে Rh (+) অ্যাগ্লুটিনােজেন মাতার রক্তে প্রবেশ করে এবং Rh-বিরােধী পদার্থের গঠন উদ্দীপিত করে। এরপর মাতার দেহ থেকে Rh-বিরােধী পদার্থ ভ্রূণের রক্তে প্রবেশ করে এবং ভ্রূণের লােহিতকণিকাগুলিকে ধ্বংস করে। এর ফলে ভ্রূণের মৃত্যু হয় কিংবা যদিও জীবন্ত ভূমিষ্ঠ হয় মারাত্মক—রক্তাল্পতায় ভােগে। এই ধরনের রক্তাল্পতাকে বলা হয় এরিথ্রোব্লাস্টোসিস ফিটালিস।


প্রশ্ন:৩
বাফার কাকে বলে ?

উত্তর: 
দুর্বল অম্লের (অ্যাসিটিক অ্যাসিড) সঙ্গে তীব্র ক্ষারের (NaOH) বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ (সােডিয়াম অ্যাসিটেট) মিশ্রণকে বাফার বলে। 
রক্তের উল্লেখযােগ্য কয়েকটি বাফার হল—হিমােগ্লোবিন, NaH2PO4, Na2HPO4, কার্বনেট বাফার ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৪
Rh-উপাদানের গুরুত্ব কী ?

উত্তর: 
Rh-উপাদানের গুরুত্ব— Rh (+) রক্ত কোনাে Rh (–) ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করানো হলে 12 দিনের মাথায় গ্রহীতার রক্তে Rh-বিরােধী পদার্থের (Anti Rh-factor) সৃষ্টি হয়। তাই দ্বিতীয়বার পূর্বোক্ত ব্যক্তির দেহে Rh (+) রক্ত সঞ্চালন করলে গ্রহীতার দেহে দাতার রক্তের লােহিতকণিকাগুলি পুঞ্জীভূত হয়ে জমাট বাঁধে। তাই রক্ত । সঞ্চালনের পূর্বে Rh-উপাদানের সঠিক অস্তিত্ব নির্ণয় করা বাঞ্চনীয়। এই ধরনের জটিলতা এড়ানাের জন্য দাতা এবং গ্রহীতা উভয়ের রক্তই Rh (+) কিংবা Rh (–) হওয়া উচিত।


প্রশ্ন:৫
দাতা ও গ্রহীতার রক্তের শ্রেণি বিবেচনা না করে রক্ত সঞ্চালন করলে কী ঘটতে পারে ?

উত্তর: 
রক্ত সঞ্চালনের সময় দাতার লােহিতকণিকা ও গ্রহীতার প্লাজমা এবং গ্রহীতার লােহিতকণিকা ও দাতার প্লাজমার মধ্যে বিক্রিয়া বিবেচনা করা অবশ্যই প্রয়ােজন। এর কারণ আ্যাগ্লুটিনােজেন-A সমন্বিত লােহিতকণিকা আ্যাগ্লুটিনিন আলফা (α)-এর সংস্পর্শে এবং অ্যাগ্লুটিনােজেন-B যুক্ত লােহিতকণিকা β (বিটা) আ্যাগ্লুটিনিন-এর সংস্পর্শে পুঞ্জীভূত হয়ে যায়। এইজন্য দাতার রক্তের শ্রেণি ‘A’ এবং গ্রহীতার রক্তের শ্রেণি ‘B’ হলে গ্রহীতার দেহে দাতার লােহিতকণিকাগুলি পুঞ্জীভূত হয়ে যায়। এর ফলে গ্রহীতার মৃত্যুও হতে পারে। তবে দাতার প্লাজমা গ্রহীতার দেহে প্রচণ্ডভাবে লঘু হয়ে পড়ে, ফলে গ্রহীতার লােহিতকণিকাকে পুঞ্জীভূত করতে পারে না। অতএব, রক্ত সঞ্চালনের সময় দাতা ও গ্রহীতার রক্তের শ্রেণি বিবেচনা করা অবশ্যই প্রয়ােজন।


প্রশ্ন:৬
হিমােলাইসিস কী ?

উত্তর: 
লােহিত রক্তকণিকাকে লঘুসারক দ্রবণে রাখলে অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় লােহিত কণিকার মধ্যে জল প্রবেশ করে লােহিতকণিকাটি ফুলে-ফেঁপে ওঠে এবং বিদীর্ণ হয়ে হিমােগ্লোবিন বেরিয়ে আসে। লােহিতকণিকার এই অবস্থাকে হিমােলাইসিস বলে। সাপের বিষ, ব্যাকটেরিয়া নিঃসৃত রাসায়নিক পদার্থ হিমােলাইসিস ঘটায়। এ ছাড়া ত্রুটিপূর্ণ রক্ত সঞ্চালনের ফলে লােহিতকণিকার হিমােলাইসিস ঘটে।


প্রশ্ন:৭
পারপিউরা কী ?

উত্তর: 
রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত রক্তজালকের প্রাচীরের মেরামতি সঠিকভাবে হয় না। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত রক্তজালকের প্রাচীর ভেদ করে রক্ত বাইরে চলে আসে এবং চামড়া ও মিউকাস পর্দার নীচে বিভিন্ন স্থানে কতকগুলি রক্তবিন্দু দেখা যায়। সেগুলি পরে গাঢ় কালচে-লাল বর্ণ ধারণ করে। এই অবস্থাকে পারপিউরা বলে।


প্রশ্ন:৮
Rh-ফ্যাক্টর বা Rh-উপাদান কী ?

উত্তর: 
Rh-উপাদানটি ভারতীয় রেসাস (Rhesus) বানরের লােহিতকণিকার অ্যাগ্লুটিনােজেন। 1940 খ্রিস্টাব্দে মানুষের লােহিতকণিকায় এই উপাদানের অস্তিত্ব প্রথম ধরা পড়ে। ইংল্যান্ড, আমেরিকার সাদা চর্মবিশিষ্ট মানুষের শতকরা প্রায় 85 জন এবং ভারত ও শ্রীলঙ্কার মানুষের শতকরা প্রায় 95 জনের লােহিতকণিকায় এই জাতীয় অ্যাগ্লুটিনােজেন থাকে। Rh-অ্যাগ্লুটিনােজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে মানুষের রক্তকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা–(i) Rh-ধনাত্মক (Rh-positive) এবং (ii) Rh-ঋণাত্মক (Rh-negative)।


প্রশ্ন:৯
লিউকেমিয়া কী ?

উত্তর: 
রক্তে শ্বেতকণিকার সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়াকে লিউকেমিয়া বলে।


প্রশ্ন:১০
ডায়াপেডােসিস কী ?

উত্তর: 
দেহের কোনাে অংশে সংক্রমণ ঘটলে রক্তস্থিত নিউট্রোফিল ও মনােসাইট শ্বেতকণিকা রক্তজালকের প্রাচীর ভেদ করে সংক্রমণস্থলে এসে জড়াে হয় এবং ফ্যাগােসাইটোসিস পদ্ধতিতে রােগজীবাণু ধ্বংস করে। শ্বেতকণিকাদের রক্তজালকের প্রাচীর ভেদ করে বেরিয়ে আসাকে ডায়াপেডােসিস (Diapedosis) বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

মহীখাত

মহীখাত        জে.হল, জে.ডি.ডানা ও কোবার প্রথম মহীখাত বা Geosyncline ধারণার অবতারণা করেন। তাঁদের মতে, পৃথিবীর আদি ভূভাগ দ্বারা বেষ্টিত ভূপৃষ্ঠের সংকীর্ণ, অবনমিত ও অগভীর সমুদ্রখাত হল মহীখাত। অর্থাৎ, ভূতাত্ত্বিকদের মতে, এখন যেসব জায়গায় ভঙ্গিল পর্বতগুলো অবস্থান করছে, অতি প্রাচীনকালে সেখানে ছিল বিস্তীর্ণ অবনত অঞ্চল— ভূতাত্ত্বিকগণের ভাষায় যার নাম মহীখাত বা অগভীর সমুদ্র।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

হিমদ্রোণি বা হিমখাত (Glacial trough) বা ‘U’ আকৃতির উপত্যকা

হিমদ্রোণি বা হিমখাত (Glacial trough) বা ‘U’ আকৃতির উপত্যকা               উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হওয়া অন্যতম এক ভূমিরূপ হল হিমদ্রোণী। হিমবাহ যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয় যেখানে হিমবাহের পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয় সমানভাবে হওয়ার ফলে পার্বত্য উপত্যকাটির আকৃতি ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়ে যায়, একে ‘U’ আকৃতির উপত্যকা বা হিমদ্রোণী বলে।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

আয়নবায়ু ও পশ্চিমাবায়ুর পার্থক্য

  আয়নবায়ু ও পশ্চিমাবায়ুর পার্থক্য Sl. No. আয়নবায়ু পশ্চিমাবায়ু 1 আয়নবায়ুর প্রভাবে যতটুকু বৃষ্টিপাত হয় তা মহাদেশের পূর্বভাগে সীমাবদ্ধ থাকায় এই বায়ুর গতিপথে মহাদেশের পশ্চিমভাগে বড়ো বড়ো ক্রান্তীয় মরুভূমির সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে মহাদেশের পশ্চিমভাগে প্রবল, বৃষ্টিপাত হয় এবং পূর্বভাগে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশ কমে যায়। তাই পশ্চিমাবায়ুর গতিপথে মহাদেশের পূর্বভাগে নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমির সৃষ্টি হয়েছে। 2 এটি উষ্ণ মণ্ডলের নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। এটি নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। 3 আয়নবায়ু উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। পশ্চিমাবায়ু উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। 4 আয়নবায়ুর প্রভাবে খুব কম বৃষ্টিপাত হয...

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

জুগ্যান বা জুইগেন

জুইগেন                  কখনো কখনো দেখা যায় যে, কোনো কোনো শিলাস্তূপের কঠিন ও কোমল শিলাস্তরগুলো ওপর-নিচে পরস্পরের সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। প্রচণ্ড সূর্যতাপে এইসব উচ্চভূমিতে ফাটল সৃষ্টি হলে বায়ুর অবঘর্ষণের ফলে কঠিন শিলাস্তরগুলো অতি অল্প ক্ষয় পেয়ে টিলার মতো দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোমল শিলাস্তরগুলো বেশি ক্ষয় পেয়ে ফাটল বরাবর লম্বা খাত বা গহ্বরের সৃষ্টি করে। এই রকম দুটো খাতের মধ্যে চ্যাপ্টা মাথা টিলার মতো যে ভূমিরূপের সৃষ্টি হয় তাকে জুগ্যান বা জুইগেন বলে।