Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-২৪

মানব শারীরবিদ্যা


প্রশ্ন:১
ডায়াবেটিস মেলিটাস ও ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস-এর মধ্যে দুটি পার্থক্য উল্লেখ করো। 

উত্তর: 
👉ডায়াবেটিস মেলিটাস–
(i) এটি ইনসুলিনের অভাবে হয়।
(ii) মূত্রের সঙ্গে গ্লুকোজ নির্গত হয়।
👉ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস–
(i) অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমােনের (ADH) অভাবে হয়। 
(ii) মূত্রের সঙ্গে গ্লুকোজ নির্গত হয় না।


প্রশ্ন:২
দীর্ঘকালস্থায়ী ডায়াবেটিসে আর্টারিওস্ক্লেরোসিস (arteriosclerosis) হয় কেন ?

উত্তর: 
ডায়াবেটিস রােগীদের যকৃতে দীর্ঘকাল ধরে ফ্যাটের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রবহমান রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে ধমনিগাত্রে কোলেস্টেরল জমতে শুরু করে। এটি পরিশেষে আর্টারিওস্ক্লেরোসিস সৃষ্টি করে।


প্রশ্ন:৩
টাইপ-I ডায়াবেটিসকে জুভেনাইল ডায়াবেটিস বলে কেন ?

উত্তর: 
টাইপ-I ডায়াবেটিস সাধারণত 14 বছর বয়স থেকে শুরু হয়। তাই টাইপ-I ডায়াবেটিসকে জুভেনাইল ডায়াবেটিস বলা হয়।


প্রশ্ন:৪
অ্যালডােস্টেরন হরমােনের উৎস ও শারীরবৃত্তীয় কাজ উল্লেখ করো।

উত্তর: 
উৎস–আলডােস্টেরন অ্যাড্রিনাল কর্টেক্সের জোনা গ্লোমেরুলােসা স্তর থেকে ক্ষরিত হয়।
শারীরবৃত্তীয় কাজ–
(i) অ্যালডােস্টেরন বৃক্কীয় নালি দ্বারা সােডিয়ামের পুনঃশোষণ ও পটাশিয়ামের রেচন বৃদ্ধি করে। 
(ii) বৃক্কীয় নালি দ্বারা সোডিয়ামের পুনঃশােষণের সময় সমতুল্য পরিমাণে জলের অসমােটিক শােষণ ঘটে। এর ফলে বহিঃকোশীয় তরলের আয়তন বেড়ে যায়। 
(iii) অ্যালডােস্টেরন ঘর্মগ্রন্থি ও লালাগ্রন্থির রেচননালি দ্বারা মারাত্মকভাবে NaCI-এর পুনঃশােষণ এবং পটাশিয়ামের নিঃসরণ ঘটায়। এর ফলে উষ্ণ আবহাওয়ায় ঘর্মগ্রন্থি দ্বারা দেহে লবণের সংরক্ষণ হয় এবং লালাগ্রন্থি দ্বারা অতিরিক্ত লালাক্ষরণের সময় লবণের অপচয় হ্রাস পায়।


প্রশ্ন:৫
টিটেনি রােগের লক্ষণগুলি উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
ক্যালশিয়ামের মাত্রা হ্রাসের ফলে সোডিয়াম, পটাশিয়াম প্রভৃতি স্নায়ু-উদ্দীপক পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে স্নায়ুপেশির সক্রিয়তা বেড়ে যায়। এই অবস্থায় দেহপেশিগুলির মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত পেশিগুলির খিঁচুনি পরিলক্ষিত হয়।
মানুষের টিটেনি বা ধনুষ্টংকার রােগের অন্যান্য লক্ষণগুলি হল—
(1) চোভসটেক-এর লক্ষণ (Chvostek's sign)—মুখমণ্ডলের পেশির দ্রুত সংকোচন ঘটে। 
(2) ট্রাউসিয়াস-এর (Trousseau's sign)—দেহের ঊর্ধ্বপ্রান্তের (upper extremity) পেশির খিঁচুনি হয়। এর ফলে হাতের কবজি ও বুড়াে আঙুল বেঁকে যায় এবং আঙুলের বিক্ষেপ ঘটে।


প্রশ্ন:৬
এপিনেফ্রিন ও নর-এপিনেফ্রিন হরমােনের উৎস কী ? এদের জরুরিকালীন হরমােন বলে কেন ?

উত্তর: 
এপিনেফ্রিন ও নর-এপিনেফ্রিন হরমােন দুটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির মেডালা অংশ থেকে ক্ষরিত হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় এপিনেফ্রিন ও নর-এপিনেফ্রিন জীবনের পক্ষে অপরিহার্য নয়। তবে এই হরমােন দুটি জরুরিকালীন অবস্থায় দেহকে সেই অবস্থার মােকাবিলা করার উপযােগী করে তােলে। তাই এদের জরুরিকালীন হরমােন বলা হয়।


প্রশ্ন:৭
ডায়াবেটিস মেলিটাস-এর উল্লেখযােগ্য লক্ষণগুলি কী কী ?

উত্তর: 
(i) মূত্রে গ্লুকোজের উপস্থিতি, 
(ii) অতিরিক্ত মূত্র রেচন, 
(iii) অন্তঃকোশীয় ও বহিঃকোশী জলের স্বল্পতা এবং 
(iv) অতিরিক্ত তৃষ্ণা।


প্রশ্ন:৮
সােমাটোস্টেটিন-এর উৎস ও শারীরবৃত্তীয় কাজ উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
উৎস–সােমাটোস্টেটিন হরমােনটি অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস-এর ডেল্টা কোশ দ্বারা ক্ষরিত হয়।
শারীরবৃত্তীয় কাজ–
(i) সােমাটোস্টেটিন স্থানীয়ভাবে ক্রিয়া করে আইলেট অব ল্যাঙ্গারহ্যানস থেকে ইনসুলিন ও গ্লুকাগন উভয় হরমােনের ক্ষরণ হ্রাস করে। 
(ii) এটি পাকস্থলী, গ্রহণী ও পিত্তাশয়ের সঞ্চালন হ্রাস করে। 
(iii) সােমাটোস্টেটিন পাক-অন্ত্রীয় নালির ক্ষরণ এবং শােষণ উভয় প্রক্রিয়াতেই বাধা সৃষ্টি করে।


প্রশ্ন:৯
ডায়াবেটিস মেলিটাসে অতিরিক্ত তৃষ্ণা পায় কেন ?

উত্তর: 
ডায়াবেটিস মেলিটাসে অন্তঃকোশীয় ও বহিঃকোশীয় জলের স্বল্পতার জন্য অতিরিক্ত তৃষ্ণা পায়।


প্রশ্ন:১০
টাইপ-I ডায়াবেটিস কেন হয় ? এই রােগের উল্লেখযােগ্য লক্ষণগুলি কী কী ?

উত্তর: 
অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহানস-এর বিটা কোশগুলির কোনাে প্রকার ক্ষত বা রােগের ফলে ইনসুলিন ক্ষরণ বিঘ্নিত হলে টাইপ-I ডায়াবেটিস হয়।
তিনটি প্রধান লক্ষণের দ্বারা টাইপ-I ডায়াবেটিসের বহিঃপ্রকাশ ঘটে–
(i) রক্তে গ্লুকোজের উচ্চমাত্রা। 
(ii) শক্তি উৎপাদনের জন্য ফ্যাটের অত্যধিক ব্যবহার এবং যকৃতে অধিক কোলেস্টেরল সংশ্লেষ। 
(iii) দেহ প্রােটিনের হ্রাসপ্রাপ্তি।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-১৬

মানব শারীরবিদ্যা প্রশ্ন:১ হেমারেজ ও হিমােলাইসিসের মধ্যে পার্থক্য কী ? উত্তর:  কেটে যাওয়া বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ হওয়াকে হেমারেজ বলে। অপরপক্ষে, লােহিত রক্তকণিকা ভেঙে গিয়ে প্লাজমাতে হিমােগ্লোবিন ছড়িয়ে পড়াকে হিমােলাইসিস বলে। প্রশ্ন:২ ধমনি রক্ত অপেক্ষা শিরা রক্তের লােহিত রক্তকণিকা আকারে বড় হয় কেন ? উত্তর:  শিরা রক্তের ক্লোরাইড শিফটের জন্য লােহিত রক্তকণিকার অভ্যন্তরস্থ অভিস্রবণ চাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে লােহিত রক্তকণিকার মধ্যে ক্লোরাইড ও জল প্রবেশ করায় লােহিত রক্তকণিকাগুলি আকারে বড়াে হয়ে যায়। প্রশ্ন:৩ লােহিত অস্থিমজ্জা এবং শ্বেত অস্থিমজ্জার পার্থক্য কী ? উত্তর:  (i) লােহিত অস্থিমজ্জা রক্তকোশ উৎপন্ন করতে পারে, শ্বেত অস্থিমজ্জা পারে না।  (ii) লােহিত অস্থিমজ্জায় অ্যাডিপােস কলা কম থাকে বা থাকে না, শ্বেতমজ্জায় অ্যাডিপােস কলা বেশি থাকে।  (iii) লােহিত মজা স্পঞ্জি অস্থিতে থাকে, শ্বেত মজ্জা দীর্ঘকায় অস্থিগহ্বরে থাকে।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

সমাজসংস্কাররূপে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান।।

সমাজসংস্কাররূপে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান             হুগলি জেলার রাধানগর গ্রামে রাজা রামমোহন রায় ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে (মতান্তরে ১৭৭৪ খ্রি.) জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ভারত পথিক বলে সম্মান জানিয়েছেন। ভারতের ধর্ম ও সমাজ সংস্কারের কাজে তাঁর নিরলস সাধনার কারণে তাঁকে আধুনিক ভারতের জনক বলে অভিহিত করা হয়। ড. বিপানচন্দ্রের মতে—“উনিশ শতকের প্রথম লগ্নে ভারতীয় আকাশে রামমোহন রায় উজ্জ্বলতম নক্ষত্ররূপে ভাস্বর ছিলেন”।