Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জীবের জনন, সেট-৮

জীবের জনন


প্রশ্ন:১
অটোগ্যামি ও গেইটোনােগ্যামি কাকে বলে ?

উত্তর: 
অটোগ্যামি–পরাগমিলন যখন একই ফুলের মধ্যে ঘটে, অর্থাৎ একটি ফুলের পরাগধানী থেকে উৎপন্ন পরাগরেণু সেই ফুলেরই গর্ভমুণ্ডে পতিত হয়। গেইটোনােগ্যামি–এইরকম পরাগযােগ একই গাছের দুটি ফুলের মধ্যে ঘটে থাকে।


প্রশ্ন:২
প্রকৃত ফল কাকে বলে ?

উত্তর: 
প্রকৃত ফল—যখন কেবল ডিম্বাশয় ফলে পরিণত হয়, ফুলের অন্যান্য অংশ ফল গঠনে অংশগ্রহণ করে না, তখন সেই প্রকার ফলকে প্রকৃত ফল (true fruit) বলে। 
যেমন—আম, জাম।


প্রশ্ন:৩
ইতর পরাগযােগ কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
যখন কোনাে ফুলের পরাগরেণু একই প্রজাতির অন্য কোনাে গাছের ফুলের গর্ভমুণ্ডে পড়ে, তখন তাকে ইতর পরাগযােগ বা ক্রস পলিনেশন বলে।
উদাহরণ–তাল (Borassus flabellifer), পেঁপে (Carica papaya)।


প্রশ্ন:৪
স্টিমুলেটিভ পার্থেনােকাৰ্পি কী ?

উত্তর: 
বিভিন্ন রকম স্টিমুলেশন ব্যবহার করে ফুলের পরাগযােগ ও নিষেকে বাধা সৃষ্টি করে যে বীজবিহীন ফল সৃষ্টি করা হয় তাকে স্টিমুলেটিভ পার্থেনােকার্পি বলে। বিশেষ করে কৃত্রিম অক্সিন প্রয়ােগ করে অনেক উদ্ভিদেরই বীজবিহীন ফল সৃষ্টি করা হয়। যেমন—আঙুর, কলা, আনারস, কমলা ইত্যাদি। নিম্ন তাপমাত্রা, কুয়াশা ইত্যাদির ফলেও বহু উদ্ভিদের বীজবিহীন ফল সৃষ্টি হয়। যেমন—জলপাই, পেয়ারা, লংকা, টম্যাটো ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৫
হােমােগ্যামি কাকে বলে ?

উত্তর: 
এরকম স্বপরাগযােগ ক্যামােগ্যামাস (chamogamous) অর্থাৎ মুক্ত ফুলে ঘটে। গর্ভদণ্ডটি বৃদ্ধি পেয়ে গর্ভমুণ্ডটি যখন পরিপক্ক পরাগধানী সংলগ্ন হয় তখন পরাগযােগ ঘটে। যেমন—Catharanthus ফুলে। Mirabilis (4’O clock) ফুলে পরাগদণ্ড থেকে পরাগধানী যখন গর্ভমুণ্ডের নিকট আসে তখন পরাগযােগ ঘটে। এই ধরনের পরাগযােগকে হােমােগ্যামি বলে।


প্রশ্ন:৬
অপ্রকৃত ফল কাকে বলে ?

উত্তর: 
অপ্রকৃত ফল—ডিম্বাশয়ের প্রাচীর ফলের প্রাচীর পেরিকার্প (pericarp) গঠন করে। কখনাে-কখনাে পুষ্পাক্ষ এবং ফুলের অন্যান্য অংশ ফল গঠনে অংশগ্রহণ করে, তখন সেই প্রকার ফলকে অপ্রকৃত ফল (false fruit) বলে। যেমন—আপেল, স্ট্রবেরি ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৭
সেলুলার সস্য কী ? উদাহরণ সহ লেখাে।

উত্তর: 
ক্ষেত্রে প্রাথমিক সস্যের প্রতিটি বিভাজনেই নিউক্লিয়াস বিভাজনের সঙ্গে সঙ্গে সাইটোপ্লাজম বিভাজিত হয়। ফলে শুরু থেকেই সস্য কোশপ্রাচীরযুক্ত সেলুলার গঠনবিশিষ্ট হয়।
বালসাম (Balsam), ধুতুরা (Datura), পেটুনিয়া (Petunia) প্রভৃতি উদ্ভিদে দেখা যায়।


প্রশ্ন:৮
ক্লিস্টোগ্যামি কাকে বলে ?

উত্তর: 
ফুলগুলি বন্ধ প্রকৃতির হওয়ায় পরাগধানী বিদীর্ণ হলে পরাগরেণু স্বাভাবিকভাবেই গর্ভমুণ্ডে পড়ে, ফলে পরাগযােগ ঘটে। বালসাম, Oxalis, Viola, Commelina প্রভৃতি ফুলে এই ধরনের পরাগযােগ সম্পন্ন হয়।


প্রশ্ন:৯
দ্বিনিষেক বা ডাবল ফার্টিলাইজেশন কাকে বলে ?

উত্তর: 
একই স্ত্রী লিঙ্গধরের মধ্যে অবস্থিত দুটি ভিন্ন ধরনের (ডিম্বাণু ও নির্ণীত নিউক্লিয়াস) স্ত্রীজনন কোশের সঙ্গে দুটি পুংগ্যামেটের মিলনকে অর্থাৎ নিষেককে দ্বিনিষেক বা ডাবল ফার্টিলাইজেশন বলে।


প্রশ্ন:১০
স্বপরাগযােগের যে-কোনাে চারটি সুবিধা উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
(i) এই প্রক্রিয়ায় প্রজাতি বিশুদ্ধতা রক্ষা পায় এবং জনিতৃ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
(ii) সংকরায়ণ পরীক্ষায় পিওর লাইন (pure line) বজায় রাখার জন্য স্বপরাগযােগ ঘটানাে হয়।
(iii) এইরকম পরাগযােগের জন্য অন্য প্রজাতির উদ্ভিদের বা ফুলের দরকার হয় না।
(iv) এই প্রকার পরাগযােগে অধিক সংখ্যক পরাগরেণুর প্রয়ােজন হয় না।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

মৌসুমি স্রোত

মৌসুমি স্রোত                 ভারত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত প্রধানত মৌসুমি বায়ুর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় বলে এই অংশের সমুদ্রস্রোতকে মৌসুমি স্রোত বলা হয়। গ্রীষ্মকাল ও শীতকালে যথাক্রমে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এবং উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় ওই অংশের সমুদ্রস্রোতগুলি ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে। প্রবাহের দিক অনুসারে মৌসুমি স্রোত তাই দুই প্রকার— দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি স্রোত ও উত্তর-পূর্ব মৌসুমি স্রোত। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আরবসাগর থেকে বঙ্গোপসাগরের দিকে প্রবাহিত স্রোতকে বলা হয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি স্রোত। এই স্রোত পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সুমাত্রা দ্বীপের পাশ দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে জাপান স্রোতের সঙ্গে মিলিত হয়। আবার, শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে আরবসাগরের দিকে প্রবাহিত স্রোত উত্তর-পূর্ব মৌসুমি স্রোত নামে পরিচিত। এই স্রোত দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে নিরক্ষীয় স্রোতের সঙ্গে মিলিত হয় হয়।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

চিনুক

চিনুক           চিনুক একপ্রকার স্থানীয় বায়ু। বসন্তকালে উত্তর আমেরিকার রকি পার্বত্য অঞ্চল থেকে প্রেইরি অঞ্চলের দিকে এক রকমের উষ্ণ ও শুষ্ক বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে, একে চিনুক বলে। উত্তর আমেরিকায় রকি পর্বতের পূর্বঢালে প্রবাহিত উষ্ণ শুষ্ক পার্বত্য বায়ুপ্রবাহ বা ক্যাটাবেটিক বায়ুপ্রবাহ চিনুক নামে পরিচিত।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।