Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাস সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতে ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও তার ফলাফল, সেট-১

ভারতে ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও তার ফলাফল


প্রশ্ন:১
‘দশসালা বন্দোবস্ত’ কবে কে প্রবর্তন করেন ?

উত্তর: 
১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে লর্ড কর্নওয়ালিশ দশসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।


প্রশ্ন:২
ইউরােপে ধনতন্ত্র বিকাশের দুটি কারণ লেখো।

উত্তর: 
ইউরােপে ধনতন্ত্র বিকাশের দুটি কারণ হল— 
(১) ইউরােপের মধ্যে প্রথমে ইংল্যান্ডে পরে ফ্রান্স, রাশিয়া, জার্মানিতে শিল্পবিপ্লবের সংঘটন।
(২) ইউরােপের বিভিন্ন দেশ যেমন—ইংল্যান্ড, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশ কর্তৃক বিভিন্ন দেশে উপনিবেশ স্থাপন।


প্রশ্ন:৩
‘অবশিল্পায়ন’ কাকে বলে ?

উত্তর: 
অবশিল্পায়নের সংজ্ঞা নিয়ে মতভেদ থাকলেও মােটামুটিভাবে বলা যায়—অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগে ব্রিটিশের অবাধ বাণিজ্য ও অসম শিল্পনীতির জন্য ভারতের চিরাচরিত ও ঐহিত্যশালী কুটিরশিল্পের যে ধ্বংসসাধন ঘটে তা ‘অবশিল্পায়ন’ নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:৪
আমনি কমিশনের কাজ কী ?

উত্তর: 
কৃষিজমির উর্বরতা অনুযায়ী রাজস্বের হার নির্ধারণ, রাজস্ব আদায় করা, কৃষকদের উন্নতির লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ প্রভৃতি ছিল আমিনি কমিশনের কাজ।


প্রশ্ন:৫
দেশীয় শিল্পের অবনতির দুটি কারণ উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
দেশীয় শিল্পের অবনতির দুটি কারণ— 
(১) ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব ঘটার ফলে ভারতীয় দ্রব্য এক অসম প্রতিযােগিতার সম্মুখীন হয় এবং ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়। 
(২) ভারতীয় শিল্প ও শিল্পজাত দ্রব্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও অধিক শুল্ক আরােপের ফলে দেশীয় শিল্পের অবনতি ঘটে।


প্রশ্ন:৬
আমিনি কমিশন কী ?

উত্তর: 
১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার ভূমি বন্দোবস্ত ও ভূমি রাজস্ব সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধানের লক্ষ্যে যে কমিশন গঠন করেন তা আমিনি কমিশন নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:৭
‘আর্থিক নিষ্ক্রমণ’ কী ?

উত্তর: 
পলাশির যুদ্ধের পর থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও তার উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা ভারত থেকে যে প্রচুর পরিমাণে অর্থ ও সম্পদ ইংল্যান্ডে পাচার করে তা সম্পদের নির্গমন তত্ত্ব বা ‘আর্থিক নিষ্ক্রমণ’ নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:৮
১৮১৩ ও ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

উত্তর: 
১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনে কোম্পানির একচেটিয়া বাণিজ্যের অবসান ঘটে এবং ‘অবাধ বাণিজ্য’ নীতি চালু হয়।
১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনে ব্রিটিশ নাগরিকরা ভারতে বসবাস ও জমি কেনার অধিকার লাভ করে।


প্রশ্ন:৯
দাদন কী ?

উত্তর: 
পলাশির যুদ্ধের পর থেকেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাঁতিদের অর্থ অগ্রিম দিত। কোম্পানির অগ্রিম অর্থ গ্রহণ করায় তাঁতিরা শুধুমাত্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ছাড়া আর অন্য কোথাও উৎপন্ন দ্রব্য বিক্রি করতে পারত না। তারা উৎপন্ন বস্ত্র অল্পমূল্যে কোম্পানিকে বিক্রি করতে বাধ্য থাকত। একেই ‘দাদন’ প্রথা বলে।


প্রশ্ন:১০
‘একসালা’ বন্দোবস্ত কী ?

উত্তর: 
সঠিক রাজস্ব আদায়ের জন্য বার্ষিক নিলামের মাধ্যমে ওয়ারেন হেস্টিংস ইজারাদারদের জমি বন্দোবস্ত দিতেন (১৭৭৭ খ্রি.)। এই ব্যবস্থা একসালা বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।






🟌🟌🟌


🟌🟌🟌





Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

[MCQ]Geography।।ভারতের জলবায়ু।।সেট ২।।solve.org.in

ভারতের জলবায়ু প্রশ্ন:১ ভারতের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল : (a) ঋতু পরিবর্তন (b) অত্যধিক উষ্ণতা (c) অত্যধিক বৃষ্টিপাত

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা।