Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা


একক(Units) কি ?

                 যে কোনো ভৌত রাশিকে সঠিকভাবে পরিমাপ করার জন্য সমজাতীয় রাশির একটি সুবিধাজনক, নির্ভুল এবং নির্দিষ্ট পরিমান কে প্রমান মান  ধরে ওই ভৌত রাশিটি প্রমান মানের কতগুণ তা পরিমাপ করা হয়। ওই প্রমান মানকে ওই ভৌত রাশিটির একক বলা হয়। 

ஃ ভৌত রাশি = গাণিতিক মান X একক। 


একক কয় প্রকার ও কি কি ?

      একককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয় :

1) প্রাথমিক বা মূল একক :: 

সেই সমস্ত ভৌত রাশির এককগুলিকে প্রাথমিক বা মূল একক বলে যাদের মধ্যে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য গুলি পরিলক্ষিত হয় -

                                  (i) যে সমস্ত ভৌত রাশির একক পরস্পরের ওপর বা অন্য কোনো ভৌত রাশির এককের ওপরে নির্ভরশীল নয় এবং ,

                                  (ii) এই সমস্ত এককের সাহায্যে অন্য ভৌতরাশির একক গঠন করা যায়


2)লব্ধ একক ::

এক বা একাধিক প্রাথমিক এককের সাহায্যে গঠিত এককসমূহকে বলা হয় লব্ধ একক। 


একক পরিমাপের পদ্ধতিসমূহ ::

                  একক প্রকাশ করার বিভিন্ন পদ্ধতিগুলি হলো 


1. cgs পদ্ধতি : 

এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য , ভর ও সময়ের একক যথাক্রমে সেন্টিমিটার , গ্রাম ও সেকেন্ড। 

2. mks পদ্ধতি :

এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য , ভর ও সময়ের একক যথাক্রমে  মিটার , কিলোগ্রাম ও সেকেন্ড। 

3. fps পদ্ধতি : 

এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য , ভর ও সময়ের একক যথাক্রমে ফুট,পাউন্ড ও সেকেন্ড। 


আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি(SI Unit) :: 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিভিন্ন ধরণের একক ব্যবহারের ফলে অনেক সময় অনেকরকম ভুলভ্রান্তি দেখা যেত। এই সব এড়াতে ১৯৬৫ সালে আন্তর্জাতিক S .U .N কমিশন সারা পৃথিবীজুড়ে বৈজ্ঞানিক পরিমাপের জন্য একটিমাত্র পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি।


এই পদ্ধতিতে সাতটি ভৌত রাশির একককে প্রাথমিক একক হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। নিচে তাদের তালিকা দেওয়া হলো -


ভৌত রাশি

এককের নাম

প্রতীক 

  1. দৈর্ঘ্য

মিটার

m

  1. ভর 

কিলোগ্রাম 

kg 

  1. সময় 

সেকেন্ড

  1. তড়িৎ প্রবাহমাত্রা

আম্পিয়ার 

  1. তাপমাত্রা 

কেলভিন 

K

  1. দীপন প্রাবল্য 

ক্যান্ডেল

cd 

  1. পদার্থের পরিমান

মোল

mol 


    এছাড়াও SI তে দুটি ভৌত রাশির একককে প্রায় প্রাথমিক এককের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এই একক দুটিকে বলা হয় সম্পূরক একক। এদের নাম, একক ও প্রতীক নিচের ছকে দেওয়া হলো -


ভৌত রাশি

এককের নাম

প্রতীক 

কোণ

রেডিয়ান

rad

ঘনকোণ 

স্টেরেডিয়ান

sr


ভৌত রাশির মাত্রা :

যে গাণিতিক রাশিমালার সাহায্যে কোনো ভৌত রাশি প্রাথমিক একক বিশিষ্ট ভৌত রাশিগুলির বা তাদের বিভিন্ন ঘাটের সঙ্গে কিভাবে সম্পর্কযুক্ত তা প্রকাশ করা হয়, তাকে বলা হয় ওই ভৌত রাশির মাত্রা। 


নিচে SI তে প্রাথমিক একক বিশিষ্ট ভৌতরাশিসমূহের মাত্রা দেওয়া হলো -

দৈর্ঘ্য

ভর

সময়

তাপমাত্রা

তড়িৎ প্রবাহমাত্র

L

M

T

Ө/K

I


*NOTE ::

(1) কোনো ভৌত রাশি মাত্রাহীন হলেও তার একক থাকতে পারে। 

(2)কোনো পদ্ধতিতে প্রাথমিক একক পরিবর্তিত হলে কোনো ভৌত রাশির মাত্রাও পরিবর্তিত হয়। 

(3)দুটি ভৌত রাশির মাত্রা সমান হলে তারা সমজাতীয় হয় এবং তাদের যোগ এবং বিয়োগ সম্ভব হয়। 




⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾


ভৌত রাশির একক ও মাত্রা সম্পর্কিত MCQs গুলো দেখুন 


ভৌত রাশির একক ও মাত্রা, সেট ১

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা, সেট ২

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা, সেট ৩

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা, সেট ৪



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান, সেট-১০

উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান প্রশ্ন:১ বালব্ বা কন্দ কাকে বলে ? উত্তর:  যে সব মৃদগত কাণ্ড সর্বাপেক্ষা ছােটো চাকতির মতাে এবং সঞ্চিত খাদ্যবিহীন, কাণ্ডে পর্ব ও সংকুচিত পর্বমধ্য থাকে এবং রসালাে শল্কপত্রযুক্ত হয়, কাণ্ডের নীচে অসংখ্য গুচ্ছমূল থাকে এবং অনুকূল ঋতুতে ভৌমপুষ্পদণ্ড সৃষ্টি হয়, তাদের বালব্ বা কন্দ বলে। পেয়াজ, রসুন ইত্যাদির কাণ্ড এই রকমের। প্রশ্ন:২ পর্ণকাণ্ড বা ফাইলােক্ল্যাড কাকে বলে ? উত্তর:  যেসব কাণ্ড খর্ব, স্থূল, রসালাে এবং পাতার মতাে চ্যাপটা ও সবুজ, তাদের পর্ণকাণ্ড বলে। ফণীমনসা উদ্ভিদে পর্ণকাণ্ড দেখা যায়।

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন(The Evolution of Indian Civilization)

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন: প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক যাত্রা           ভারতীয় সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং নিরন্তর প্রবাহমান সভ্যতা। এর বিবর্তন একটি বিশাল মহাকাব্যিক যাত্রা, যা প্রায় দশ হাজার বছর ধরে বহু যুগ, সংস্কৃতি, ধর্ম, সাম্রাজ্য এবং মতাদর্শের উত্থান-পতনের সাক্ষী। এই বিবর্তন শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, প্রযুক্তি, শিল্পকলা, দর্শন এবং আধ্যাত্মিক চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তরকেও নির্দেশ করে।

লোয়েস সমভূমি

লোয়েস সমভূমি                   বায়ুর পরিবহনও অবক্ষেপণের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল লোয়েস সমভূমি। ‘লোয়েস’ কথাটির অর্থ ‘স্থানচ্যুত বস্তু’ বায়ুপ্রবাহিত অতিসূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা বা মৃত্তিকা ‘লোয়েস’ নামে পরিচিত। ০.০৫ মিলিমিটার ব্যাসের সূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা প্রভৃতি বায়ুর সঙ্গে বহুদূর উড়ে যেতে পারে। অতিসূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা বা মৃত্তিকা বায়ুর দ্বারা পরিবাহিত হয়ে কোনো নীচু স্থানে জমা হয়ে যে সমভূমি গঠন করে তাকে লোয়েস সমভূমি বলে। কখনও কখনও মরুভূমির বালি বায়ু দ্বারা অপসারিত হয়ে পার্শ্ববর্তী কোনো উর্বর কৃষিভূমিকে ক্রমশ ঢেকে ফেলে জমিটির উর্বরতা শক্তি নষ্ট করে দেয় এবং ধীরে ধীরে কৃষিভূমিটিকে মরুভূমি গ্রাস করে ফেলে।

সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু এবং সামান্য ঢালযুক্ত বিস্তৃত সমতল ক্ষেত্রকে সমভূমি বলে। তবে পৃথিবীর অধিকাংশ সমভূমিই সমুদ্র সমতল থেকে ৩০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থান করে। সমভূমির বৈশিষ্ট্য—

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?

গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্রিনহাউস প্রভাব

গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্রিনহাউস প্রভাব          গ্রিনহাউস প্রভাব হল দূষিত পরিবেশের অন্যতম ফল। বায়ুমণ্ডলে মূলত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধির জন্য পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঘটনাকে গ্রিনহাউস প্রভাব বলে। কাচঘরের কাচ যেমন ঘরের ভিতরের তাপকে বিকিরিত হয়ে বাইরে নির্গত হতে বাধা দেয়, বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাসগুলিও পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপকে শোষণ করে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। এই ঘটনাটিকেই গ্রিনহাউস এফেক্ট বা সবুজ ঘর প্রভাব বলে।

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.