Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর 1. দক্ষিণ ভারতের দীর্ঘতম নদী কোনটি? (Which is the longest river in South India?) (a) কাবেরী (b) কৃষ্ণা (c) গোদাবরী (d) নর্মদা 2. 'শেরশাহের' আসল নাম কী ছিল? (What was the real name of Sher Shah?) (a) জুনা খান (b) ফতেহ খান (c) ফরিদ খান (d) সেলিম খান

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা


একক(Units) কি ?

                 যে কোনো ভৌত রাশিকে সঠিকভাবে পরিমাপ করার জন্য সমজাতীয় রাশির একটি সুবিধাজনক, নির্ভুল এবং নির্দিষ্ট পরিমান কে প্রমান মান  ধরে ওই ভৌত রাশিটি প্রমান মানের কতগুণ তা পরিমাপ করা হয়। ওই প্রমান মানকে ওই ভৌত রাশিটির একক বলা হয়। 

ஃ ভৌত রাশি = গাণিতিক মান X একক। 


একক কয় প্রকার ও কি কি ?

      একককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয় :

1) প্রাথমিক বা মূল একক :: 

সেই সমস্ত ভৌত রাশির এককগুলিকে প্রাথমিক বা মূল একক বলে যাদের মধ্যে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য গুলি পরিলক্ষিত হয় -

                                  (i) যে সমস্ত ভৌত রাশির একক পরস্পরের ওপর বা অন্য কোনো ভৌত রাশির এককের ওপরে নির্ভরশীল নয় এবং ,

                                  (ii) এই সমস্ত এককের সাহায্যে অন্য ভৌতরাশির একক গঠন করা যায়


2)লব্ধ একক ::

এক বা একাধিক প্রাথমিক এককের সাহায্যে গঠিত এককসমূহকে বলা হয় লব্ধ একক। 


একক পরিমাপের পদ্ধতিসমূহ ::

                  একক প্রকাশ করার বিভিন্ন পদ্ধতিগুলি হলো 


1. cgs পদ্ধতি : 

এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য , ভর ও সময়ের একক যথাক্রমে সেন্টিমিটার , গ্রাম ও সেকেন্ড। 

2. mks পদ্ধতি :

এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য , ভর ও সময়ের একক যথাক্রমে  মিটার , কিলোগ্রাম ও সেকেন্ড। 

3. fps পদ্ধতি : 

এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য , ভর ও সময়ের একক যথাক্রমে ফুট,পাউন্ড ও সেকেন্ড। 


আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি(SI Unit) :: 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিভিন্ন ধরণের একক ব্যবহারের ফলে অনেক সময় অনেকরকম ভুলভ্রান্তি দেখা যেত। এই সব এড়াতে ১৯৬৫ সালে আন্তর্জাতিক S .U .N কমিশন সারা পৃথিবীজুড়ে বৈজ্ঞানিক পরিমাপের জন্য একটিমাত্র পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি।


এই পদ্ধতিতে সাতটি ভৌত রাশির একককে প্রাথমিক একক হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। নিচে তাদের তালিকা দেওয়া হলো -


ভৌত রাশি

এককের নাম

প্রতীক 

  1. দৈর্ঘ্য

মিটার

m

  1. ভর 

কিলোগ্রাম 

kg 

  1. সময় 

সেকেন্ড

  1. তড়িৎ প্রবাহমাত্রা

আম্পিয়ার 

  1. তাপমাত্রা 

কেলভিন 

K

  1. দীপন প্রাবল্য 

ক্যান্ডেল

cd 

  1. পদার্থের পরিমান

মোল

mol 


    এছাড়াও SI তে দুটি ভৌত রাশির একককে প্রায় প্রাথমিক এককের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এই একক দুটিকে বলা হয় সম্পূরক একক। এদের নাম, একক ও প্রতীক নিচের ছকে দেওয়া হলো -


ভৌত রাশি

এককের নাম

প্রতীক 

কোণ

রেডিয়ান

rad

ঘনকোণ 

স্টেরেডিয়ান

sr


ভৌত রাশির মাত্রা :

যে গাণিতিক রাশিমালার সাহায্যে কোনো ভৌত রাশি প্রাথমিক একক বিশিষ্ট ভৌত রাশিগুলির বা তাদের বিভিন্ন ঘাটের সঙ্গে কিভাবে সম্পর্কযুক্ত তা প্রকাশ করা হয়, তাকে বলা হয় ওই ভৌত রাশির মাত্রা। 


নিচে SI তে প্রাথমিক একক বিশিষ্ট ভৌতরাশিসমূহের মাত্রা দেওয়া হলো -

দৈর্ঘ্য

ভর

সময়

তাপমাত্রা

তড়িৎ প্রবাহমাত্র

L

M

T

Ө/K

I


*NOTE ::

(1) কোনো ভৌত রাশি মাত্রাহীন হলেও তার একক থাকতে পারে। 

(2)কোনো পদ্ধতিতে প্রাথমিক একক পরিবর্তিত হলে কোনো ভৌত রাশির মাত্রাও পরিবর্তিত হয়। 

(3)দুটি ভৌত রাশির মাত্রা সমান হলে তারা সমজাতীয় হয় এবং তাদের যোগ এবং বিয়োগ সম্ভব হয়। 




⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾⇾


ভৌত রাশির একক ও মাত্রা সম্পর্কিত MCQs গুলো দেখুন 


ভৌত রাশির একক ও মাত্রা, সেট ১

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা, সেট ২

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা, সেট ৩

ভৌত রাশির একক ও মাত্রা, সেট ৪



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি হল— (১) বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কোমল পাললিক শিলায় ঢেউ-এর মতো ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। (২) প্রধানত সমুদ্রগর্ভ থেকে সৃষ্টি হয় বলে ভঙ্গিল পর্বতে জীবাশ্ম দেখা যায়। (৩) ভঙ্গিল পর্বতগুলি সাধারণত পাললিক শিলায় গঠিত হলেও অনেক সময় ভঙ্গিল পর্বতে আগ্নেয় এবং রূপান্তরিত শিলার সহাবস্থান চোখে পড়ে (কারণ—ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির সময় শিলাস্তরে ফাটল সৃষ্টি হলে, সেই ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের ম্যাগমা লাভারূপে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে যা ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এর পর কালক্রমে প্রচণ্ড চাপ ও তাপের ফলে আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয়)

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

মানব জীবনের ওপর মালভূমির প্রভাব আলোচনা করো

মানুষের জীবনধারণ ও জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্রে মালভূমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন—  (১) মালভূমি সাধারণত স্বাভাবিক উদ্ভিদে সমৃদ্ধ হয়। যেমন—ছোটোনাগপুর মালভূমিতে প্রচুর শাল ও সেগুন গাছ জন্মে থাকে। (২) কোনোকোনো মালভূমির কঠিন শিলার ওপর উর্বর মৃত্তিকার আবরণ থাকলে সেই অঞ্চল কৃষিকার্যে উন্নতি লাভ করে। যেমন—ভারতের কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চল। (৩) মালভূমি অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি বন্ধুর এবং ভূভাগ কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত বলে চাষ-আবাদ, রাস্তাঘাট ও শিল্পস্থাপনে প্রতিকূল পরিবেশের সৃষ্টি করে।