Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাস সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৬৫), সেট-৫

ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৬৫)


প্রশ্ন:১
অমৃতসরের সন্ধি কবে, কাদের মধ্যে হয়েছিল ?

উত্তর: 
১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। সন্ধিটি হয়েছিল রণজিৎ সিংহ ও ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে।


প্রশ্ন:২
স্বত্ববিলােপ নীতি বলতে কী বোঝায় ?

উত্তর: 
লর্ড ডালহৌসি প্রবর্তিত স্বত্ববিলােপ নীতি বলতে বােঝায়, ইংরেজ আশ্রিত কোনাে দেশীয় রাজ্যের রাজার বংশধর না থাকলে রাজা মারা যাবার পর ওই রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হয়ে যাবে। দত্তক পুত্রের উত্তরাধিকার স্বীকার করা হবে না বলে এই নীতিতে ঘােষণা করা হয়।


প্রশ্ন:৩
চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের ফল কী হয়েছিল ?

উত্তর: 
চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের ফলে— 
(১) টিপু সুলতানের মৃত্যু হয়েছিল। 
(২) ইংরেজ প্রতিদ্বন্দ্বী মহীশূর রাজ্যের পতন ঘটেছিল।


প্রশ্ন:৪
‘অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি' বলতে কী বােঝ ?

উত্তর: 
লর্ড ওয়েলেসলি দেশীয় রাজ্যগুলিকে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণাধীনে এনে ভারতবর্ষে কোম্পানির সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেন তা অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি নামে পরিচিত। এই নীতি অনুযায়ী দেশীয় রাজ্যগুলি নিজ ব্যয়ে স্বরাজ্যে একজন ইংরেজ প্রতিনিধি ও একদল ইংরেজ সৈন্য রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়। বিনিময়ে কোম্পানি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়।


প্রশ্ন:৫
সুরাটের সন্ধি কত খ্রিস্টাব্দে স্বাক্ষরিত হয় ? সন্ধিটি কাদের মধ্যে হয়েছিল ?

উত্তর: 
১৭৭৫ খ্রিস্টাব্দে সুরাটের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 
সন্ধিটি হয়েছিল পেশােয়া রঘুনাথ রাও ও বােম্বাই-এর ইংরেজ কোম্পানির মধ্যে।


প্রশ্ন:৬
অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি কী ছিল ? এই নীতি কে প্রয়ােগ করেন ?

উত্তর: 
দেশীয় রাজ্যগুলি নিজ ব্যয়ে স্বরাজ্যে একজন ইংরেজ প্রতিনিধি ও একদল ইংরেজ সৈন্য রাখার অঙ্গীকার করলে, বিনিময়ে কোম্পানি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। এই ব্যবস্থা অধীনতামূলক মিত্ৰতা নীতি নামে পরিচিত। এই নীতির প্রয়ােগ করেন লর্ড ওয়েলেসলি।


প্রশ্ন:৭
কোন ভারতীয় শাসক লর্ড ওয়েলেসলির অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রথম গ্রহণ করেছিলেন এবং কোন বছর তা গ্রহণ করেন ?

উত্তর: 
হায়দ্রাবাদের নিজাম সর্বপ্রথম অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণ করেন। ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে নিজাম এই চুক্তিতে আবদ্ধ হন।


প্রশ্ন:৮
রণজিৎ সিংহ কে ছিলেন ?

উত্তর: 
পাঞ্জাবের সুকারচুকিয়া মিসলের প্রধান ছিলেন রণজিৎ সিংহ। তিনি শতদ্রু নদীর উত্তর অঞ্চল অধিকার করে এক অখিল শিখ সাম্রাজ্য গঠনের পরিকল্পনা করেছিলেন।


প্রশ্ন:৯
‘অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি’র প্রবর্তক কে ? কোন ভারতীয় শাসক এই নীতি সর্বপ্রথম গ্রহণ করেন ?

উত্তর: 
‘অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি’র প্রবর্তক লর্ড ওয়েলেসলি। হায়দ্রাবাদের নিজাম সর্বপ্রথম অধীনতামূলক মিত্র নীতি গ্রহণ করেন।


প্রশ্ন:১০
মহীশূর রাজ্যের পতনের দুটি কারণ উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
মহীশূর রাজ্যের পতনের দুটি কারণ হল— 
(১) মহীশূরের সৈন্যবাহিনীর তুলনায় ইংরেজ বাহিনী অনেক বেশি দক্ষ ও সুশৃঙ্খল ছিল। 
(২) টিপু সুলতান আশানুরূপ অন্য শক্তির সাহায্য পাননি।



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[MCQ]রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা।।সেট ৬

রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা ⮞ ⮞ ⮞ ⮞ প্রশ্ন:১ রামায়ণে কয়টি জনপদের উল্লেখ আছে ? (a) ১৬ টি (b) ১৮ টি (c) ২৫ টি (d) ২৭ টি

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...