Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাস সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিদ্রোহ, সেট-৩

কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিদ্রোহ


প্রশ্ন:১
সাঁওতাল পরগনা কী ?

উত্তর: 
সাঁওতাল বিদ্রোহের তীব্রতার জেরে ব্রিটিশ সরকার বাধ্য হয় সাঁওতালদের আলাদাভাবে সুযােগসুবিধা দিতে। এই লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকার শুধুমাত্র সাঁওতালদের জন্য এক আলাদা পরগনা গঠন করেন, যার নাম হয় সাঁওতাল পরগনা।


প্রশ্ন:২
দামিন-ই-কোহ কী ?

উত্তর: 
দামিন-ই-কোহ শব্দের অর্থ হল ‘পাহাড়ের প্রান্তদেশ’। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হলে সাঁওতালদের বাসভূমি বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, বীরভূম প্রভৃতি অঞ্চল কোম্পানির রাজস্বের অধীনে আসে। তাই বাধ্য হয়ে সাঁওতালরা রাজমহল পার্বত্য অঞ্চলে ও মুরশিদাবাদের একাংশে নতুন বসতি গড়ে তােলে, যা দামিন-ই-কোহ নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:৩
কোন্ আইনের মাধ্যমে ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানাে হয় ?

উত্তর: 
‘অ্যাক্ট ফর দ্য বেটার গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া’ আইনের মাধ্যমে ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানাে হয়।


প্রশ্ন:৪
এনফিল্ড রাইফেল কী ?

উত্তর: 
এনফিল্ড রাইফেল হল এক শ্রেণির বন্দুক। মহাবিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ ছিল এই এনফিল্ড রাইফেলে ব্যবহৃত কার্তুজের মােড়ক। মােড়কটি গােরু ও শূকরের চর্বি দিয়ে প্রস্তুত ছিল এবং সেটি দাঁত দিয়ে ছিড়ে কার্তুজটি বন্দুকে ভরতে হত।


প্রশ্ন:৫
মহাবিদ্রোহের (১৮৫৭ খ্রি.) একজন নেত্রী ও একজন নেতার নাম লেখাে।

উত্তর: 
মহাবিদ্রোহের একজন নেত্রী হলেন লক্ষীবাঈ, নেতা হলেন তাঁতিয়া তোপি।


প্রশ্ন:৬
বালাকোটের যুদ্ধ কেন ঘটেছিল ?

উত্তর: 
ওয়াহাবি নেতা সৈয়দ আহমেদ অ-মুসলমানদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘােষণা করেন। তিনি পাঞ্জাবের মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত কৃষকদের নেতৃত্ব দিলে শিখদের সঙ্গে এলাকোটের যুদ্ধ সংঘটিত হয় (১৮৩১ খ্রি.)।


প্রশ্ন:৭
দিকু কারা ?

উত্তর: 
সাঁওতাল উপজাতির মানুষের কাছে পরদেশি বা বহিরাগতরা ‘দিকু’ নামে পরিচিত ছিল।


প্রশ্ন:৮
সাঁওতাল বিদ্রোহ কোথায় হয়েছিল এবং কেন ?

উত্তর: 
১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জুন ভাগনাডিহির মাঠে দশ হাজার সাঁওতাল মিলিত হয়ে সিধু ও কানুর নেতৃত্বে বিদ্রোহ ঘােষণা করে। জমিদার ও কোম্পানির কর্মচারীদের অত্যাচারের প্রতিবাদে সাঁওতালরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।


প্রশ্ন:৯
মহারানির ঘােষণাপত্র কবে ও কেন প্রকাশ করা হয় ?

উত্তর: 
১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের ১ নভেম্বর মহারানির ঘােষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। ইংল্যান্ডের ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ভারতের শাসনব্যবস্থা সরাসরি পরিচালনার জন্যই মহারানির ঘােষণাপত্র প্রকাশিত করে।


প্রশ্ন:১০
সাঁওতাল বিদ্রোহের দুটি কারণ লেখাে।

উত্তর: 
(১) ব্রিটিশের নতুন আইন: ব্রিটিশ নতুন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন জারি করে সাঁওতালদের চিরাচরিত সমাজ ব্যবস্থায় আঘাত করে।
(২) ব্যবসায়ীদের কারচুপি: সাঁওতাল পরগনায় বসবাসকারী অসাধু ব্যবসায়ীরা সাঁওতালদের সরলতা ও অজ্ঞতার সুযােগ নিয়ে তাদের ঠকাত।



 

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।