Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাস সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৬৫), সেট-২

ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৬৫)

প্রশ্ন:১

দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের কারণ কী ছিল ?

উত্তর: 

দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের কারণ হল — 

(১) মারাঠারা মহীশূর আক্রমণ করলে পূর্বশর্ত অনুযায়ী ইংরেজদের কাছে সাহায্য চেয়ে হায়দার ব্যর্থ হন। 

(২) হায়দার আলির প্রতিবাদ উপেক্ষা করে ইংরেজরা মহীশূর রাজ্যের অন্তর্গত ফরাসি উপনিবেশ মাহে দখল করেছিল।


প্রশ্ন:২

তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ কত খ্রিস্টাব্দে শুরু হয় ? এই যুদ্ধ কাদের মধ্যে হয়েছিল ?

উত্তর: 

১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। যুদ্ধে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ ছিল টিপু সুলতান ও ইংরেজ কোম্পানি।


প্রশ্ন:৩

ম্যাঙ্গালােরের সন্ধির শর্ত কী ছিল ?

উত্তর: 

ম্যাঙ্গালােরের সন্ধির শর্ত ছিল— 

(১) ইংরেজ কোম্পানি ও টিপু সুলতান একে অপরের অধিকৃত অঞ্চল ফেরত দেবে। 

(২) উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবন্দি বিনিময় হবে।


প্রশ্ন:৪

চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ কত খ্রিস্টাব্দে, কাদের মধ্যে হয়েছিল ?

উত্তর: 

চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে হয়েছিল। টিপু সুলতান ও ইংরেজ কোম্পানির মধ্যে এই যুদ্ধ হয়।


প্রশ্ন:৫

প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ কাদের মধ্যে হয়েছিল ? সেই সময় ইংরেজ গভর্নর কে ছিলেন ?

উত্তর: 

প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ হয়েছিল হায়দার আলি ও ইংরেজ কোম্পানির মধ্যে। সেই সময় ইংরেজ গভর্নর ছিলেন ভেরেলেস্ট।


প্রশ্ন:৬

শ্রীরঙ্গপত্তমের চুক্তি কোন সালে স্বাক্ষরিত হয় ? এই চুক্তি কেন টিপু সুলতানের পক্ষে অসম্মানজনক ছিল ?

উত্তর: 

শ্রীরঙ্গপত্তমের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দে।

শ্রীরঙ্গপত্তমের চুক্তির শর্ত হিসেবে টিপুকে যুদ্ধের (তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ, ১৭৯০ খ্রি.) ক্ষতিপূরণ বাবদ, ৩ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা দিতে বলা হয়। শুধু তাই নয়, আরও বলা হয় যে টিপু যতদিন না কোম্পানিকে এই টাকা দেবেন, ততদিন টাকার জামিন হিসেবে নিজের দুই পুত্রকে ইংরেজের কাছে রাখতে বাধ্য থাকবেন। এতে টিপু ভীষণভাবে অপমানিত বােধ করেন।


প্রশ্ন:৭

মাদ্রাজের সন্ধি (১৭৬৯ খ্রি.)-র শর্ত কী ছিল ?

উত্তর: 

মাদ্রাজের সন্ধির শর্ত ছিল— 

(১) হায়দার ও ইংরেজ একে অপরের অধিকৃত স্থান ফিরিয়ে দেবে।

(২) মহীশূর বা ইংরেজ কোম্পানি অন্য কোনাে শক্তির দ্বারা আক্রান্ত হলে একে অপরকে সাহায্য করবে।


প্রশ্ন:৮

শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির শর্ত কী ছিল ?

উত্তর: 

শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির শর্ত ছিল— 

(১) টিপু সুলতান ইংরেজ কোম্পানিকে ৩ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা ও তাঁর রাজ্যের অর্ধাংশ ছেড়ে দেবেন। 

(২) টাকার জামিনস্বরূপ টিপু তাঁর দুই পুত্রকে ইংরেজদের হাতে তুলে দেবেন।


প্রশ্ন:৯

তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের কারণ কী ছিল ?

উত্তর: 

তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের কারণ হল— 

(১) টিপু সুলতান ইংরেজদের বিরােধী শক্তি ফরাসিদের সঙ্গে মিত্রতা করেছিলেন। 

(২) ইংরেজরা টিপু সুলতানের নাম বাদ দিয়ে তাদের মিত্র রাষ্ট্রের একটি তালিকা তৈরি করেছিল। তাতে টিপু সুলতান রুষ্ট হলে তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ শুরু হয়।


প্রশ্ন:১০

ম্যাঙ্গালােরের সন্ধি কত খ্রিস্টাব্দে, কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল ?

উত্তর: 

ম্যাঙ্গালােরের সন্ধি ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে টিপু সুলতান ও ওয়ারেন হেস্টিংসের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।



✶✶✶

ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৬৫), সেট-১[PREV]


ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৬৫), সেট-[NEXT]

✶✶✶


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

[MCQ]reproduction।।জনন।। জীবনবিজ্ঞান এর প্রশ্নোত্তর।।SOLVE

প্রশ্ন ১ সংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় জনন সম্পন্ন করে এরূপ একটি উদ্ভিদ হল ( a ) ইস্ট ( b ) মিউকর ( c ) স্পাইরােগাইরা ( d ) টেরিস

[MCQ]।।ভারতের ইতিহাস।।ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.)।। সেট ১

  ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.) 👉প্রশ্ন:১ অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়— (a) ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে (b) ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে (c) ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে (d) ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ক্ষুদ্রকণা বিশরণ

ক্ষুদ্রকণা বিশরণ                    যেসব শিলা বিভিন্ন রকমের খনিজ পদার্থে গঠিত, সেইসব বিষম গুণসম্পন্ন ও বড়ো দানাযুক্ত শিলাগুলো ঠাণ্ডায় বা গরমে সমানভাবে সংকুচিত বা প্রসারিত হতে পারে না। এর ফলে শিলাস্তরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন টানের সৃষ্টি হয়, শিলার গঠন আলগা হয়ে যায় এবং তাতে শিলা হঠাৎ সশব্দে ফেটে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়—মনে হয় যেন বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হচ্ছে।                          শিলাগুলো ক্ষুদ্রক্ষুদ্র কণা আকারে ভেঙে পড়ে। মরু অঞ্চলে সাধারণত বিকেলের দিকে সূর্যাস্তের পরে এই শিলা ফাটার আওয়াজ পাওয়া যায়। উষ্ণতার তারতম্যের ফলে এইভাবে বিষম গুণসম্পন্ন শিলার চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাওয়াকে ক্ষুদ্রকণা বিশরণ বা প্রস্তর চূর্ণীকরণ বলে। এই প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হওয়া পাথরচূর্ণগুলো আয়তনে ছোটো হয়। পেরু ও মধ্য অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে এইরূপ আবহবিকার দেখা যায়। আরও পড়ুন:: ⚡ আবহবিকার বা বিচূর্ণীভবন - সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ ⚡ যান্ত্রিক আবহবিকার ⚡ রাসায়নিক আবহবিকার ⚡ জৈবিক আবহবিকার ⚡ জারণ...