Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাস সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতে ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও তার ফলাফল, সেট-৩

ভারতে ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও তার ফলাফল


প্রশ্ন:১
পলাশির লুণ্ঠন কী ?

উত্তর: 
পলাশির যুদ্ধে জয়লাভের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের অর্থ ও সম্পদকে দু-হাত ভরে ভারত থেকে নিজের দেশ ইংল্যান্ডে পাচার করেছিল। বিদেশি ইংরেজরা সােনা, রুপাে বা কোনাে পণ্যসামগ্রীর বিনিময়ে এই সম্পদের নির্গমন ঘটায়নি, তাই এই ঘটনাকে অনেক ঐতিহাসিক লুণ্ঠন বলে উল্লেখ করেছেন। ব্রুকস্ অ্যাডামস আর্থিক নির্গমনের এই ঘটনাকে ‘পলাশির লুণ্ঠন’ বা ‘Plassey Plunder’ বলে অভিহিত করেছেন।


প্রশ্ন:২
চিরস্থায়ী ব্যবস্থা ও রায়তওয়ারী ব্যবস্থার মধ্যে একটি পার্থক্য লেখাে।

উত্তর: 
চিরস্থায়ী ব্যবস্থা: জমিদারদের স্থায়ীভাবে এবং বংশানুক্রমে জমির বন্দোবস্ত দেওয়া হয়।
রায়তওয়ারী ব্যবস্থা: সাধারণত ২০ বা ৩০ বছরের জন্য জমির বন্দোবস্ত দেওয়া হয়।


প্রশ্ন:৩
‘পত্তনি প্রথা’ বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
রাজস্ব আদায়ের সুবিধার জন্য জমিদার তাঁর বন্দোবস্ত নেওয়া জমিকে কয়েকটি ছােটো ছােটো অংশে ভাগ করে নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানের শর্তে অন্যের কাছে বন্দোবস্ত দিতেন। এই ব্যবস্থাকে ‘পত্তনি প্রথা’ বলা হয়। বর্ধমানের জমিদার তেজচন্দ্র প্রথম পত্তনি প্রথা চালু করেন।


প্রশ্ন:৪
‘মহলওয়ারী বন্দোবস্ত’ বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গঠিত একটি ‘মহল’-এর রাজস্ব একজন বা কয়েকজন ব্যক্তির সাহায্যে আদায়ের ব্যবস্থাকে ‘মহলওয়ারী বন্দোবস্ত’ বলা হত। ব্রিটিশ আমলে উত্তর-পশ্চিম ভারত ও মধ্য ভারতে এই ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল।


প্রশ্ন:৫
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে বাংলার কৃষকদের কী দুরবস্থা হয়েছিল ?

উত্তর: 
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে বাংলার কৃষকরা জমিদারের কৃপার পাত্রে পরিণত হন। কৃষকদের ওপর আর্থিক শােষণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তারা অনাহারে দিন কাটাতে বাধ্য হয়।


প্রশ্ন:৬
‘ভাইয়াচারী বন্দোবস্ত’ বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
গ্রামের একজন ব্যক্তির সাহায্যে প্রত্যেক চাষির কাছ থেকে পৃথকভাবে ধার্য রাজস্ব আদায় করাকে ‘ভাইয়াচারী’ ব্যবস্থা বুলা হয়। ব্রিটিশ আমলে পাঞ্জাবে এই ব্যবস্থা চালু ছিল।


প্রশ্ন:৭
‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে লর্ড কর্নওয়ালিশ ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ প্রবর্তন করেন। এই ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট খাজনার বিনিময়ে জমিদারগণ বংশানুক্রমে জমির মালিকানা ভােগ করত।


প্রশ্ন:৮
‘রায়তওয়ারী বন্দোবস্ত’ কী ?

উত্তর: 
‘রায়ত বা চাষির কাছ থেকে সরাসরি খাজনা আদায়ের ব্যবস্থা ‘রায়তওয়ারী বন্দোবস্ত’ নামে পরিচিত। ব্রিটিশ আমলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম ভারতে এই ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল।


প্রশ্ন:৯
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের দুটি কুফল উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের দুটি কুফল হল— 
(১) অত্যাচারী মধ্যস্বত্বভােগী শ্রেণির উদ্ভব। 
(২) কৃষকদের ওপর শােষণের মাত্রা বৃদ্ধি।


প্রশ্ন:১০
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের দুটি সুফল লেখাে।

উত্তর: 
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের দুটি সুফল হল— 
(১) জমিদাররা স্থায়ীভাবে জমি লাভ করায় সংস্কারমূলক কাজে মন দেন। 
(২) চাষযােগ্য জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।






🟌🟌🟌


🟌🟌🟌






Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।