Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

রাষ্ট্রবিজ্ঞান - সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।।সেট-২

রাষ্ট্রবিজ্ঞান - সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর


প্রশ্ন:১
প্রজাতান্ত্রিক সরকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ শাসন বিভাগীয় প্রধান যদি বংশানুক্রমিক ভাবে উত্তরাধিকার সূত্রে মনােনিত না হয়ে জনগনের দ্বারা প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে নির্বাচিত হন তাহলে সেই শাসন ব্যবস্থাকে প্রজাতান্ত্রিক সরকার বলে।



প্রশ্ন:২
সুপ্রিম কোর্টের আপিল এলাকা কয়প্রকার ও কি কি ?

উত্তর: 
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের আপিল এলাকা চারপ্রকারের হয়ে থাকে। যেমন— 
(i) সংবিধানের ব্যাখ্যা সংক্রান্ত আপিল। 
(ii) দেওয়ানী আপিল। 
(iii) ফৌজদারী আপিল। 
(iv) বিশেষ অনুমতি সূত্রে আপিল।



প্রশ্ন:৩
রাজ্যসচিবালয়ের দুটি কাজ লেখ।

উত্তর: 
(i) বিভিন্ন বিষয়ে রাজ্য সরকারের নীতি নির্ধারণের ব্যাপারে মন্ত্রীদের সাহায্য করা। 
(ii) বিভিন্ন বিষয়ে তথ্যাদি সংগ্রহ করে মন্ত্রীদের সরবরাহ করা।



প্রশ্ন:৪
অভিলেখ আদালত হিসেবে কাজ করে কোন আদালত।

উত্তর: 
ভারতবর্ষের সুপ্রিম কোর্ট এবং অঙ্গরাজ্যসমূহের হাইকোর্টগুলি অভিলেখ আদালত হিসেবে কাজ করে এবং নিজ অবমাননার জন্য অবমাননাকারীর শাস্তি দিতে পারে।



প্রশ্ন:৫
রাজ্য রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশনের সদস্যদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য গৃহিত দুটি উপায় লেখ।

উত্তর: 
(i) সদস্যদের বেতন ও ভাতা সম্পর্কিত ব্যয় আইনসভার অনুমােদন সাপেক্ষ নয়। 
(ii) নিয়ােগের পর কোন সদস্যের স্বার্থের বিরুদ্ধে চাকরীর শর্তাবলী বদল করা যায় না।



প্রশ্ন:৬
হাইকোর্টের মূল এলাকা কী ?

উত্তর: 
রাজস্ব সংক্রান্ত সকল বিষয় হাইকোর্টের মূল এলাকাভুক্ত। দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাই হাইকোর্টের মূল এলাকা স্বীকৃত। এই হাইকোর্টগুলির ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেও আগে মূল এলাকা ছিল; কিন্তু এখন নেই।



প্রশ্ন:৭
ভারতের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ। 

উত্তর: 
(i) অখণ্ড বিচারব্যবস্থা, 
(ii) আইনের দৃষ্টিতে সাম্য।



প্রশ্ন:৮
রাজ্য রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশন কিভাবে গঠিত হয় ?

উত্তর: 
একজন সভাপতি এবং অন্যান্য কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে রাজ্য রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশন গঠিত হয়। সংবিধানে এই কমিশনের সদস্যদের সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে উল্লিখিত হয়নি। কমিশনের সদস্যদের নিয়ােগ করেন সেই রাজ্যের রাজ্যপাল।



প্রশ্ন:৯
নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র কাকে বলে ?

উত্তর: 
নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র বলতে বােঝায় সেই শাসনব্যবস্থাকে যেখানে প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদাধিকারী বংশানুক্রমিকভাবে নিযুক্ত হলেও তাঁকে তার অধীনস্থ একটি মন্ত্রীসভার পরামর্শ মেনে সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয় অর্থাৎ তিনি সেখানে প্রকৃত প্রধান নন নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। ব্রিটেনের শাসনব্যবস্থা তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।



প্রশ্ন:১০
যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থায় আইনসভায় দ্বিতীয় কক্ষ গঠনের মূলনীতি কি হওয়া উচিত ?

উত্তর: 
যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার রীতি অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় আইনসভার উচ্চকক্ষ গঠিত রাজ্যগুলির সমপ্রতিনিধিত্বের নীতি অনুসরন করে। অর্থাৎ প্রত্যেক রাজ্য বা প্রদেশ থেকে সমসংখ্যক সদস্য নিয়ে আইনসভার উচ্চকক্ষ গঠিত হয়। ভারতে এই নীতি অনুসরণ করা হয়নি।








Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

[MCQ]Geography।।ভারতের জলবায়ু।।সেট ২।।solve.org.in

ভারতের জলবায়ু প্রশ্ন:১ ভারতের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল : (a) ঋতু পরিবর্তন (b) অত্যধিক উষ্ণতা (c) অত্যধিক বৃষ্টিপাত

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা।