Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাস সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতে ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও তার ফলাফল, সেট-২

ভারতে ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও তার ফলাফল


প্রশ্ন:১
সূর্যাস্ত আইন কী ছিল ?

উত্তর: 
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি. ২২ মার্চ) শর্তানুযায়ী, বছরের নির্দিষ্ট দিনে সূর্য অস্ত যাওয়ার আগে কোম্পানির নির্ধারিত খাজনা জমা দিতে না পারলে সেই জমিদারি বাজেয়াপ্ত করা হত। লর্ড কর্নওয়ালিশ প্রবর্তিত এই ব্যবস্থাই সূর্যাস্ত আইন নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:২
সম্পদের নির্গমন কী ?

উত্তর: 
পলাশির যুদ্ধজয়ের পর কোম্পানি অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগে বাংলা ও ভারতের অন্যান্য প্রান্ত থেকে কোনাে প্রতিদান ছাড়াই বিপুল পরিমাণ অর্থ, বিভিন্ন পণ্য ও উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী ইংল্যান্ডে চালান করেছিল। এই ঘটনাটিই ঐতিহাসিক ও সমালােচকদের মতে সম্পদের নির্গমন বা অর্থনৈতিক নিষ্ক্রমণ (Economic Drain) নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:৩
অবাধ বাণিজ্যনীতিকে সমর্থন করেন কোন অর্থনীতিবিদ ? কোন সনদ আইনে অবাধ বাণিজ্যনীতি গৃহীত হয় ?

উত্তর: 
অবাধ বাণিজ্যনীতিকে সমর্থন করেন ইংল্যান্ডের বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ । ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে সনদ আইনে অবাধ বাণিজ্যনীতি গৃহীত হয়।


প্রশ্ন:৪
ভারতীয় শিল্পের ধ্বংসের দুটি কারণ লেখাে। 

উত্তর: 
ভারতীয় শিল্পের ধ্বংসের দুটি কারণ হল— 
(১) ইউরােপের শিল্পবিপ্লব এবং 
(২) অসম শুল্ক সংরক্ষণ নীতি।


প্রশ্ন:৫
বস্ত্রশিল্পের ধ্বংসের একটি কারণ উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব: ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম শিল্পবিপ্লব ঘটায় কম সময়ে, সস্তায় উচ্চমানের টেকসই কাপড় উৎপাদনের সূচনা।


প্রশ্ন:৬
‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’—কে, কত সালে প্রবর্তন করেন ? 

উত্তর: 
১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে লর্ড কর্নওয়ালিশ ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ প্রবর্তন করেন।


প্রশ্ন:৭
মসলিন কী ?

উত্তর: 
মসলিন হল অবিভক্ত বাংলার ঢাকার তাঁতিদের বােনা এক অতিসূক্ষ্ম সুতিবস্ত্র। এই বস্ত্র এতই সূক্ষ্ম ছিল যে একটি গােটা শাড়ি একটি দেশলাই খােলের মধ্যে রাখা যেত।


প্রশ্ন:৮
১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইন (charter Act) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যের ওপর কী প্রভাব বিস্তার করে ?

উত্তর: 
১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইন পাস হওয়ার ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একচেটিয়া বাণিজ্যিক অধিকার লুপ্ত হয় । সনদ আইনে অবাধ বাণিজ্যনীতি গৃহীত হওয়ায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ছাড়াও ইংল্যান্ড-সহ ইউরােপের বিভিন্ন দেশের বণিকরা অবাধে বাণিজ্য শুরু করে। ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়ে।


প্রশ্ন:৯
ব্রিটিশ রাজ বলতে কী বােঝ ?

উত্তর: 
পলাশি ও বক্সারের যুদ্ধে জয়লাভ করার পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দেওয়ানি লাভের মাধ্যমে বাংলার সার্বভৌম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাংলার নবাবকে পুতুল নবাবে পরিণত করে প্রকৃত শাসক হয়ে ওঠে কোম্পানি। কোম্পানির নেতৃত্বে পরিচালিত এই শাসনব্যবস্থাই ব্রিটিশ রাজ নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:১০
শিল্পবিপ্লব বলতে কী বােঝ ?

উত্তর: 
অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়কালে প্রথমে ইংল্যান্ডে ও পরে ইউরােপের অন্যান্য দেশে উন্নত প্রযুক্তিকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন ব্যবস্থা ও জীবনযাপন প্রণালীতে যে আমূল পরিবর্তন ঘটে তা শিল্পবিপ্লব নামে পরিচিত।






🟌🟌🟌




🟌🟌🟌





Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।  

ঘূর্ণবাত বৃষ্টি বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি

ঘূর্ণবাত বৃষ্টি বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি        জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিম্নচাপের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে ওপরে উঠে শীতল হয়ে যে বৃষ্টিপাত ঘটায়, তাকে ঘূর্ণবাত বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বলে। কোনো স্থানে প্রবল নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে চারদিক থেকে ছুটে আসা শুকনো, ঠান্ডা ও ভারী বাতাসের ওপর জলীয়বাষ্পপূর্ণ গরম বাতাস উঠে যাওয়ার জন্যই ঘূর্ণবাত বৃষ্টিপাতের সৃষ্টি হয়। ঘূর্ণবাত বৃষ্টি সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে ঝিরঝির করে পড়ে। পৃথিবীর দুটি পৃথক অঞ্চলে ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বৃষ্টি হয়ে থাকে।