Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাস সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতে ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও তার ফলাফল, সেট-২

ভারতে ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও তার ফলাফল


প্রশ্ন:১
সূর্যাস্ত আইন কী ছিল ?

উত্তর: 
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি. ২২ মার্চ) শর্তানুযায়ী, বছরের নির্দিষ্ট দিনে সূর্য অস্ত যাওয়ার আগে কোম্পানির নির্ধারিত খাজনা জমা দিতে না পারলে সেই জমিদারি বাজেয়াপ্ত করা হত। লর্ড কর্নওয়ালিশ প্রবর্তিত এই ব্যবস্থাই সূর্যাস্ত আইন নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:২
সম্পদের নির্গমন কী ?

উত্তর: 
পলাশির যুদ্ধজয়ের পর কোম্পানি অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগে বাংলা ও ভারতের অন্যান্য প্রান্ত থেকে কোনাে প্রতিদান ছাড়াই বিপুল পরিমাণ অর্থ, বিভিন্ন পণ্য ও উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী ইংল্যান্ডে চালান করেছিল। এই ঘটনাটিই ঐতিহাসিক ও সমালােচকদের মতে সম্পদের নির্গমন বা অর্থনৈতিক নিষ্ক্রমণ (Economic Drain) নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:৩
অবাধ বাণিজ্যনীতিকে সমর্থন করেন কোন অর্থনীতিবিদ ? কোন সনদ আইনে অবাধ বাণিজ্যনীতি গৃহীত হয় ?

উত্তর: 
অবাধ বাণিজ্যনীতিকে সমর্থন করেন ইংল্যান্ডের বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ । ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে সনদ আইনে অবাধ বাণিজ্যনীতি গৃহীত হয়।


প্রশ্ন:৪
ভারতীয় শিল্পের ধ্বংসের দুটি কারণ লেখাে। 

উত্তর: 
ভারতীয় শিল্পের ধ্বংসের দুটি কারণ হল— 
(১) ইউরােপের শিল্পবিপ্লব এবং 
(২) অসম শুল্ক সংরক্ষণ নীতি।


প্রশ্ন:৫
বস্ত্রশিল্পের ধ্বংসের একটি কারণ উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব: ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম শিল্পবিপ্লব ঘটায় কম সময়ে, সস্তায় উচ্চমানের টেকসই কাপড় উৎপাদনের সূচনা।


প্রশ্ন:৬
‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’—কে, কত সালে প্রবর্তন করেন ? 

উত্তর: 
১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে লর্ড কর্নওয়ালিশ ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ প্রবর্তন করেন।


প্রশ্ন:৭
মসলিন কী ?

উত্তর: 
মসলিন হল অবিভক্ত বাংলার ঢাকার তাঁতিদের বােনা এক অতিসূক্ষ্ম সুতিবস্ত্র। এই বস্ত্র এতই সূক্ষ্ম ছিল যে একটি গােটা শাড়ি একটি দেশলাই খােলের মধ্যে রাখা যেত।


প্রশ্ন:৮
১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইন (charter Act) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যের ওপর কী প্রভাব বিস্তার করে ?

উত্তর: 
১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইন পাস হওয়ার ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একচেটিয়া বাণিজ্যিক অধিকার লুপ্ত হয় । সনদ আইনে অবাধ বাণিজ্যনীতি গৃহীত হওয়ায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ছাড়াও ইংল্যান্ড-সহ ইউরােপের বিভিন্ন দেশের বণিকরা অবাধে বাণিজ্য শুরু করে। ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়ে।


প্রশ্ন:৯
ব্রিটিশ রাজ বলতে কী বােঝ ?

উত্তর: 
পলাশি ও বক্সারের যুদ্ধে জয়লাভ করার পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দেওয়ানি লাভের মাধ্যমে বাংলার সার্বভৌম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাংলার নবাবকে পুতুল নবাবে পরিণত করে প্রকৃত শাসক হয়ে ওঠে কোম্পানি। কোম্পানির নেতৃত্বে পরিচালিত এই শাসনব্যবস্থাই ব্রিটিশ রাজ নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:১০
শিল্পবিপ্লব বলতে কী বােঝ ?

উত্তর: 
অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়কালে প্রথমে ইংল্যান্ডে ও পরে ইউরােপের অন্যান্য দেশে উন্নত প্রযুক্তিকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন ব্যবস্থা ও জীবনযাপন প্রণালীতে যে আমূল পরিবর্তন ঘটে তা শিল্পবিপ্লব নামে পরিচিত।






🟌🟌🟌




🟌🟌🟌





Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

সাধারণ জ্ঞান।।পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা প্রশ্ন ১ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোন মহিলা অ্যাকাদেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন? (ক) আরতি সাহা (খ) দূর্বা ব্যানার্জী   (গ) মৈত্রেয়ী দেবী   (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ মৈত্রেয়ী দেবী   প্রশ্ন  ২  পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা শহীদ কে? (ক) মাতঙ্গিনী হাজরা (খ) প্রীতিলতা ওয়াদেদার (গ) সরোজিনী নাইডু (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ মাতঙ্গিনী হাজরা প্রশ্ন ৩  পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা আই এ এস অফিসার কে? (ক) রিতু মহেশ্বরী (খ) রমা মজুমদার (গ) চন্দ্রমুখী বসু (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ রমা মজুমদার প্রশ্ন ৪ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোন মহিলা ইংলিশ চ্যালেন পার করেছিলেন? (ক) আরতি সাহা (খ) বুলা চৌধুরি (গ) শ্রেয়া দত্ত (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ আরতি সাহা প্রশ্ন ৫ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা জেলাশাসক কে? (ক) রমা মজুমদার   (খ) রানু ঘোষ (গ) বুলা চৌধুরি (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ রানু ঘোষ প্রশ্ন ৬ পশ্চিমবঙ্গের কোন মহিলা সর্বপ্রথম এভারেস্ট আরোহণ করেছিলেন? (ক) শিপ্রা মজুমদার (খ) দুর্বা ব্যানার্জী (গ) আরতী সাহা (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ শিপ্রা মজুমদার প্রশ্ন  ৭ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা রাজ্য...

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।  

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি ও লাভা মালভূমির মধ্যে পার্থক্য

  ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি ও লাভা মালভূমির মধ্যে পার্থক্য Sl. No. ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি লাভা মালভূমি 1 যেসব মালভূমির কাঠিন্য সবক্ষেত্রে সমান নয় অর্থাৎ, কোনো অংশ বেশি কঠিন এবং কোনো অংশ কম কঠিন বা কোমল শিলায় গঠিত সেক্ষেত্রেই দীর্ঘ ক্ষয়ের ফলে ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি গড়ে ওঠে। ভূগর্ভস্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরি বা কোনো ফাটলের মধ্যে দিয়ে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হলে ম্যাগমা শীতল ও কঠিন হয়ে লাভা মালভূমি গড়ে ওঠে। এক্ষেত্রে লাভা মালভূমি কঠিন শিলায় গঠিত হয় এবং শিলার কাঠিন্য সর্বত্র একইরকম হয়। 2 ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমির উচ্চতা ক্রমহ্রাসমান এবং ভূপৃষ্ঠ তরঙ্গায়িত। অগ্ন্যুৎপাত ঘটতে থাকলে লাভা মালভূমির উচ্চতা ক্রমবর্ধমান হতে পারে। লাভা মালভূমির ভূপৃষ্ঠ একটানা বিস্তীর্ণ অঞ্চল এবং কম তরঙ্গায়িত। 3 ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি একপ্রকার ক্ষয়জাত মালভূমি। লাভা মালভূমি একপ্রকার সঞ্চয়জাত মালভূমি। 4 ভূপৃষ্ঠস্থ প্রাকৃতিক শক্তি প্রধানত নদীর দ্বারা ক্ষয়ের ফলেই ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি গড়ে ওঠে। ভূগর্ভস্থ প্রাকৃতিক শক্তি প্রধা...