Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাস সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জাতীয়তাবাদ ও সংস্কার আন্দোলন, সেট-৫

জাতীয়তাবাদ ও সংস্কার আন্দোলন

প্রশ্ন:১

স্বামী দয়ানন্দ কী তত্ত্ব প্রচার করেন ?

উত্তর: 

অহিন্দু ও ধর্মান্তরিত হিন্দুদের হিন্দুধর্মে ফিরিয়ে আনার জন্য গৃহীত কর্মসূচি শুদ্ধি আন্দোলন নামে পরিচিত। এই ‘শুদ্ধি’ তত্ত্ব প্রচার করেন স্বামী দয়ানন্দ।


প্রশ্ন:২

ডিরােজিও স্মরণীয় কেন ?

উত্তর: 

নব্যবঙ্গ আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরােজিও। তিনি উনিশ শতকের কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে সােচ্চার হয়েছিলেন। তাঁকে ‘ভারতের প্রথম জাতীয়তাবাদী কবি’ বলা হয়।


প্রশ্ন:৩

নব্যবঙ্গ কাদের বলা হয় ? নব্যবঙ্গ দলের দুজন নেতার নাম করাে।

উত্তর: 

ডিরােজিওর অনুগামীগণ নব্যবঙ্গ নামে পরিচিত। নব্যবঙ্গ দলের দুজন নেতার নাম হল— 

(১) রামতনু লাহিড়ি ও 

(২) রাধানাথ শিকদার।


প্রশ্ন:৪

আলিগড় আন্দোলন বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 

‘আলিগড় মহামেডান অ্যাংলাে ওরিয়েন্টাল কলেজ’-কে কেন্দ্র করে মুসলমান সমাজের মধ্যে যে সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়েছিল তা আলিগড় আন্দোলন নামে খ্যাত। এই আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ছিলেন স্যার সৈয়দ আহমদ খান।


প্রশ্ন:৫

আর্যসমাজ কে প্রতিষ্ঠা করেন ? তাঁর রচিত গ্রন্থটির নাম কী ?

উত্তর: 

স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী আর্যসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থটির নাম—‘সত্যার্থ প্রকাশ’।


প্রশ্ন:৬

‘আনন্দমঠ' কে রচনা করেন ? বন্দেমাতরম্ সংগীত কোন্ গ্রন্থের অন্তর্গত ?

উত্তর: 

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘আনন্দমঠ' রচনা করেন। বন্দেমাতরম্ সংগীত ‘আনন্দমঠ' গ্রন্থের অন্তর্গত।


প্রশ্ন:৭

আর্যসমাজ আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল ?

উত্তর: 

আর্যসমাজ আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বেদভিত্তিক সমাজ গঠন ও হিন্দুধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করা। এ ছাড়া, অহিন্দু ও ধর্মান্তরিত হিন্দুদের হিন্দুধর্মে ফিরিয়ে আনাও আর্যসমাজের অপর উদ্দেশ্য ছিল।


প্রশ্ন:৮

স্বামী বিবেকানন্দ রচিত দুটি গ্রন্থের নাম করাে।

উত্তর: 

স্বামী বিবেকানন্দ রচিত দুটি গ্রন্থের নাম হল— 

(১) বর্তমান ভারত ও 

(২) পরিব্রাজক। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলি বৈপ্লবিক প্রেরণার উৎস ছিল।


প্রশ্ন:৯

শুদ্ধি আন্দোলন বলতে কী বােঝ ?

উত্তর:

ব্যাপক ধর্মান্তরের ফলে হিন্দুসমাজে ভাঙন দেখা দেয়। হিন্দুসমাজকে এই ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার জন্য আর্যসমাজের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী একটি কর্মসূচি গ্রহণ করেন। অহিন্দু ও ধর্মান্তরিত হিন্দুদের হিন্দুধর্মে ফিরিয়ে আনার জন্য গৃহীত এই কর্মসূচি শুদ্ধি আন্দোলন নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:১০

নব্যবঙ্গ কাদের বলা হয় ? এই দলের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল ?

উত্তর: 

ডিরােজিওর অনুগামীদের নব্যবঙ্গ বলা হয়।

এই দলের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল—

সমাজ থেকে বিভিন্ন কুসংস্কার ও কুপ্রথাগুলির অবসান।




🎕🎕🎕

জাতীয়তাবাদ ও সংস্কার আন্দোলন, সেট-৪[PREV]

🎕🎕🎕




Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়।