Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

[SAQ] ইতিহাস–বিভিন্ন রাজশক্তির উত্থান ও পতন, সেট–১

বিভিন্ন রাজশক্তির উত্থান ও পতন


প্রশ্ন:১

গুপ্ত বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন ? গুপ্ত বংশের প্রথম সার্বভৌম রাজার নাম কী ?


উত্তর: 

গুপ্ত বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শ্রীগুপ্ত।

গুপ্ত বংশের প্রথম সার্বভৌম রাজা ছিলেন প্রথম চন্দ্রগুপ্ত।



প্রশ্ন:২

ফা–হিয়েন কে ছিলেন ?


উত্তর: 

দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে আগত চৈনিক পরিব্রাজক।



প্রশ্ন:৩

‘সর্বোরাজোচ্ছেত্তা’ ও ‘কবিরাজ’ উপাধি কে গ্রহণ করেছিলেন এবং কেন ?


উত্তর: 

‘এলাহাবাদ প্রশস্তি’ থেকে জানা যায় গুপ্ত সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত ‘সর্বোরাজোচ্ছেত্তা’ ও ‘কবিরাজ’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।

উত্তরদিকের সবকটি স্বাধীন রাজ্যকে গুপ্ত সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে তিনি ‘সর্বোরাজোচ্ছেত্তা’ উপাধি গ্রহণ করেন। আবার, সুকবি, সঙ্গীতজ্ঞ ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হওয়ায় ‘এলাহাবাদ প্রশস্তি’-তে তাকে ‘কবিরাজ’ বলে অভিহিত করা হয়।



প্রশ্ন:৪

কনিষ্ক কোন্ ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করেন ? 


উত্তর: 

কনিষ্ক বৌদ্ধধর্মের (মহাযান) পৃষ্ঠপোষকতা করেন। 



প্রশ্ন:৫

গান্ধার শিল্পরীতি কী ?


উত্তর:

 স্কাইথিয় বা শকদের আমলে গান্ধার ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গৌতমবুদ্ধ ও বৌদ্ধ ধর্মকে কেন্দ্র করে গ্রিক, রোমক ও ভারতীয় শিল্পরীতির সংমিশ্রণে এক নতুন শিল্পরীতি গড়ে ওঠে, যা ‘গান্ধার শিল্পরীতি’ নামে পরিচিত এবং কনিষ্কের আমলেই এর সম্পূর্ণ বিকাশ ঘটে।



প্রশ্ন:৬

কনিষ্ক ভারতের বাইরে কোন্ কোন্ স্থানে বৌদ্ধধর্মের প্রচার করেন ?


উত্তর: 

তিনি ভারতের বাইরে কাশগড়, খোটান, চিন, জাপান প্রভৃতি স্থানে বৌদ্ধধর্মের প্রচার করেন।



প্রশ্ন:৭

কার আমলে এবং কোথায় তৃতীয় বৌদ্ধসংগীতি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ?


উত্তর: 

সম্রাট অশোকের আমলে তৃতীয় বৌদ্ধসংগীতি অনুষ্ঠিত হয়। পাটলিপুত্র শহরে তৃতীয় বৌদ্ধসংগীতি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।



প্রশ্ন:৮

কনিষ্ককে ‘দ্বিতীয় অশোক’ বলা হয় কেন ?


উত্তর: 

অশোক এবং কনিষ্ক উভয়েই বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হওয়ার আগে ছিলেন নিষ্ঠুর প্রকৃতির। উভয়েই বৌদ্ধধর্ম গ্রহণের পর বৌদ্ধ সংঘের ঐক্য ও সংহতি রক্ষার জন্য ‘বৌদ্ধসংগীতি’ আহ্বান করেন এবং দেশে ও বিদেশে প্রচারের ব্যবস্থা করেন। এইসব দিক বিচার করে কনিষ্ককে ‘দ্বিতীয় অশোক’ বলা হয়।



প্রশ্ন:৯

দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে কোন্ চৈনিক পরিব্রাজক ভারতে আসেন ? তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম কী ?


উত্তর: 

চৈনিক পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে ভারতে আসেন।

ফা-হিয়েন রচিত গ্রন্থের নাম ‘ফো-কুয়ো-কি’ (FO-KOUO-KI)।



প্রশ্ন:১০

সমুদ্রগুপ্ত আর্যাবত এবং দাক্ষিণাত্য বিজয়ে কী কী নীতি গ্রহণ করেছিলেন ?


উত্তর: 

সমুদ্রগুপ্ত আর্যাবর্ত বিজয়ে ‘উন্মূল্য’ নীতি অর্থাৎ রাজ্য–অধিগ্রহণ নীতি এবং দাক্ষিণাত্য বিজয়ে ‘গ্রহণ পরিমোক্ষ’ নীতি অর্থাৎ পরাজিত করার পর বশ্যতার বিনিময়ে রাজ্য ফিরিয়ে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছিলেন।



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-মানব শারীরবিদ্যা, সেট-১৬

মানব শারীরবিদ্যা প্রশ্ন:১ হেমারেজ ও হিমােলাইসিসের মধ্যে পার্থক্য কী ? উত্তর:  কেটে যাওয়া বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ হওয়াকে হেমারেজ বলে। অপরপক্ষে, লােহিত রক্তকণিকা ভেঙে গিয়ে প্লাজমাতে হিমােগ্লোবিন ছড়িয়ে পড়াকে হিমােলাইসিস বলে। প্রশ্ন:২ ধমনি রক্ত অপেক্ষা শিরা রক্তের লােহিত রক্তকণিকা আকারে বড় হয় কেন ? উত্তর:  শিরা রক্তের ক্লোরাইড শিফটের জন্য লােহিত রক্তকণিকার অভ্যন্তরস্থ অভিস্রবণ চাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে লােহিত রক্তকণিকার মধ্যে ক্লোরাইড ও জল প্রবেশ করায় লােহিত রক্তকণিকাগুলি আকারে বড়াে হয়ে যায়। প্রশ্ন:৩ লােহিত অস্থিমজ্জা এবং শ্বেত অস্থিমজ্জার পার্থক্য কী ? উত্তর:  (i) লােহিত অস্থিমজ্জা রক্তকোশ উৎপন্ন করতে পারে, শ্বেত অস্থিমজ্জা পারে না।  (ii) লােহিত অস্থিমজ্জায় অ্যাডিপােস কলা কম থাকে বা থাকে না, শ্বেতমজ্জায় অ্যাডিপােস কলা বেশি থাকে।  (iii) লােহিত মজা স্পঞ্জি অস্থিতে থাকে, শ্বেত মজ্জা দীর্ঘকায় অস্থিগহ্বরে থাকে।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য

  যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. যান্ত্রিক আবহবিকার রাসায়নিক আবহবিকার 1 বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলাস্তর যখন ফেটে ছোটো ছোটো খন্ড বা চূর্ণে পরিণত হয় মূল শিলার ওপরে অবস্থান করে তখন তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। নানান রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিলা বিয়োজিত হওয়ার ঘটনাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে। 2 যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলার শুধুমাত্র ভৌত পরিবর্তন ঘটে। শিলা গঠনকারী খনিজের রাসায়নিক ধর্মের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। রাসায়নিক আবহবিকারের ফলে শিলার মধ্যে অবস্থিত খনিজগুলি বিয়োজিত হয়। ফলে শিলার ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধর্মেরই পরিবর্তন ঘটে। 3 উষ্ণ, মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চল এবং শীতল পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক আবহবিকার বেশি মাত্রায় সংঘটিত হয়। আর্দ্র ক্রান্তীয় ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার বেশি পরিমাণে সংঘটিত হয়। 4 যান্ত্রিক আবহবিকার অনেক সময় সশব্দে ঘটে থাকে। রাসায়নিক আবহবিকার নিঃশব্দে ঘটে থাকে। 5 ভূমিরূপ গঠন ও পরিবর্তন...