বিভিন্ন রাজশক্তির উত্থান ও পতন
প্রশ্ন:১
অশোক কেন কলিঙ্গের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন ?
উত্তর:
মৌর্য সাম্রাজ্যের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের স্বার্থে এবং সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব চরিতার্থ করার জন্য অশোক কলিঙ্গের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন।
প্রশ্ন:২
শিশুনাগ বংশের প্রতিষ্ঠাতা ও শেষ রাজা কে ছিলেন ?
উত্তর:
শিশুনাগ বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শিশুনাগ। এই বংশের শেষ রাজা ছিলেন কালাশোক।
প্রশ্ন:৩
চাণক্য কে ছিলেন ?
উত্তর:
চাণক্য ছিলেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান পরামর্শদাতা। তিনি কৌটিল্য নামে ‘অর্থশাস্ত্র’ রচনা করেন।
প্রশ্ন:৪
‘নাসিক প্রশস্তি’ তে কার কৃতিত্বের কথা বলা হয়েছে ?
উত্তর:
‘নাসিক প্রশস্তি’ তে গৌতমীপুত্র সাতকর্ণীর কৃতিত্বের কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন:৫
কলিঙ্গ যুদ্ধের পর অশোকের জীবনে কি প্রতিক্রিয়া দেখা যায়?
উত্তর:
কলিঙ্গযুদ্ধের ব্যাপক হত্যালীলা ও রক্তপাত অশোকের মনে অনুশোচনা জাগায় এবং তিনি যুদ্ধনীতি ত্যাগ করে শান্তি ও অহিংসার নীতি গ্রহণ করেন।
প্রশ্ন:৬
কার আমলে এবং কোথায় চতুর্থ বৌদ্ধসংগীতি আহূত হয়েছিল ?
উত্তর:
কুষাণ সম্রাট কনিষ্কের আমলে চতুর্থ বৌদ্ধসংগীতি আহূত হয়েছিল। স্থান ছিল কাশ্মীর (মতান্তরে জলন্ধর)।
প্রশ্ন:৭
‘অর্থশাস্ত্র’ কে রচনা করেন ? কোন্ রাজত্বকাল সম্বন্ধে এতে বর্ণনা আছে ?
উত্তর:
‘অর্থশাস্ত্র’ রচনা করেন কৌটিল্য।
‘অর্থশাস্ত্র’–এ মৌর্য শাসনকাল বিশেষ করে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজত্বকাল সম্বন্ধে বর্ণনা আছে।
প্রশ্ন:৮
‘নাসিক প্রশস্তি’ কার রচনা ?
উত্তর:
‘নাসিক প্রশস্তি’ গৌতমীপুত্র সাতকর্ণীর মা গৌতমী বলশ্রীর রচনা।
প্রশ্ন:৯
অশোক কর্তৃক ভারতের বাইরে প্রেরিত দুজন ধর্মপ্রচারকের নাম লেখো।
উত্তর:
অশোক কর্তৃক ভারতের বাইরে সিংহলে দুজন ধর্মদূতকে পাঠানো হয়। তাঁরা হলেন, তাঁর পুত্র মহেন্দ্র এবং কন্যা সংঘমিত্রা।
প্রশ্ন:১০
কলিঙ্গ যুদ্ধের ঐতিহাসিক তাৎপর্য কী ?
উত্তর:
ঐতিহাসিক হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী বলেছেন, “বিম্বিসার অঙ্গরাজ্য জয় করে মগধের রাজ্য বিস্তারের যে সূচনা করেন, অশোকের কলিঙ্গ জয়ের দ্বারা তার সমাপ্তি ঘোষিত হয়।” অতঃপর অশোক ‘ভেরীঘোষের’ পরিবর্তে মানুষের অন্তর জয় ও ‘ধম্মঘোষ’ নীতি গ্রহণ করেন।
Comments
Post a Comment