দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
পদার্থবিদ্যা ও রসায়নের সাধারণ বিষয়
প্রশ্ন:১
উদ্বায়ী ও অনুদ্বায়ী তরল কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।
উত্তর:
উদ্বায়ী তরল—
যেসব তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম, সাধারণ উষ্ণতায় সেইসব তরল খুব তাড়াতাড়ি বাষ্পীভুত হয়। এই ধরনের তরলকে উদ্বায়ী তরল বলে। উদাহরণ—ইথার, পেট্রোল, কোরোসিন ইত্যাদি।
অনুদ্বায়ী তরল—
যেসব তরলের স্ফুটনাঙ্ক বেশি, সাধারণ উষ্ণতায় সেইসব তরল খুব ধীরমাত্রায় বাষ্পীভূত হয়, এই ধরনের তরলকে অনুদ্বায়ী তরল বলে। উদাহরণ—তেল, গ্লিসারিন, পারদ ইত্যাদি।
প্রশ্ন:২
ঊর্ধ্বাকাশের কুয়াশা কাকে বলে ?
উত্তর:
মেঘকে ঊর্ধ্বাকাশের কুয়াশা বলে।
প্রশ্ন:৩
পরিবেশদূষণ সৃষ্টি করবে না এমন দুটি অপ্রচলিত শক্তি উৎসের নাম করো।
উত্তর:
পরিবেশদূষণ সৃষ্টি করবে না এরূপ দুটি অপ্রচলিত শক্তি উৎস হল—বায়ু প্রবাহের শক্তি এবং সৌর শক্তি।
প্রশ্ন:৪
ইউটেকটিক উষ্ণতা কী ?
উত্তর:
যে উষ্ণতায় কোনো দ্রবণ থেকে দ্রাবক এবং দ্রাব পৃথক না হয়ে সমগ্র দ্রবণ একসঙ্গে জমে কঠিনে পরিণত হয়, সেই উষ্ণতাকে ইউটেকটিক উষ্ণতা বলে।
প্রশ্ন:৫
কখন শিশির পড়ে না ?
উত্তর:
বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা শিশিরাঙ্কের ওপরে থাকলে শিশির পড়ে না।
প্রশ্ন:৬
অতিশীতলীকরণ ও অতি-উষ্ণকরণ কী ?
উত্তর:
অতিশীতলীকরণ—
যে প্রক্রিয়ার দ্বারা কোনো তরল পদার্থকে কঠিনে পরিণত হতে না দিয়ে তার উষ্ণতাকে হিমাঙ্কের নীচে নামানো হয়, সেই প্রক্রিয়াকে অতিশীতলীকরণ বলে।
অতি-উষ্ণকরণ—
যে প্রক্রিয়ার দ্বারা কোনো তরল পদার্থকে ফুটতে না দিয়ে তার উষ্ণতাকে স্ফুটনাঙ্কের ওপরে ওঠানো হয়, সেই প্রক্রিয়াকে অতি-উষ্ণকরণ বলে।
প্রশ্ন:৭
বায়ুশূন্য স্থানে তরলের স্ফুটনাঙ্ক কীরূপ হয় ?
উত্তর:
বায়ুশূন্য স্থানে বায়ুচাপ না থাকায় তরল যে-কোনো উষ্ণতায় ফুটবে। (একই কারণে চাঁদে বায়ুচাপ থাকে না বলে যে-কোনো উষ্ণতাতেই জল ফুটবে)।
প্রশ্ন:৮
মেঘ ও কুয়াশার মধ্যে পার্থক্য কী ?
উত্তর:
মেঘ এবং কুয়াশার মধ্যে কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই। সাধারণ পার্থক্য হল—মেঘ ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে সৃষ্টি হয় এবং কুয়াশা সৃষ্টি হয় ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি স্থানে।
প্রশ্ন:৯
পেট্রোল ও গ্লিসারিনের মধ্যে কোন্টি বেশি উদ্বায়ী এবং কেন ?
উত্তর:
পেট্রোল ও গ্লিসারিনের মধ্যে পেট্রোল বেশি উদ্বায়ী। কারণ, পেট্রোল সাধারণ উষ্ণতায় দ্রুত বাষ্পে পরিণত হতে পারে, কিন্তু গ্লিসারিন পারে না।
প্রশ্ন:১০
অনবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস ও নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস কাকে বলে ?
উত্তর:
যেসব শক্তি উৎসের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে তাদের মজুত ভাণ্ডার কমে যাচ্ছে এবং তাদের ভাণ্ডার নতুন করে পূরণ করা সম্ভব নয় সেইসব শক্তি উৎসকে অনবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস বলে।
যেসব শক্তি উৎসকে বারবার ব্যবহার করা যায় ও যাদের ভাণ্ডার অফুরন্ত তাদের নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস বলে।
Comments
Post a Comment