Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 5

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে হলে ন্যূনতম কত বছর ভারতে বসবাস করতে হয়?  উত্তরঃ ৫ বছর। প্রশ্নঃ বর্তমানে ভারতীয় সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকার আছে?  উত্তরঃ  ৬টি

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

[VSQ] রসায়নবিদ্যা(পদার্থ, দ্রবণ, অক্সিজেন, অক্সাইড, অ্যাসিড, ক্ষারক এবং লবণ, জল, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন সালফাইড, কার্বন ও কার্বন ঘটিত জ্বালানি), সেট–৭

রসায়নবিদ্যা


প্রশ্ন:১
নাইট্রোজেন বন্ধন কাকে বলে ?

উত্তর: 
বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনকে বিভিন্ন উপায়ে (প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম) নাইট্রোজেনের কোনো যৌগে রূপান্তর করাকে নাইট্রোজেন বন্ধন বলে।


প্রশ্ন:২
দুটি গ্যাসীয় পদার্থের বিক্রিয়ায় একটি কঠিন পদার্থ উৎপন্ন হয়—এরূপ একটি বিক্রিয়ার উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
অ্যামোনিয়া এবং হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস দুটি বিক্রিয়া করে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের ঘন সাদা ধোঁয়ার সৃষ্টি করে। এই ধোঁয়া কঠিন অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের সূক্ষ্ম কণা।
NH3+HCl=NH4Cl.


প্রশ্ন:৩
বায়ুতে আয়তন হিসেবে শতকরা কত ভাগ নাইট্রোজেন আছে ?

উত্তর: 
বায়ুতে আয়তন হিসেবে শতকরা প্রায় 78 ভাগ নাইট্রোজেন বর্তমান।

প্রশ্ন:৪
অ্যামোনিয়া থেকে উৎপন্ন একটি অজৈব ও জৈব সারের নাম ও সংকেত লেখো।

উত্তর: 
অ্যামোনিয়া থেকে উৎপন্ন একটি অজৈব সার হল অ্যামোনিয়াম সালফেট। সংকেত হল (NH4)2SO4।
অ্যামোনিয়া থেকে উৎপন্ন একটি জৈব সার হল ইউরিয়া। এর সংকেত হল CO (NH2)2।


প্রশ্ন:৫
জলে নাইট্রোজেনের দ্রাব্যতা কীরূপ ?

উত্তর: 
জলে নাইট্রোজেনের দ্রাব্যতা খুব কম। NTP-তে 1 L জলে 23.5cm³ নাইট্রোজেন গ্যাস দ্রবীভূত হয়।


প্রশ্ন:৬
অ্যামোনিয়া গ্যাসের গন্ধ কীরূপ ?

উত্তর: 
অ্যামোনিয়া তীব্র ঝাঁজালো গন্ধবিশিষ্ট গ্যাস। 


প্রশ্ন:৭
নাইট্রোলিম কাকে বলে ? এটি কী কাজে লাগে ?

উত্তর: 
ক্যালশিয়াম সায়নামাইড ও কার্বনের ধূসর বর্ণের মিশ্রণকে নাইট্রোলিম বলে। এটি রাসায়নিক সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।


প্রশ্ন:৮
অ্যামোনিয়া গ্যাসের নিরুদকটির নাম লেখো।

উত্তর: 
অ্যামোনিয়া গ্যাসের নিরুদকটি হল পোড়াচুন (CaO)।


প্রশ্ন:৯
জলে দ্রাব্য একটি গ্যাসের নাম লেখো।

উত্তর: 
জলে দ্রাব্য (অতি দ্রাব্য) একটি গ্যাস হল অ্যামোনিয়া।


প্রশ্ন:১০
নাইট্রোজেনঘটিত দুটি সারের নাম লেখো।

উত্তর: 
অ্যামোনিয়াম সালফেট, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

[MCQ]।।ভারতের ইতিহাস।।ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.)।। সেট ১

  ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.) 👉প্রশ্ন:১ অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়— (a) ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে (b) ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে (c) ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে (d) ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল            আর্দ্রবায়ু পাহাড়ে বাধা পেয়ে প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত করার পর তাতে আর জলীয় বাষ্প থাকে না। জলীয়বাষ্পহীন ওই শুকনো বাতাস পাহাড় অতিক্রম করে পাহাড়ের অপর দিকে (অনুবাত ঢালে) গেলে সেখানে আর বৃষ্টিপাত হয় না। পাহাড়ের বায়ুমুখী ঢালের বিপরীত দিকের প্রায় বৃষ্টিহীন অনুবাত ঢালকে “বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল” বলা হয়।

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...