Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

[VSQ] পদার্থবিদ্যা (তাপ, প্রবাহী তড়িৎ ও তড়িৎচুম্বকত্ব, আধুনিক পদার্থবিদ্যা), সেট–৮

পদার্থবিদ্যা (তাপ, প্রবাহী তড়িৎ ও তড়িৎচুম্বকত্ব, আধুনিক পদার্থবিদ্যা)


প্রশ্ন:১
α-রশ্মি ও γ-রশ্মির মধ্যে মূল পার্থক্য কী ?

উত্তর: 
α-রশ্মি 2 একক ধনাত্মক আধানবিশিষ্ট অতিক্ষুদ্র কণার স্রোত। γ-রশ্মি হল ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। এই রশ্মি ভর ও আধানবিহীন।


প্রশ্ন:২
X-রশ্মি ও γ-রশ্মির মধ্যে বৈসাদৃশ্য কী ?

উত্তর: 
(a) X-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য অপেক্ষা γ-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম।  
(b) X-রশ্মির অপেক্ষা γ-রশ্মির ভেদনক্ষমতা বেশি।
(c) পদার্থকে উচ্চ গতিবেগসম্পন্ন ইলেকট্রন দ্বারা আঘাত করলে X-রশ্মি নির্গত হয়। কিন্তু γ-রশ্মি নির্গত হয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় বিভাজনের সময়।


প্রশ্ন:৩
α, β ও γ রশ্মির মধ্যে ভেদনক্ষমতার তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর: 
γ-রশ্মির ভেদনক্ষমতা > β-রশ্মির ভেদনক্ষমতা > α-রশ্মির ভেদনক্ষমতা।

প্রশ্ন:৪
নিউক্লিয় বিভাজন কীভাবে ধ্বংসের কাজে ব্যবহৃত হয় ?

উত্তর: 
নিউক্লিয় বিভাজন প্রক্রিয়া পরমাণু বোমা তৈরিতে কাজে লাগানো হয়। পরমাণু বোমা ধ্বংসের প্রতীক। বর্তমানে নিউক্লিয় সংযোজন বিক্রিয়া দ্বারা হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়েছে, যা পরমাণু বোমার চেয়ে অনেক গুণ বেশি ধ্বংসাত্মক।


প্রশ্ন:৫
তেজস্ক্রিয় রশ্মিগুলির মধ্যে কার ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি ?

উত্তর: 
তেজস্ক্রিয় রশ্মিগুলির মধ্যে γ-রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।


প্রশ্ন:৬
তেজস্ক্রিয় দূষণের দুটি উৎসের উল্লেখ করো।

উত্তর: 
পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্রে জমা তেজস্ক্রিয় বর্জ্যপদার্থ এবং শিল্প ও চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহৃত তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ তেজস্ক্রিয় দূষণের উৎস।


প্রশ্ন:৭
α, β ও γ রশ্মির মধ্যে আয়নন ক্ষমতার তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর: 
α-রশ্মির আয়নন ক্ষমতা > β-রশ্মির আয়নন ক্ষমতা > γ-রশ্মির আয়নন ক্ষমতা।


প্রশ্ন:৮
X-রশ্মি অপেক্ষা γ-রশ্মির মধ্যে কার ভেদনক্ষমতা বেশি ?

উত্তর: 
X-রশ্মি অপেক্ষা γ-রশ্মির ভেদনক্ষমতা প্রায় 100 গুণ বেশি।


প্রশ্ন:৯
X-রশ্মি ও γ-রশ্মির মধ্যে সাদৃশ্য কী ?

উত্তর: 
(a) X-রশ্মি ও γ-রশ্মি উভয়েই তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
(b) উভয়েরই কোনো ভর ও আধান নেই ।
(c) উভয়ের বেগ আলোর গতিবেগের সমান। শূন্য মাধ্যমে এই বেগ 3×10¹⁰ cm.s-¹। 
(d) উভয়েই তড়িৎক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
(e) উভয়েই ফোটোগ্রাফিক প্লেটকে নষ্ট করে, গ্যাসের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় গ্যাসকে আয়নিত করে এবং কয়েকটি বিশেষ পদার্থে তৈরি পর্দায় আপতিত হলে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।


প্রশ্ন:১০
তেজস্ক্রিয় রশ্মিগুলির মধ্যে কার আয়নন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি ?

উত্তর: 
তেজস্ক্রিয় রশ্মিগুলির মধ্যে α-রশ্মির আয়নন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 23

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ মূল সংবিধানে আঞ্চলিক ভাষা হিসাবে কতগুলি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল—   উত্তরঃ  ১৪টি। প্রশ্নঃ ভারতের কোন রাজ্যের পৃথক সংবিধান আছে—   উত্তরঃ  জম্মু ও কাশ্মীর। (দ্রষ্টব্য: ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর এটি এখন আর প্রযোজ্য নয়) প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানের প্রথম সংশোধনীটি ছিল—   উত্তরঃ  ভূমি সংস্কার সংক্রান্ত।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 16

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে লোকসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  লোকসভার অধ্যক্ষ কর্তৃক মনোনীত কোন সদস্য। প্রশ্নঃ বিধান পরিষদের মেয়াদ হল —  উত্তরঃ   অসীম (বা স্থায়ী কক্ষ)। প্রশ্নঃ প্রোটেম স্পিকারের কাজ হল—   উত্তরঃ  সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো এবং অধ্যক্ষ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করা।

[MCQ]Geography।।নীলনদ।।সেট ২।।solve.org.in

নীলনদ প্রশ্ন:১ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হ্রদ অঞ্চলের বৃহত্তম বন্দর হল : (a) শিকাগাে (b) ডেট্রয়েট (c) বাফেলাে