Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

[VSQ] পদার্থবিদ্যা ও রসায়নের সাধারণ বিষয়, সেট–৭

পদার্থবিদ্যা ও রসায়নের সাধারণ বিষয়


প্রশ্ন:১
সৌর শক্তির রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করে। এক্ষেত্রে সৌর শক্তি রাসায়নিক শক্তিরূপে খাদ্যে সঞ্চিত হয়। অর্থাৎ এখানে সৌর শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।


প্রশ্ন:২
পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণে উৎপন্ন শক্তির উৎস কী ? এক্ষেত্রে শক্তির নিত্যতা সূত্রের পরিবর্তিত রূপ কী হয় ?

উত্তর: 
পারমাণবিক বোমায় ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের মতো ভারী মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে ধীর গতির নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে যে নতুন মৌলগুলি উৎপন্ন হয়, তাদের ভর বিক্রিয়ক মৌলের ভরের চেয়ে কিছু কম হয়।
এই হ্রাসপ্রাপ্ত ভর E=mc² সূত্রানুযায়ী বিরাট শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
এক্ষেত্রে শক্তির নিত্যতা সূত্রের পরিবর্তিত রূপ হল—এই বিশ্বে ভর ও শক্তির মোট পরিমাণ ধ্রুবক। ভরকে শক্তিতে এবং শক্তিকে ভরে রূপান্তর করা যায়। একে ভর-শক্তির নিত্যতা সূত্র বলে।


প্রশ্ন:৩
ঘড়িতে দম দিলে ঘড়িটি চলতে শুরু করে—এতে কোন্ শক্তি কোন্ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ?

উত্তর: 
স্থিতি শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

প্রশ্ন:৪
অচিরাচরিত শক্তি উৎস বলতে কী বোঝ ?

উত্তর: 
যে সমস্ত শক্তি উৎসকে মানুষ বহু প্রাচীনকাল থেকে আজও কাজে লাগাচ্ছে তাদের চিরাচরিত শক্তি উৎস বলে। কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস হল এরূপ প্রচলিত বা চিরাচরিত শক্তি উৎস। অপরপক্ষে, যে সমস্ত শক্তি উৎস থেকে আজও ব্যাপকভাবে শক্তি সংগ্রহ করা হয় না, অর্থাৎ যে সমস্ত শক্তি আজও বহুল প্রচলিত নয় তাদের অচিরাচরিত বা অপ্রচলিত শক্তি উৎস বলে। বায়ু প্রবাহের শক্তি, জোয়ারভাটার শক্তি, সৌর শক্তি, বায়োগ্যাস প্রভৃতি হল অচিরাচরিত শক্তি উৎস।


প্রশ্ন:৫
টর্চের ব্যাটারির শক্তি শেষ হয়ে যাওয়াতে টর্চের বাল্বও আর জ্বলছে না। এক্ষেত্রে কি শক্তির সংরক্ষণ হল ? বুঝিয়ে বলো।

উত্তর: 
এক্ষেত্রে শক্তির সংরক্ষণ সূত্র লঙ্ঘিত হয় না। কারণ, টর্চের ব্যাটারিতে যে পরিমাণ রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, টর্চের ব্যাটারি শেষ হওয়ার ফলে সেই পরিমাণ তড়িৎ শক্তি তাপ এবং আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।


প্রশ্ন:৬
বাঁধের জলে কোন্ শক্তি সঞ্চিত থাকে ? ওই জল যখন নীচে নামে তখন ওই শক্তির কীরূপ রূপান্তর হয় ?

উত্তর: 
বাঁধের জলে স্থিতি শক্তি সঞ্চিত থাকে। ওই জল যখন নীচে নামে তখন জলের স্থিতি শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।


প্রশ্ন:৭
সূর্যই ট্রেন চালাচ্ছে—একথা কি আমরা বলতে পারি ?

উত্তর: 
কয়লা, তেল এবং বিদ্যুৎশক্তির দ্বারা ট্রেন চলে। এই সমস্ত জ্বালানি ও বিদ্যুৎশক্তির মূল উৎস হল সূর্য। তাই পরোক্ষভাবে বলা যেতে পারে, সূর্যই ট্রেন চালাচ্ছে।


প্রশ্ন:৮
চুনের মধ্যে জল ঢালা হলে কোন্ শক্তি কোন্ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ?

উত্তর: 
চুনের মধ্যে জল ঢাললে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।


প্রশ্ন:৯
সূর্য পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলেও কোন্ কোন্ শক্তি সূর্য থেকে আসে না ?

উত্তর: 
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপ শক্তি এবং পারমাণবিক শক্তি সূর্য থেকে আসে না।


প্রশ্ন:১০
দৈনন্দিন জীবনে শক্তির সংরক্ষণের একটি উপায়ের উল্লেখ করো।

উত্তর: 
সঞ্চয়ক কোশকে চার্জ করে তার থেকে প্রয়োজনমতো তড়িৎ পাওয়া যায়। অর্থাৎ সঞ্চয়ক কোশে শক্তি সংরক্ষিত থাকে। দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনমতো আমরা তা ব্যবহার করতে পারি।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান, সেট-১০

উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান প্রশ্ন:১ বালব্ বা কন্দ কাকে বলে ? উত্তর:  যে সব মৃদগত কাণ্ড সর্বাপেক্ষা ছােটো চাকতির মতাে এবং সঞ্চিত খাদ্যবিহীন, কাণ্ডে পর্ব ও সংকুচিত পর্বমধ্য থাকে এবং রসালাে শল্কপত্রযুক্ত হয়, কাণ্ডের নীচে অসংখ্য গুচ্ছমূল থাকে এবং অনুকূল ঋতুতে ভৌমপুষ্পদণ্ড সৃষ্টি হয়, তাদের বালব্ বা কন্দ বলে। পেয়াজ, রসুন ইত্যাদির কাণ্ড এই রকমের। প্রশ্ন:২ পর্ণকাণ্ড বা ফাইলােক্ল্যাড কাকে বলে ? উত্তর:  যেসব কাণ্ড খর্ব, স্থূল, রসালাে এবং পাতার মতাে চ্যাপটা ও সবুজ, তাদের পর্ণকাণ্ড বলে। ফণীমনসা উদ্ভিদে পর্ণকাণ্ড দেখা যায়।

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন(The Evolution of Indian Civilization)

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন: প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক যাত্রা           ভারতীয় সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং নিরন্তর প্রবাহমান সভ্যতা। এর বিবর্তন একটি বিশাল মহাকাব্যিক যাত্রা, যা প্রায় দশ হাজার বছর ধরে বহু যুগ, সংস্কৃতি, ধর্ম, সাম্রাজ্য এবং মতাদর্শের উত্থান-পতনের সাক্ষী। এই বিবর্তন শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, প্রযুক্তি, শিল্পকলা, দর্শন এবং আধ্যাত্মিক চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তরকেও নির্দেশ করে।

সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু এবং সামান্য ঢালযুক্ত বিস্তৃত সমতল ক্ষেত্রকে সমভূমি বলে। তবে পৃথিবীর অধিকাংশ সমভূমিই সমুদ্র সমতল থেকে ৩০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থান করে। সমভূমির বৈশিষ্ট্য—

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

লোয়েস সমভূমি

লোয়েস সমভূমি                   বায়ুর পরিবহনও অবক্ষেপণের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল লোয়েস সমভূমি। ‘লোয়েস’ কথাটির অর্থ ‘স্থানচ্যুত বস্তু’ বায়ুপ্রবাহিত অতিসূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা বা মৃত্তিকা ‘লোয়েস’ নামে পরিচিত। ০.০৫ মিলিমিটার ব্যাসের সূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা প্রভৃতি বায়ুর সঙ্গে বহুদূর উড়ে যেতে পারে। অতিসূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা বা মৃত্তিকা বায়ুর দ্বারা পরিবাহিত হয়ে কোনো নীচু স্থানে জমা হয়ে যে সমভূমি গঠন করে তাকে লোয়েস সমভূমি বলে। কখনও কখনও মরুভূমির বালি বায়ু দ্বারা অপসারিত হয়ে পার্শ্ববর্তী কোনো উর্বর কৃষিভূমিকে ক্রমশ ঢেকে ফেলে জমিটির উর্বরতা শক্তি নষ্ট করে দেয় এবং ধীরে ধীরে কৃষিভূমিটিকে মরুভূমি গ্রাস করে ফেলে।

গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্রিনহাউস প্রভাব

গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্রিনহাউস প্রভাব          গ্রিনহাউস প্রভাব হল দূষিত পরিবেশের অন্যতম ফল। বায়ুমণ্ডলে মূলত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধির জন্য পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঘটনাকে গ্রিনহাউস প্রভাব বলে। কাচঘরের কাচ যেমন ঘরের ভিতরের তাপকে বিকিরিত হয়ে বাইরে নির্গত হতে বাধা দেয়, বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাসগুলিও পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপকে শোষণ করে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। এই ঘটনাটিকেই গ্রিনহাউস এফেক্ট বা সবুজ ঘর প্রভাব বলে।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—