Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

[SAQ]ভারত ইতিহাসের ভৌগলিক উপাদান ও তার প্রভাব, সেট–২

ভারত ইতিহাসের ভৌগলিক উপাদান ও তার প্রভাব


প্রশ্ন:১
ভারতবর্ষকে ‘হিমালয়ের দান’ বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
ভারতবর্ষকে হিমালয়ের দান বলার কারণ— 
(i) যুগ যুগ ধরে হিমালয় পর্বতমালা বিদেশি আক্রমণ থেকে ভারতবর্ষকে রক্ষা করেছে। 
(ii) হিমালয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে মৌসুমি বায়ু বৃষ্টিরূপে ভারতকে সুজলা-সুফলা শস্যশ্যামলা করেছে। 
(iii) হিমালয়ের বুকে গড়ে ওঠা পর্যটনকেন্দ্র ও বাগিচা ক্ষেত্রগুলি ভারতের আর্থিক সমৃদ্ধি এনেছে।


প্রশ্ন:২
প্রাচীন ভারত-ইতিহাস রচনার উপাদানগুলিকে প্রধানত কটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে ? ভাগগুলির নাম লেখো।

উত্তর: 
প্রাচীন ভারত-ইতিহাস রচনার উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ভাগদুটি হল—
(i) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান যথ— শিলালিপি, মুদ্রা, স্থাপত্য-ভাস্কর্য, সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ এবং 
(ii) সাহিত্য-উপাদান যথা—
(a) দেশজ সাহিত্য—ধর্মশাস্ত্র, বৈদিক সাহিত্য, মহাকাব্য, জীবনচরিত, বৌদ্ধ সাহিত্য ইত্যাদি।
(b) বিদেশি পর্যটকদের বিবরণ—গ্রিক-রোমান পর্যটকদের বিবরণ, চৈনিক পর্যটকদের বিবরণ, অন্যান্য ঐতিহাসিকদের বিবরণ।

প্রশ্ন:৩
ভারতবর্ষ নামের উৎপত্তি হয়েছে কীভাবে ?

উত্তর:
ভারতবর্ষ নামের উৎপত্তি বিষয়ে দুটি মত আছে। বিষ্ণুপুরাণ অনুযায়ী—(i) ভরত রাজার নাম থেকে ভারতবর্ষ নামের উৎপত্তি হয়েছে। ড. রামশরণ শর্মা বলেন—(ii) ভরত উপজাতির নামানুসারে ভারতবর্ষ নামের উৎপত্তি হয়েছে।


প্রশ্ন:৪
কে ভারতবর্ষকে ‘নৃতত্ত্বের জাদুঘর’ বলে অভিহিত করেছেন ? নৃতাত্ত্বিক গঠন অনুসারে ভারতের দুটি জনগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করো।

উত্তর: 
ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ ভারতবর্ষকে ‘নৃতত্ত্বের জাদুঘর’ বলে অভিহিত করেছেন। নৃতাত্ত্বিক গঠন অনুসারে ভারতের দুটি জনগোষ্ঠীর নাম হল—(i) দ্রাবিড় ও (ii) আর্য।


প্রশ্ন:৫
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী প্রাচীন কালে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ভারত ও পশ্চিম ভারত অংশের যে নামকরণ করা হয়েছিল তা উল্লেখ করো।

উত্তর: 
উত্তর-পশ্চিম ভারতের প্রাচীন নাম—মধ্যদেশ।
পশ্চিম ভারতের প্রাচীন নাম—প্রতীচ্য বা অপরান্ত।


প্রশ্ন:৬
ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝায় ?

উত্তর: 
ইতিহাস রচনা করার জন্য যেসব সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তাদের ইতিহাসের উপাদান বলা হয়। শিলালিপি, মুদ্রা, স্থাপত্য-ভাস্কর্য, সাহিত্য প্রভৃতি হল ইতিহাসের উপাদান।


প্রশ্ন:৭
কোন্ ঐতিহাসিক ভারতবর্ষকে ‘পৃথিবীর সারাংশ’ বলেছেন ? ভারতীয় সভ্যতার মূল সুরটি কী ?

উত্তর: 
ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ ভারতবর্ষকে ‘পৃথিবীর সারাংশ’ বলেছেন। ভারতীয় সভ্যতার মূল সুরটি হল ‘বৈচিত্র্য নয় ঐক্য’, ‘বিভেদ নয় সংহতি’।


প্রশ্ন:৮
উত্তর-পশ্চিম ভারতের দুটি পার্বত্য প্রবেশপথের নাম উল্লেখ করো। এগুলি ভারতের ইতিহাসকে কীভাবে প্রভাবিত করে ?

উত্তর: 
উত্তর-পশ্চিম ভারতের দুটি পার্বত্য প্রবেশপথের নাম হল—
(i) খাইবার ও 
(ii) বোলান।
এই পথগুলি দিয়ে গ্রিক, কুষাণ, হূণ, তুর্কি প্রভৃতি জাতি, সেই সঙ্গে তাদের সভ্যতা-সংস্কৃতি ভারতে এসেছে। আবার এই পথগুলি দিয়েই ভারতের সঙ্গে বহির্বিশ্বের রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে।


প্রশ্ন:৯
ভারতবর্ষের ইতিহাসে বিন্ধ্য পর্বতের প্রভাব কী ছিল ?

উত্তর: 
বিন্ধ্য পর্বতের জন্য দক্ষিণ ভারতে স্বতন্ত্র দ্রাবিড় সভ্যতার বিকাশ ঘটেছে। বিন্ধ্য পর্বত বৈদেশিক আক্রমণ থেকে দক্ষিণ ভারতকে রক্ষা করেছে।


প্রশ্ন:১০
ভারতবর্ষকে ‘উপমহাদেশ’ বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
উত্তর ভারতবর্ষ হল একটি উপদ্বীপ। উত্তর-দক্ষিণে ভারতের দৈর্ঘ্য ৩২১৪ কিমি; পূর্ব-পশ্চিমে ২৯৩৩ কিমি এবং মোট আয়তন ৩২,৮৭,২৬৩ বর্গকিমি। ভারতবর্ষের আয়তন এবং ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, ভাষাগত ও জাতিগত বৈচিত্র্য একটি মহাদেশের মতো বলেই একে ‘উপমহাদেশ’ বলা হয়।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[MCQ]রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা।।সেট ৬

রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা ⮞ ⮞ ⮞ ⮞ প্রশ্ন:১ রামায়ণে কয়টি জনপদের উল্লেখ আছে ? (a) ১৬ টি (b) ১৮ টি (c) ২৫ টি (d) ২৭ টি

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...