Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 11

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ মন্ত্রিসভার কাছে যৌথভাবে দায়বদ্ধ থাকে—   উত্তরঃ  লোকসভা। প্রশ্নঃ প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের সদস্যরা সকলেই কোন কাউন্সিলের সদস্য? উত্তরঃ  ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট কাউন্সিল। প্রশ্নঃ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে কে সভাপতিত্ব করেন? উত্তরঃ  প্রধানমন্ত্রী।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

[SAQ] ইতিহাস-ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন, সেট–২

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন


প্রশ্ন:১
বৌদ্ধধর্মে ‘নির্বাণ’ বলতে কী বোঝায় ?

উত্তর: 
নির্বাণ শব্দের অর্থ ‘মোক্ষলাভ’। বৌদ্ধধর্মের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে দুঃখকষ্টের হাত থেকে মুক্তির পথ দেখানো। গৌতম বুদ্ধের মতে, মানুষ অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুসরণ করলেই জন্মান্তর থেকে অর্থাৎ দুঃখকষ্টের হাত থেকে মুক্তি লাভ করবে বা নির্বাণ লাভ করবে।


প্রশ্ন:২
মহাবীর ও গৌতম বুদ্ধ কোথায় দেহত্যাগ করেন ?

উত্তর: 
মহাবীর পাবা নগরীতে দেহত্যাগ করেন।
গৌতম বুদ্ধ কুশি নগরে দেহত্যাগ করেন।


প্রশ্ন:৩
‘সিদ্ধ শিলা’ কী ?

উত্তর: 
মহাবীরের মতে, সত্য বিশ্বাস, সত্য জ্ঞান এবং সত্যকে উপলব্ধি—এই ত্রিরত্নের সাহায্যে পরমশুদ্ধ আনন্দ বা আত্মার মুক্তিলাভ সম্ভব। একে ‘সিদ্ধ শিলা’ বলা হয়।


প্রশ্ন:৪
বৌদ্ধধর্মের মূল কথা কী ?

উত্তর: 
বৌদ্ধধর্মের মূল কথা হল— ‘অষ্টাঙ্গিক মার্গ’ ও ‘মঝ্ঝিম পন্থা’ অনুসরণের দ্বারা কর্মফল ও জন্মান্তরের বন্ধন থেকে নির্বাণ লাভ।


প্রশ্ন:৫
আর্যসত্য কী ?

উত্তর: 
বুদ্ধদেব দুঃখ থেকে মুক্তির জন্য যে চারটি সত্যকে উপলব্ধি করতে বলেছিলেন তা আর্যসত্য নামে পরিচিত। 
এই চারটি সত্য হল—
(i) জগতে দুঃখ আছে, 
(ii) দুঃখের কারণ আছে, 
(iii) দুঃখের নিবৃত্তি সম্ভব, 
(iv) দুঃখ নিবৃত্তির নির্দিষ্ট পথ (মার্গ) আছে।


প্রশ্ন:৬
জৈনধর্মের মূল কথা লেখো।

উত্তর: 
জৈনধর্মের মূল কথা হল— ‘পঞ্চমহাব্রত’ পালন ও কৃচ্ছ্র সাধনের দ্বারা কর্মফল ও জন্মান্তরের বন্ধন থেকে মুক্তি লাভ।


প্রশ্ন:৭
গৌতম বুদ্ধ ও মহাবীর কোন্ বংশে জন্মগ্রহণ করেন ?

উত্তর: 
গৌতম বুদ্ধ শাক্য বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
মহাবীর জ্ঞাতৃক বংশে জন্মগ্রহণ করেন।


প্রশ্ন:৮
অষ্টাঙ্গিক মার্গ কী ?

উত্তর: 
নির্বাণ লাভের উপায় হিসেবে গৌতম বুদ্ধ তাঁর অনুগামীদের আটটি মার্গ বা পথ অনুসরণের উপদেশ দিয়েছিলেন; এই আটটি পথ একত্রে অষ্টাঙ্গিক মার্গ নামে পরিচিত। এগুলি হল—(i) সৎ দৃষ্টি, (ii) সৎ সংকল্প, (iii) সৎ বাক্য, (iv) সৎ কর্ম, (v) সৎ জীবিকা, (vi) সৎ প্রচেষ্টা, (vii) সৎ স্মৃতি ও (viii) সৎ সমাধি।


প্রশ্ন:৯
‘মঝ্ঝিম পন্থা’ কী ?

উত্তর: 
গৌতম বুদ্ধের মতে, চরম ভোগবিলাস ও চরম কৃচ্ছ্রসাধন, এই দুই পন্থাই আত্মার উন্নতিতে বিঘ্ন ঘটায়। তাই এই দুটি চরম পন্থা পরিত্যাগ করে মানুষকে যে মধ্যপন্থা অনুসরণের নির্দেশ তিনি দিয়েছেন তাকে ‘মঝ্ঝিম পন্থা’ বলা হয়।


প্রশ্ন:১০
ত্রিরত্ন কী কী ?

উত্তর: 
জৈন, বৌদ্ধ উভয় ধর্মেই ত্রিরত্নের কথা বলা হয়েছে। জৈনধর্মে ত্রিরত্ন হল—(i) সৎ-বিশ্বাস, (ii) সৎ-জ্ঞান, (iii) সৎ-আচরণ। মহাবীর জন্মান্তর ও কর্মফলের হাত থেকে মুক্তি পেতে এই ত্রিরত্ন পালনের উপদেশ দিয়েছিলেন। বৌদ্ধ ধর্মে ত্রিরত্ন হল—বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘ।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক

গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক           গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অগভীর মগ্নচড়া। এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক মৎস্যশিকার ক্ষেত্র। নিউফাউন্ডল্যান্ড দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে বিশাল মহীসোপান অঞ্চলে গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক মগ্নচড়াটির অবস্থান। গ্র্যান্ড ব্যাঙ্কের ওপর জলের গভীরতা ৯০ মিটারের কম এবং এর আয়তন প্রায় ৩৭ হাজার বর্গকিমি। সুমেরু অঞ্চল থেকে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের সঙ্গে আগত হিমশৈলগুলি প্রচুর পরিমাণ নুড়ি, কাঁকর, বালি, পলি, পাথর বহন করে আনে। নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত, উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের সঙ্গে মিলিত হলে হিমশৈলগুলি গলে যায়। হিমশৈলবাহিত পদার্থগুলি সমুদ্রবক্ষে সঞ্চিত হয়ে গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক নামে অগভীর মগ্নচড়ার সৃষ্টি করেছে। উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনের ফলে এখানে মাছের খাদ্য প্ল্যাংকটন প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। প্ল্যাংকটনের আকর্ষণে গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ককে কেন্দ্র করে নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে প্রচুর মাছের সমাগম ঘটে। তাই, এই অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

মৌসুমি স্রোত

মৌসুমি স্রোত                 ভারত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত প্রধানত মৌসুমি বায়ুর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় বলে এই অংশের সমুদ্রস্রোতকে মৌসুমি স্রোত বলা হয়। গ্রীষ্মকাল ও শীতকালে যথাক্রমে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এবং উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় ওই অংশের সমুদ্রস্রোতগুলি ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে। প্রবাহের দিক অনুসারে মৌসুমি স্রোত তাই দুই প্রকার— দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি স্রোত ও উত্তর-পূর্ব মৌসুমি স্রোত। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আরবসাগর থেকে বঙ্গোপসাগরের দিকে প্রবাহিত স্রোতকে বলা হয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি স্রোত। এই স্রোত পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সুমাত্রা দ্বীপের পাশ দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে জাপান স্রোতের সঙ্গে মিলিত হয়। আবার, শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে আরবসাগরের দিকে প্রবাহিত স্রোত উত্তর-পূর্ব মৌসুমি স্রোত নামে পরিচিত। এই স্রোত দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে নিরক্ষীয় স্রোতের সঙ্গে মিলিত হয় হয়।

হিমপ্রাচীর

হিমপ্রাচীর            উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে সুমেরু অঞ্চল থেকে আগত লাব্রাডর স্রোতের শীতল ও গাঢ় সবুজ রঙের জল এবং উপসাগরীয় স্রোতের উষ্ণ ও গাঢ় নীল জল বেশ কিছু দূর পর্যন্ত পাশাপাশি কিন্তু বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এই দুই বিপরীতমুখী স্রোতের মাঝে একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা স্পষ্ট দেখা যায়, এই সীমারেখা হিমপ্রাচীর হিসেবে পরিচিত।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...