পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন
প্রশ্ন:১
বৌদ্ধধর্মে ‘নির্বাণ’ বলতে কী বোঝায় ?
উত্তর:
নির্বাণ শব্দের অর্থ ‘মোক্ষলাভ’। বৌদ্ধধর্মের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে দুঃখকষ্টের হাত থেকে মুক্তির পথ দেখানো। গৌতম বুদ্ধের মতে, মানুষ অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুসরণ করলেই জন্মান্তর থেকে অর্থাৎ দুঃখকষ্টের হাত থেকে মুক্তি লাভ করবে বা নির্বাণ লাভ করবে।
প্রশ্ন:২
মহাবীর ও গৌতম বুদ্ধ কোথায় দেহত্যাগ করেন ?
উত্তর:
মহাবীর পাবা নগরীতে দেহত্যাগ করেন।
গৌতম বুদ্ধ কুশি নগরে দেহত্যাগ করেন।
প্রশ্ন:৩
‘সিদ্ধ শিলা’ কী ?
উত্তর:
মহাবীরের মতে, সত্য বিশ্বাস, সত্য জ্ঞান এবং সত্যকে উপলব্ধি—এই ত্রিরত্নের সাহায্যে পরমশুদ্ধ আনন্দ বা আত্মার মুক্তিলাভ সম্ভব। একে ‘সিদ্ধ শিলা’ বলা হয়।
প্রশ্ন:৪
বৌদ্ধধর্মের মূল কথা কী ?
উত্তর:
বৌদ্ধধর্মের মূল কথা হল— ‘অষ্টাঙ্গিক মার্গ’ ও ‘মঝ্ঝিম পন্থা’ অনুসরণের দ্বারা কর্মফল ও জন্মান্তরের বন্ধন থেকে নির্বাণ লাভ।
প্রশ্ন:৫
আর্যসত্য কী ?
উত্তর:
বুদ্ধদেব দুঃখ থেকে মুক্তির জন্য যে চারটি সত্যকে উপলব্ধি করতে বলেছিলেন তা আর্যসত্য নামে পরিচিত।
এই চারটি সত্য হল—
(i) জগতে দুঃখ আছে,
(ii) দুঃখের কারণ আছে,
(iii) দুঃখের নিবৃত্তি সম্ভব,
(iv) দুঃখ নিবৃত্তির নির্দিষ্ট পথ (মার্গ) আছে।
প্রশ্ন:৬
জৈনধর্মের মূল কথা লেখো।
উত্তর:
জৈনধর্মের মূল কথা হল— ‘পঞ্চমহাব্রত’ পালন ও কৃচ্ছ্র সাধনের দ্বারা কর্মফল ও জন্মান্তরের বন্ধন থেকে মুক্তি লাভ।
প্রশ্ন:৭
গৌতম বুদ্ধ ও মহাবীর কোন্ বংশে জন্মগ্রহণ করেন ?
উত্তর:
গৌতম বুদ্ধ শাক্য বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
মহাবীর জ্ঞাতৃক বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন:৮
অষ্টাঙ্গিক মার্গ কী ?
উত্তর:
নির্বাণ লাভের উপায় হিসেবে গৌতম বুদ্ধ তাঁর অনুগামীদের আটটি মার্গ বা পথ অনুসরণের উপদেশ দিয়েছিলেন; এই আটটি পথ একত্রে অষ্টাঙ্গিক মার্গ নামে পরিচিত। এগুলি হল—(i) সৎ দৃষ্টি, (ii) সৎ সংকল্প, (iii) সৎ বাক্য, (iv) সৎ কর্ম, (v) সৎ জীবিকা, (vi) সৎ প্রচেষ্টা, (vii) সৎ স্মৃতি ও (viii) সৎ সমাধি।
প্রশ্ন:৯
‘মঝ্ঝিম পন্থা’ কী ?
উত্তর:
গৌতম বুদ্ধের মতে, চরম ভোগবিলাস ও চরম কৃচ্ছ্রসাধন, এই দুই পন্থাই আত্মার উন্নতিতে বিঘ্ন ঘটায়। তাই এই দুটি চরম পন্থা পরিত্যাগ করে মানুষকে যে মধ্যপন্থা অনুসরণের নির্দেশ তিনি দিয়েছেন তাকে ‘মঝ্ঝিম পন্থা’ বলা হয়।
প্রশ্ন:১০
ত্রিরত্ন কী কী ?
উত্তর:
জৈন, বৌদ্ধ উভয় ধর্মেই ত্রিরত্নের কথা বলা হয়েছে। জৈনধর্মে ত্রিরত্ন হল—(i) সৎ-বিশ্বাস, (ii) সৎ-জ্ঞান, (iii) সৎ-আচরণ। মহাবীর জন্মান্তর ও কর্মফলের হাত থেকে মুক্তি পেতে এই ত্রিরত্ন পালনের উপদেশ দিয়েছিলেন। বৌদ্ধ ধর্মে ত্রিরত্ন হল—বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘ।
Comments
Post a Comment