Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

[SAQ] ইতিহাস-ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন, সেট–৩

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন


প্রশ্ন:১
হরপ্পা সভ্যতার কয়েকটি প্রধান কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করো।

উত্তর: 
হরপ্পা সভ্যতার কয়েকটি প্রধান কেন্দ্র হল—(i) হরপ্পা, (ii) মহেন-জো-দারো, (iii) আলমগীরপুর (উত্তরপ্রদেশ), (iv) কালিবঙ্গান (রাজস্থান), (v) লোথাল (গুজরাট), (vi) রূপার (হরিয়ানা), (vii) সুতকাজেন-দোর ইত্যাদি।


প্রশ্ন:২
হরপ্পা ও মহেন-জো-দারো কোথায় অবস্থিত ?

উত্তর: 
হরপ্পা বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের পশ্চিম পাঞ্জাবের মন্টগোমারি জেলায় অবস্থিত। মহেন-জো-দারো বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় অবস্থিত।


প্রশ্ন:৩
মেহেরগড় কোথায় অবস্থিত ?

উত্তর: 
মেহেরগড় বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের বালুচিস্তানের বোলান নদীর তীরে (বোলান গিরিপথের কাছে এবং কোয়েটা শহর থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে ৫০০ একর এলাকা জুড়ে) অবস্থিত।


প্রশ্ন:৪
হরপ্পা সভ্যতার নগরপরিকল্পনার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

উত্তর: 
হরপ্পা সভ্যতার নগরপরিকল্পনার দুটি বৈশিষ্ট্—
(i) রাস্তা—হরপ্পা সভ্যতার প্রধান রাস্তা দুটি ছিল উত্তর থেকে দক্ষিণ ও পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃত। এগুলি ছিল ৯ থেকে ৩৪ ফুট পর্যন্ত চওড়া।
(ii) পয়ঃপ্রণালী—হরপ্পা সভ্যতার বাড়িগুলির নোংরা জল বড়ো রাস্তার আচ্ছাদিত নর্দমায় এসে পড়ত এবং শহরের বাইরে বেরিয়ে যেত।


প্রশ্ন:৫
সিন্ধু সভ্যতা নামকরণের তাৎপর্য কী ?

উত্তর: 
সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদ ও তাঁর পাঁচটি উপনদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। খননকার্যের দ্বারা এই সভ্যতার প্রথম দুটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হরপ্পা ও মহেন-জো-দারো সিন্ধু নদের তীরে আবিষ্কৃত হয়েছে। তাই এই সুপ্রাচীন অনার্য সভ্যতার নামকরণ হয়েছে সিন্ধু সভ্যতা।


প্রশ্ন:৬
হরপ্পা সভ্যতার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

উত্তর: 
হরপ্পা সভ্যতার দুটি বৈশিষ্ট্য হল—(i) হরপ্পা সভ্যতা ছিল নগরকেন্দ্রিক। (ii) হরপ্পা সভ্যতা ছিল তাম্র-প্রস্তর যুগের (Chalcolithic age)।


প্রশ্ন:৭
হরপ্পা সভ্যতা কত খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কৃত হয় ? হরপ্পা সভ্যতার আবিষ্কারক কারা ?

উত্তর: 
১৯২২ খ্রিস্টাব্দে হরপ্পা সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়। হরপ্পা সভ্যতার আবিষ্কারক হলেন রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, দয়ারাম সাহানি প্রমুখ।


প্রশ্ন:৮
হরপ্পা সভ্যতার পতনের দুটি কারণ উল্লেখ করো।

উত্তর: 
হরপ্পা সভ্যতার পতনের সম্ভাব্য বিভিন্ন কারণের মধ্যে দুটি কারণ হল—
(i) প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যথা—ভূমিকম্প, বন্যা, অনাবৃষ্টি প্রভৃতি।
(ii) বৈদেশিক আক্রমণ—অনেক ঐতিহাসিক আর্যদের হরপ্পা সভ্যতার আক্রমণকারী বলে চিহ্নিত করেন।


প্রশ্ন:৯
হরপ্পা ও মহেন-জোদারোতে কোন্ যুগের সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়েছে ?

উত্তর: 
হরপ্পা ও মহেন-জো-দারোতে তাম্র-প্রস্তর যুগের সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়েছে। এখানকার অধিবাসীরা পাথরের পাশাপাশি তামা ও ব্রোঞ্জ দিয়ে তাদের হাতিয়ার ও সরঞ্জাম তৈরি করত বলে এই সভ্যতাকে তাম্র-প্রস্তর যুগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।


প্রশ্ন:১০
সিন্ধু সভ্যতাকে এখন হরপ্পা সভ্যতা বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
সিন্ধু অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে খননকার্য চালিয়ে যেসব নিদর্শন পাওয়া গেছে, তার মধ্যে হরপ্পায় পাওয়া নিদর্শনগুলি সর্বাপেক্ষা প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ। তা ছাড়া এই সভ্যতার অধিকাংশ কেন্দ্রের নিদর্শনগুলির সঙ্গে হরপ্পায় পাওয়া নিদর্শনগুলির অদ্ভুত মিল রয়েছে। তাই সিন্ধু সভ্যতাকে হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন(The Evolution of Indian Civilization)

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন: প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক যাত্রা           ভারতীয় সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং নিরন্তর প্রবাহমান সভ্যতা। এর বিবর্তন একটি বিশাল মহাকাব্যিক যাত্রা, যা প্রায় দশ হাজার বছর ধরে বহু যুগ, সংস্কৃতি, ধর্ম, সাম্রাজ্য এবং মতাদর্শের উত্থান-পতনের সাক্ষী। এই বিবর্তন শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, প্রযুক্তি, শিল্পকলা, দর্শন এবং আধ্যাত্মিক চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তরকেও নির্দেশ করে।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"