Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-১

বায়ুমণ্ডল


প্রশ্ন:১
উষ্ণতার নিয়ন্ত্রক বলতে কী বােঝো ?

উত্তর: 
ভূপৃষ্ঠের সর্বত্র বায়ুর উষ্ণতা একই সময়ে একই রকম হয় না। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে উষ্ণতার পার্থক্যের জন্য কতকগুলি কারণ প্রভাব বিস্তার করে। কতকগুলি প্রাকৃতিক ও কতকগুলি অপ্রাকৃতিক বা মনুষ্যসৃষ্ট বিষয় ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অঞ্চলে উষ্ণতার হ্রাসবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন—উচ্চতা, অক্ষাংশ, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, শিল্পায়ন ও নগরায়ন ইত্যাদি। এদের উষ্মতার নিয়ন্ত্রক বলে।


প্রশ্ন:২
সমুদ্র থেকে দূরত্ব কীভাবে কোনাে অঞ্চলের উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ করে ?

উত্তর: 
জলভাগের তুলনায় স্থলভাগ একই সময়ে দ্রুত উষ্ণ ও শীতল হওয়ায় সমুদ্র থেকে দূরবর্তী স্থান গ্রীষ্মকালে বেশি গরম ও শীতকালে বেশি ঠান্ডা হয় অর্থাৎ, সমুদ্র থেকে দূরবর্তী স্থানের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হয়। অন্যদিকে, সমুদ্র তীরবর্তী স্থানের জলবায়ু সমভাবাপন্ন হয়। 
যেমন—ভারতের উপকূল সমভূমির জলবায়ু সমভাবাপন্ন কিন্তু মধ্যভারতে মালভূমির জলবায়ু চরমভাবাপন্ন।


প্রশ্ন:৩
ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়কে শান্তবলয় বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
দুই ক্রান্তীয় অঞ্চলে (২৫°-৩৫° উত্তর ও দক্ষিণ) সূর্যকিরণ অপেক্ষাকৃত তির্যকভাবে পড়ার ফলে বায়ু তুলনায় শীতল ও ভারী হয়। নিরক্ষীয় অঞ্চলের ঊর্ধ্বগামী উষ্ণ আর্দ্র ও হালকা বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে শীতল ও ভারী হয়ে দুই ক্রান্তীয় অঞ্চলে নেমে আসে। ফলে, এই অঞ্চলেও বায়ুর কোনাে অনুভূমিক বা পার্শ্বপ্রবাহ দেখা যায় না। বায়ুকে প্রবাহহীন বা নিশ্চল বলে মনে হয় বলেই ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়কে শান্তবলয় বলা হয়।


প্রশ্ন:৪
নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়কে শান্তবলয় বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্যরশ্মি সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয় তাই বাতাসের উত্তাপ বেশি হয়, আবার এই অঞ্চলের বায়ুতে আদ্রর্তাও বেশি। উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু হালকা হওয়ায় বায়ুতে উর্ধ্বগামী স্রোত লক্ষ করা যায়। বায়ুর অনুভূমিক বা পার্শ্বপ্রবাহ থাকায় বায়ুপ্রবাহ অনুভূত হয় না, বায়ুকে নিশ্চল বলে মনে হয়। তাই এই চাপবলয়কে নিম্নচাপযুক্ত শান্তবলয় বলা হয়।


প্রশ্ন:৫
পর্বত বা উচ্চভূমির অবস্থান কীভাবে কোনাে অঞ্চলের উষ্ণতা নিয়ন্ত্ৰণ করে ?

উত্তর: 
উষ্ণ বা শীতল বায়ুর প্রবাহপথে আড়াআড়িভাবে পর্বত অবস্থান করলে, পর্বতের দুই দিকে উষ্ণতার পার্থক্য হয়। আবার, আর্দ্র বায়ু পর্বতের প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটায় কিন্তু অনুবাত ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটায় না, ফলে প্রতিবাত ও অনুবাত ঢালে উষ্ণতার তারতম্য হয়। যেমন— শীতকালীন মৌসুমি বায়ু হিমালয় পর্বতে বাধা পাওয়ায় শীতকালে ভারতে শীতের তীব্রতা কম হয়। অন্যদিকে, স্বাভাবিকভাবে উচ্চতা বেশি হওয়ায় কোনাে পর্বত বা উচ্চভূমির উষ্ণতা সমভূমির তুলনায় কম।


প্রশ্ন:৬
চাপবলয় বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
পৃথিবীর আকার গােল হওয়ায় এক-একটি চাপ অঞ্চল (উচ্চচাপ বা নিম্নচাপ) ভূপৃষ্ঠকে পূর্ব-পশ্চিমে বলয়াকারে বেষ্টন করে অবস্থান করছে। বলয়াকৃতি সমচাপ অঞ্চলগুলিকেই চাপবলয় বলে। বায়ুর উষ্ণতা, উচ্চতা, আদ্রর্তা প্রভৃতির তারতম্যে ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে উচ্চচাপ ও নিম্নচাপ বলয়ের সৃষ্টি হয়েছে।


প্রশ্ন:৭
অক্ষাংশের পরিবর্তন ঘটলে তাপের তারতম্য ঘটে কেন ?

উত্তর: 
পৃথিবীর মেরুরেখা কক্ষতলের সঙ্গে সাড়ে ৬৬ ডিগ্রি কোণে হেলে সূর্য পরিক্রমা করার ফলে সূর্যের লম্ব কিরণ নিম্ন অক্ষাংশীয় অঞ্চলে লম্বভাবে পড়ে। নিরক্ষরেখা থেকে দুই মেরুর দিকে সূর্যকিরণ ক্রমশ তির্যকভাবে কিরণ দেয়। লম্ব কিরণ অপেক্ষা তির্যক কিরণের তাপ কম হয়। সুতরাং, অক্ষাংশের মান যত বাড়ে, সূর্যরশ্মির পতনকোণ তত কমে, ফলে তাপের পরিমাণও তত কমতে থাকে। এই কারণে নিরক্ষরেখা থেকে দুই মেরুর দিকে অক্ষাংশের পরিবর্তন ঘটলে তাপের পরিমাণ কমতে থাকে।


প্রশ্ন:৮
তাপবলয় বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
পৃথিবীর গােলকাকৃতির জন্য এক-একটি নির্দিষ্ট উষ্ণতার তাপ অঞ্চল ভূপৃষ্ঠকে বলয় আকারে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে অবস্থান করছে। বলয়াকৃতি সমতাপ অঞ্চলগুলিকেই তাপবলয় বলে। অক্ষাংশের তারতম্য অনুযায়ী উষ্মতার তারতম্য ঘটে বলেই পৃথিবীতে বিভিন্ন তাপবলয়ের সৃষ্টি হয়েছে।


প্রশ্ন:৯
কোন্ তাপমণ্ডলে উষ্ণতার প্রসর সবচেয়ে কম হয় এবং কেন ?

উত্তর: 
পৃথিবীর উষ্ণমণ্ডলে উষ্ণতার প্রসর সবচেয়ে কম হয়। কারণ—
(ক) নিম্ন অক্ষাংশীয় অঞ্চলে অর্থাৎ, উষ্ণমণ্ডলে সূর্যরশ্মি সারাবছর প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। (খ) পৃথিবীর এই অংশে দিনরাত্রির দৈর্ঘ্য খুব বেশি বাড়ে কনে না। এইসব কারণে উত্তাপের পরিমাণ দিনরাত্রি বা ঋতুভেদে যথেষ্ট বেশি এবং প্রায় সমান থাকে। তাই উষ্ণমণ্ডলে উষ্ণতার প্রসর সবচেয়ে কম হয়।


প্রশ্ন:১০
ভূপৃষ্ঠের প্রধান তাপবলয়গুলির নাম লেখাে।

উত্তর: 
ভূপৃষ্ঠে প্রাপ্ত সূর্যালােকের পরিমাণ ও সূর্যরশ্মির পতনকোণের ভিত্তিতে ভূপৃষ্ঠকে মােট পাঁচটি তাপবলয়ে ভাগ করা হয়। এগুলি হল 
(১) উষ্ণমণ্ডল, 
(২) উত্তর নাতিশীতোষ্ণমন্ডল, 
(৩) দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণমন্ডল, 
(৪) উত্তর হিমমণ্ডল, 
(৫) দক্ষিণ হিমমণ্ডল।


 

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

স্তূপ পর্বত

স্তূপ পর্বত             ভূ-আলোড়নজনিত প্রসারণ বলের প্রভাবে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ফাটলের মধ্যবর্তী অংশ চাপের ফলে বিচ্যুত হয়ে ওপরে উঠে যায় বা দুটি ফাটলের মধ্যবর্তী অংশ চাপের ফলে নীচে বসে যায় তখন অপেক্ষাকৃত উঁচু অংশকে স্তূপ পর্বত বলে। প্রবল ভূ-আলোড়নের ফলে ভূত্বকের বিভিন্ন অংশে চাপের পার্থক্য ঘটে। ফলে শিলায় টান ও সংনমনের সৃষ্টি হয়। টান ও সংনমনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয় এবং ফাটলরেখা বরাবর শিলার এক অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি উল্লম্ব চ্যুতির মাঝের অংশটি নীচে বসে গেলে দু-পাশ ওপরে উঠে আসে। আবার মাঝের অংশটি ওপরে উঠে গেলে দু-পাশ নীচে বসে যায়। তখন ওপরে উঠে আসা অংশকে স্তূপ পর্বত বলে।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি হল— (১) বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কোমল পাললিক শিলায় ঢেউ-এর মতো ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। (২) প্রধানত সমুদ্রগর্ভ থেকে সৃষ্টি হয় বলে ভঙ্গিল পর্বতে জীবাশ্ম দেখা যায়। (৩) ভঙ্গিল পর্বতগুলি সাধারণত পাললিক শিলায় গঠিত হলেও অনেক সময় ভঙ্গিল পর্বতে আগ্নেয় এবং রূপান্তরিত শিলার সহাবস্থান চোখে পড়ে (কারণ—ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির সময় শিলাস্তরে ফাটল সৃষ্টি হলে, সেই ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের ম্যাগমা লাভারূপে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে যা ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এর পর কালক্রমে প্রচণ্ড চাপ ও তাপের ফলে আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয়)

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...