বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...
জীবের বৈচিত্রতা
প্রশ্ন:১
ভিরুলেন্ট দশা কী ?
উত্তর:
ব্যাকটেরিওফাজের DNA, ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্রবেশ করার পরে অগণিত প্রতিলিপি গঠন করে ও ব্যাকটেরিয়া কোশের বিদারণ ঘটিয়ে অপত্য ফাজ বেরিয়ে আসে, ফলে লাইটিক চক্র পূর্ণ হয়। এই দশাকেই ভিরুলেন্ট দশা বলে।
প্রশ্ন:২
TMV কী ?
উত্তর:
RNA যুক্ত দণ্ডাকার উদ্ভিদ ভাইরাস যা তামাক গাছের মােজাইক রােগ সৃষ্টি করে, তাকে TMV (Tobacco Mosaic Virus) বলে।
প্রশ্ন:৩
প্রােফাজ কী ?
উত্তর:
যে অন্তঃকোশীয় ভিরিয়ন ব্যাকটেরিয়া কোশে প্রবেশ করে, ব্যাকটেরিয়ার DNA-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে সুপ্ত দশায় থাকে তাকে প্রােফাজ বলে।
প্রশ্ন:৪
ডুয়াল ভাইরাস কী ?
উত্তর:
অনেকক্ষেত্রে ভাইরাসের দেহে দু-রকম গঠন বিন্যাস দেখা যায়। যেমন—ব্যাকটেরিওফাজ T2, T4 ভাইরাসের মস্তক ঘনকাকার ও পুচ্ছ সর্পিলাকার। এই প্রকার ভাইরাসকে ডুয়াল ভাইরাস বলে।
প্রশ্ন:৫
ভাইরয়েডের বৈশিষ্ট্য কী কী ?
উত্তর:
(i) এর কোন প্রােটিন আবরণী থাকে না।
(ii) জিনগত পদার্থ একতন্ত্রী RNA।
(iii) পােষক কোশের নিউক্লিয়াসে থাকে।
প্রশ্ন:৬
ভাইরাসের বাইরে প্রােটিনের আবরণের প্রয়ােজনীয়তা কী ?
উত্তর:
(i) প্রােটিন আবরণ ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে।
(ii) উৎসেচক থাকায় পােষক কোশে নিউক্লিক অ্যাসিড প্রবেশে সাহায্য করে।
প্রশ্ন:৭
হেলপার ভাইরাস কী ?
উত্তর:
যে ভাইরাস স্যাটেলাইট ভাইরাসের সঙ্গে সহসংক্রমণ ঘটিয়ে ওই ভাইরাসের গাঠনিক উপাদান সংশ্লেষে ও বিভাজনে সাহায্য করে, তাকে হেলপার ভাইরাস বলে।
প্রশ্ন:৮
লাইসােজেনিক ভাইরাস কী ?
উত্তর:
যে সকল ভাইরাসে লাইসােজেনিক চক্র সম্পন্ন হয় অর্থাৎ প্রােফাজ গঠিত হয় এবং পরবর্তীকালে প্রােফাজ বিচ্ছিন্ন হয়ে লাইটিক চক্র সম্পন্ন করে, তাদের লাইসােজেনিক ভাইরাস বলে।
প্রশ্ন:৯
স্যাটেলাইট ভাইরাস কী ?
উত্তর:
যে সব ভাইরাস অন্য ভাইরাসের সাহায্যে পােষক কোশে প্রবেশ করে বংশবিস্তার করে, তাদের স্যাটেলাইট ভাইরাস বলে।
প্রশ্ন:১০
লিপােভাইরাস কী ?
উত্তর:
বসন্ত, হারপিস ভাইরাসে ক্যাপসিডকে ঘিরে লাইপােপ্রােটিন নির্মিত আবরক থাকে। এইরকম ভাইরাসকে লিপােভাইরাস বলে।

Comments
Post a Comment