Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান, সেট-১১

উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান


প্রশ্ন:১
হাইডাথােড কী ?

উত্তর: 
প্রাইমুলা (Primula sp.), টম্যাটো  (Lycopersicon esculentum), কোলোকেসিয়া (Colocasia sp.) প্রভৃতি উদ্ভিদের পত্ৰকিনারা বা পত্রাগ্রে অবস্থিত জল ক্ষরণকারী রন্ধ্র বিশেষ। উদ্ভিদদেহ থেকে জল তরল আকারে হাইডাথােড বা জলরন্ধ্রের মাধ্যমে বাইরে নির্গত হয়।


প্রশ্ন:২
অ্যালবুমিনাস কোশ কী ?

উত্তর: 
অপুষ্পক উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ফ্লোয়েম কলায় সঙ্গীকোশের পরিবর্তে যে বিশেষ কোশ থাকে, তাকে অ্যালবুমিনাস কোশ (Albuminous cell) বলে।


প্রশ্ন:৩
অঙ্গসংস্থানগতভাবে পাটতন্তু কী ?

উত্তর: 
স্ক্লেরেনকাইমা বা ফ্লোয়েম তন্তু বা বাস্ট তন্তু।


প্রশ্ন:৪
স্যাপ উড কাকে বলে ?

উত্তর: 
সদ্য উৎপন্ন গৌণ জাইলেমের সাহায্যে বর্ষবলয়ের বাইরের দিকে গঠিত হালকা রঙের যে বলয় থাকে, যার মাধ্যমে রস পরিবহণ, খাদ্য সঞ্চয় ইত্যাদি শারীরবৃত্তীয় কাজগুলি চলতে থাকে, তাকে স্যাপ উড (Sap wood) বলে। এই ট্রাকিয়ারি উপাদানও তন্তু ব্যতীত সজীব প্যারেনকাইমা (জাইলেম) কোশ দ্বারা গঠিত।


প্রশ্ন:৫
P-protein কী ?

উত্তর: 
সিভনলের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত একপ্রকার সূক্ষ্ম প্রোটিন তন্তু অবস্থিত, এদের P-protein বা ফ্লোয়েম প্রােটিন বলে।


প্রশ্ন:৬
বসন্ত কাষ্ঠ ও শরৎ কাষ্ঠ কাকে বলে ?

উত্তর: 
গৌণ জাইলেম দ্বারা গঠিত প্রতিটি বর্ষবলয়ে দুটি ভিন্ন প্রকারের কাষ্ঠকলা ক্যাম্বিয়াম বলয় দিয়ে যুক্ত হয়। আগে উৎপন্ন কাষ্ঠকে আর্লি উড (early wood) বা বসন্ত কাষ্ঠ পরে উৎপন্ন কাষ্ঠকে লেট উড (late wood) বা শরৎ কাষ্ঠ বলে। বসন্ত কাষ্ঠ হালকা ও কম ছিদ্রবহুল এবং এতে তন্তুর পরিমাণ কম থাকে। অপরদিকে গ্রীষ্মকাষ্ঠে বা শরৎকাষ্ঠে জাইলেম বাহিকার পরিমাণ কম কিন্তু তন্তুর পরিমাণ বেশি থাকায় এই অংশের কাষ্ঠটি দৃঢ় ও গাঢ় বর্ণের হয়।


প্রশ্ন:৭
ক্যাম্বিয়াম কাকে বলে ?

উত্তর: 
বিভাজনক্ষম এক বা একাধিক স্তরবিশিষ্ট সজীব কোশের সমন্বয়ে গঠিত যে পার্শ্বীয় ভাজক কলা উদ্ভিদের গৌণ বৃদ্ধি ঘটায়, তাকে ক্যাম্বিয়াম বলে।


প্রশ্ন:৮
উল্লেখিত বিশেষ কলাগুলির অবস্থান উল্লেখ করাে— ল্যাটিসিফেরাস কোশ, ক্ষীরনালি, গ্রন্থিরােম, মধু গ্রন্থি, পাচক গ্রন্থি, রজন গ্রন্থি।

উত্তর: 
ল্যাটিসিফেরাস কোশ—ইউফরবিয়া (Euphorbia sp.), বট (Ficus sp.)।
ক্ষীরনালি—(Papaver somniferum), পেঁপে গাছ (Carica papaya)।
গ্রন্থিরােম—বিছুটি গাছের পাতা (Urtica sp.)।
পাচক গ্রন্থি—সূর্যশিশির, কলসপত্রী উদ্ভিদে (Nepenthes sp.)।
রজন গ্রন্থি—পাইন গাছ (Pinus sp.)।


প্রশ্ন:৯
হার্ট উড কাকে বলে ?

উত্তর: 
পূর্বে গঠিত গৌণ জাইলেম সমৃদ্ধ কেন্দ্রের অঞ্চলটি গাঢ় বাদামি বর্ণের। কেন্দ্রীয় মজ্জার মৃত কাষ্ঠের পরিবহণ নক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এই মৃত কোশগুলিতে ট্যানিন ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ জমতে থাকে এবং কালাে বর্ণে পরিণত হয়। এই মৃত কালাে রঙের কাষ্ঠকে হার্ট উড (heart wood) বা ডুরামেন বলে। এই কাষ্ঠ অত্যন্ত মূল্যবান।


প্রশ্ন:১০
ক্যালাস প্যাড কী ?

উত্তর: 
শীতকালে ফ্লোয়েম কলার অন্তর্গত সিভপ্লেটের ছিদ্রগুলি ক্যালােজ (Callose) নামক একপ্রকার উজ্জ্বল, বর্ণহীন ও অদ্রবণীয় কার্বোহাইড্রেটের কেলাস দিয়ে ঢাকা থাকে, এটিকে ক্যালাস প্যাড (Callus pad) বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।  

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো। ১. ইতিহাসের উপাদান             ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক বিবরণ। কিন্তু এই বিবরণ কল্পনাপ্রসূত নয়; এটি নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ওপর। যে সমস্ত উৎস, সাক্ষ্য বা প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিকরা অতীত দিনের ঘটনাবলী পুনর্গঠন করেন, তাকেই 'ইতিহাসের উপাদান' (Sources of History) বলা হয়। উপাদান ছাড়া ইতিহাস রচনা করা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার শামিল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বা আর. সি. মজুমদার সকলেই একমত যে, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের ক্ষেত্রে উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ইতিহাসের উপাদানের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Historical Sources)           ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—  (ক) সাহিত্যিক উপাদান এবং  (খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান।  তবে আধুনিক যুগে এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো: ক) সাহিত্যিক উপাদান (Literary Sources):...

সাধারণ জ্ঞান।।পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা প্রশ্ন ১ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোন মহিলা অ্যাকাদেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন? (ক) আরতি সাহা (খ) দূর্বা ব্যানার্জী   (গ) মৈত্রেয়ী দেবী   (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ মৈত্রেয়ী দেবী   প্রশ্ন  ২  পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা শহীদ কে? (ক) মাতঙ্গিনী হাজরা (খ) প্রীতিলতা ওয়াদেদার (গ) সরোজিনী নাইডু (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ মাতঙ্গিনী হাজরা প্রশ্ন ৩  পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা আই এ এস অফিসার কে? (ক) রিতু মহেশ্বরী (খ) রমা মজুমদার (গ) চন্দ্রমুখী বসু (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ রমা মজুমদার প্রশ্ন ৪ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোন মহিলা ইংলিশ চ্যালেন পার করেছিলেন? (ক) আরতি সাহা (খ) বুলা চৌধুরি (গ) শ্রেয়া দত্ত (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ আরতি সাহা প্রশ্ন ৫ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা জেলাশাসক কে? (ক) রমা মজুমদার   (খ) রানু ঘোষ (গ) বুলা চৌধুরি (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ রানু ঘোষ প্রশ্ন ৬ পশ্চিমবঙ্গের কোন মহিলা সর্বপ্রথম এভারেস্ট আরোহণ করেছিলেন? (ক) শিপ্রা মজুমদার (খ) দুর্বা ব্যানার্জী (গ) আরতী সাহা (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ শিপ্রা মজুমদার প্রশ্ন  ৭ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা রাজ্য...