ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়— উত্তরঃ ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে— উত্তরঃ ২৮০ নং ধারা।
জীবের বৈচিত্রতা
প্রশ্ন:১
দ্বিপদ নামকরণ কাকে বলে ?
উত্তর:
জীবদের ‘গণ’ ও ‘প্রজাতি’ নামক দুটি পদের সমন্বয়ে গঠিত নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বাইনােমিয়াল নােমেনক্লেচার বলে।
প্রশ্ন:২
উপপ্রজাতি কী ?
উত্তর:
বৈসাদৃশ্যযুক্ত যেসব জীবগােষ্ঠী আন্তঃপ্রজননের মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে জিনের আদানপ্রদান ঘটায় তাদের একই প্রজাতির উপপ্রজাতি বলে।
প্রশ্ন:৩
হােমােনিম কী ?
উত্তর:
যখন দুটি পৃথক প্রজাতি বা গণের একই নামকরণ হয় তখন তাকে হােমােনিম বলে।
প্রশ্ন:৪
টপােনিম কী ?
উত্তর:
যখন একটি জীবের নামকরণ বাসস্থানের বা ওই অঞ্চলের নাম অনুসারে হয় তখন তাকে টপােনিম বলে।
প্রশ্ন:৫
সিস্টেমেটিক্স কাকে বলে ?
উত্তর:
জীবের প্রকারভেদ ও তাদের বৈচিত্র্য এবং তাদের সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক পর্যালােচনাকে সিস্টেমেটিক বলে।
প্রশ্ন:৬
সিনােনিম কী ?
উত্তর:
যখন কোনাে একটি প্রজাতির জীবের একাধিক স্বীকৃত বিজ্ঞানসম্মত নাম থাকে, তখন সেই নামগুলি হল সিনােনিম।
প্রশ্ন:৭
ট্যাক্সোনমি কাকে বলে ?
উত্তর:
জীব বিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের নামকরণ, শনাক্তকরণ ও শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি আলােচনা করা হয়, তাকে ট্যাক্সোনমি বা বিন্যাসবিধি বলে।
প্রশ্ন:৮
সিবলিং প্রজাতি কী ?
উত্তর:
বহিরাকৃতিতে সাদৃশ্যযুক্ত যখন দুটি জীব পপুলেশন জননগতভাবে বিচ্ছিন্ন হয় তখন তাদের সিবলিং প্রজাতি বলে।
প্রশ্ন:৯
হায়ারার্কি কী ?
উত্তর:
বিভিন্ন এককের সাহায্যে জীবকে সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ স্তরে অন্তর্ভুক্ত করাকে হায়ারর্কি বলে।
প্রশ্ন:১০
সিমপ্যাট্রিক স্পিসিয়েশন কী ?
উত্তর:
একই ভৌগােলিক অঞ্চলে প্যারেন্টাল পপুলেশন থেকে পৃথক না হয়ে যখন নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়, তখন তাকে সিমপ্যাট্রিক স্পিসিয়েশন বলে।

Comments
Post a Comment