Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৪

বায়ুমণ্ডল


প্রশ্ন:১
চরম আর্দ্রতা কাকে বলে ?

উত্তর: 
নির্দিষ্ট উষ্ণতায় নির্দিষ্ট আয়তন বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের মােট পরিমাণকে ওই উষ্ণতায়, ওই পরিমাণ বায়ুর চরম আদ্রর্তা বলে। চরম আদ্রর্তা গ্রাম এককে প্রকাশ করা হয়।


প্রশ্ন:২
প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
শীতল নাতিশীতােষ্ণ ও হিমমণ্ডলের স্বল্প পরিসর স্থানে উচ্চচাপকেন্দ্রিক, ঘূর্ণন গতিযুক্ত, অপেক্ষাকৃত ধীর গতির ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুপ্রবাহকে প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলা হয়। সাধারণত উত্তর গােলার্ধে ৭০°-৮০° অক্ষরেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে প্রতীপ ঘূর্ণবাতের সৃষ্টি হয়। বায়ু উত্তর গােলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং দক্ষিণ গােলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে বেঁকে উচ্চচাপ কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে প্রবাহিত হয়। প্রবাহের দিক ও বৈশিষ্ট্য ঘূর্ণবাতের বিপরীত হয় বলে একে প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলা হয়।


প্রশ্ন:৩
কুয়াশা কী ?

উত্তর: 
শীতকালে ভূপৃষ্ঠ তাপ বিকিরণ করে শীতল হয়। ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর শীতল হয়ে শিশিরাঙ্কে পৌঁছালে বায়ুর জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বায়ুতে ভাসমান ধূলিকণাকে আশ্রয় করে ভূমি সংলগ্ন হয়ে ভাসতে থাকে, একেই কুয়াশা বলে। শিল্পাঞ্চলে কলকারখানার ধোঁয়াকে আশ্রয় করে কুয়াশা প্রবল আকার ধারণ করে। একে ধোঁয়াশা বলে।


প্রশ্ন:৪
শিশিরাঙ্ক উষ্ণতা বলতে কী বােঝো ?

উত্তর: 
সাধারণত বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকে তাতে বায়ু সম্পৃক্ত হয় না। কিন্তু, উষ্ণতা কমতে থাকলে আর্দ্র বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়তে থাকে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেয়ে ১০০ শতাংশ অতিক্রম করলে বায়ু সম্পৃক্ত হয় এবং বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে জলকণায় পরিণত হয়। যে তাপমাত্রায় বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা ১০০ শতাংশ হয় এবং বায়ু সম্পৃক্ত হয় তাকে শিশিরাঙ্ক উষ্ণতা বলে।


প্রশ্ন:৫
বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭০ শতাংশ বলতে কী বোঝ ?

উত্তর: 
নির্দিষ্ট উষ্ণতায়, নির্দিষ্ট আয়তন বায়ু সম্পৃক্ত হতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়ােজন, ওই উষ্ণতায় ওই পরিমাণ বায়ুতে তার ৭০% জলীয়বাষ্প উপস্থিত আছে।


প্রশ্ন:৬
পশ্চিমা বায়ু কাকে বলে ?

উত্তর: 
উত্তর ও দক্ষিণ গােলার্ধে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে যে নিয়ত বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে পশ্চিমা বায়ু বলে। সাধারণত উভয় গােলার্ধে ৩৫°-৬০° অক্ষরেখার মধ্যে পশ্চিমদিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়। ফেরেলের সূত্র অনুসারে, পশ্চিমা বায়ু উত্তর গােলার্ধে ডানদিকে ও দক্ষিণ গােলার্ধে বামদিকে বেঁকে যথাক্রমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু রূপে প্রবাহিত হয়।


প্রশ্ন:৭
শিশির কী ?

উত্তর: 
বায়ুমণ্ডলে ভাসমান জলীয়বাষ্প রাত্রিবেলায় অধিক শীতল হলে ঘনীভূত হয়ে ঘাস, পাতা প্রভৃতির উপর জলবিন্দুর আকারে অবস্থান করে। একেই শিশির বলে। বিশেষত শরৎ, হেমন্ত ও শীত ঋতুতে শিশির দেখা যায়।


প্রশ্ন:৮
সীমান্ত বৃষ্টি বলতে কী বােঝো ?

উত্তর: 
নাতিশীতােষ্ণ অঞ্চলে উষ্ণ, আর্দ্র, হালকা বায়ু ও শীতল, শুষ্ক, ভারী বায়ু বিপরীতদিক থেকে মুখােমুখি হলে আর্দ্র, হালকা বায়ু একটি ঢাল বরাবর ঊর্ধ্বগামী হয়। এই দুই বায়ুর সংযােগস্থলকে পৃষ্ঠ সীমান্ত বলে। আর্দ্র বায়ু ওপরে উঠে শীতল হলে, জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে পৃষ্ঠ সীমান্ত বরাবর বৃষ্টি আকারে ঝরে পড়ে। ভিন্নধর্মী দুই বায়ুর সীমান্ত বরাবর এই বৃষ্টি হয় বলে, একে সীমান্ত বৃষ্টি বলে।


প্রশ্ন:৯
মেঘ কী ?

উত্তর: 
ঊর্ধ্বগামী জলীয়বাষ্প শীতল ও ঘনীভূত হয়ে জলকণা ও তুষারকণায় পরিণত হয়। ট্রপােস্ফিয়ার স্তরের বিভিন্ন উচ্চতায় ভাসমান অতিসূক্ষ্ম জলকণা ও তুষারকণার সমষ্টিকেই মেঘ বলে।


প্রশ্ন:১০
সমমেঘ রেখা কী ?

উত্তর: 
বছরের কোনাে নির্দিষ্ট সময়ে, সমপরিমাণ মেঘবিশিষ্ট স্থানগুলিকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যােগ করলে যে রেখা পাওয়া যায় তাকে সমমেঘ রেখা বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

সাধারণ জ্ঞান।।পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা প্রশ্ন ১ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোন মহিলা অ্যাকাদেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন? (ক) আরতি সাহা (খ) দূর্বা ব্যানার্জী   (গ) মৈত্রেয়ী দেবী   (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ মৈত্রেয়ী দেবী   প্রশ্ন  ২  পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা শহীদ কে? (ক) মাতঙ্গিনী হাজরা (খ) প্রীতিলতা ওয়াদেদার (গ) সরোজিনী নাইডু (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ মাতঙ্গিনী হাজরা প্রশ্ন ৩  পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা আই এ এস অফিসার কে? (ক) রিতু মহেশ্বরী (খ) রমা মজুমদার (গ) চন্দ্রমুখী বসু (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ রমা মজুমদার প্রশ্ন ৪ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোন মহিলা ইংলিশ চ্যালেন পার করেছিলেন? (ক) আরতি সাহা (খ) বুলা চৌধুরি (গ) শ্রেয়া দত্ত (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ আরতি সাহা প্রশ্ন ৫ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা জেলাশাসক কে? (ক) রমা মজুমদার   (খ) রানু ঘোষ (গ) বুলা চৌধুরি (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ রানু ঘোষ প্রশ্ন ৬ পশ্চিমবঙ্গের কোন মহিলা সর্বপ্রথম এভারেস্ট আরোহণ করেছিলেন? (ক) শিপ্রা মজুমদার (খ) দুর্বা ব্যানার্জী (গ) আরতী সাহা (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ শিপ্রা মজুমদার প্রশ্ন  ৭ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা রাজ্য...

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।  

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি ও লাভা মালভূমির মধ্যে পার্থক্য

  ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি ও লাভা মালভূমির মধ্যে পার্থক্য Sl. No. ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি লাভা মালভূমি 1 যেসব মালভূমির কাঠিন্য সবক্ষেত্রে সমান নয় অর্থাৎ, কোনো অংশ বেশি কঠিন এবং কোনো অংশ কম কঠিন বা কোমল শিলায় গঠিত সেক্ষেত্রেই দীর্ঘ ক্ষয়ের ফলে ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি গড়ে ওঠে। ভূগর্ভস্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরি বা কোনো ফাটলের মধ্যে দিয়ে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হলে ম্যাগমা শীতল ও কঠিন হয়ে লাভা মালভূমি গড়ে ওঠে। এক্ষেত্রে লাভা মালভূমি কঠিন শিলায় গঠিত হয় এবং শিলার কাঠিন্য সর্বত্র একইরকম হয়। 2 ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমির উচ্চতা ক্রমহ্রাসমান এবং ভূপৃষ্ঠ তরঙ্গায়িত। অগ্ন্যুৎপাত ঘটতে থাকলে লাভা মালভূমির উচ্চতা ক্রমবর্ধমান হতে পারে। লাভা মালভূমির ভূপৃষ্ঠ একটানা বিস্তীর্ণ অঞ্চল এবং কম তরঙ্গায়িত। 3 ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি একপ্রকার ক্ষয়জাত মালভূমি। লাভা মালভূমি একপ্রকার সঞ্চয়জাত মালভূমি। 4 ভূপৃষ্ঠস্থ প্রাকৃতিক শক্তি প্রধানত নদীর দ্বারা ক্ষয়ের ফলেই ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি গড়ে ওঠে। ভূগর্ভস্থ প্রাকৃতিক শক্তি প্রধা...