Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৪

বায়ুমণ্ডল


প্রশ্ন:১
চরম আর্দ্রতা কাকে বলে ?

উত্তর: 
নির্দিষ্ট উষ্ণতায় নির্দিষ্ট আয়তন বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের মােট পরিমাণকে ওই উষ্ণতায়, ওই পরিমাণ বায়ুর চরম আদ্রর্তা বলে। চরম আদ্রর্তা গ্রাম এককে প্রকাশ করা হয়।


প্রশ্ন:২
প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
শীতল নাতিশীতােষ্ণ ও হিমমণ্ডলের স্বল্প পরিসর স্থানে উচ্চচাপকেন্দ্রিক, ঘূর্ণন গতিযুক্ত, অপেক্ষাকৃত ধীর গতির ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুপ্রবাহকে প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলা হয়। সাধারণত উত্তর গােলার্ধে ৭০°-৮০° অক্ষরেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে প্রতীপ ঘূর্ণবাতের সৃষ্টি হয়। বায়ু উত্তর গােলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং দক্ষিণ গােলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে বেঁকে উচ্চচাপ কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে প্রবাহিত হয়। প্রবাহের দিক ও বৈশিষ্ট্য ঘূর্ণবাতের বিপরীত হয় বলে একে প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলা হয়।


প্রশ্ন:৩
কুয়াশা কী ?

উত্তর: 
শীতকালে ভূপৃষ্ঠ তাপ বিকিরণ করে শীতল হয়। ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর শীতল হয়ে শিশিরাঙ্কে পৌঁছালে বায়ুর জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বায়ুতে ভাসমান ধূলিকণাকে আশ্রয় করে ভূমি সংলগ্ন হয়ে ভাসতে থাকে, একেই কুয়াশা বলে। শিল্পাঞ্চলে কলকারখানার ধোঁয়াকে আশ্রয় করে কুয়াশা প্রবল আকার ধারণ করে। একে ধোঁয়াশা বলে।


প্রশ্ন:৪
শিশিরাঙ্ক উষ্ণতা বলতে কী বােঝো ?

উত্তর: 
সাধারণত বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকে তাতে বায়ু সম্পৃক্ত হয় না। কিন্তু, উষ্ণতা কমতে থাকলে আর্দ্র বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়তে থাকে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেয়ে ১০০ শতাংশ অতিক্রম করলে বায়ু সম্পৃক্ত হয় এবং বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে জলকণায় পরিণত হয়। যে তাপমাত্রায় বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা ১০০ শতাংশ হয় এবং বায়ু সম্পৃক্ত হয় তাকে শিশিরাঙ্ক উষ্ণতা বলে।


প্রশ্ন:৫
বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭০ শতাংশ বলতে কী বোঝ ?

উত্তর: 
নির্দিষ্ট উষ্ণতায়, নির্দিষ্ট আয়তন বায়ু সম্পৃক্ত হতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়ােজন, ওই উষ্ণতায় ওই পরিমাণ বায়ুতে তার ৭০% জলীয়বাষ্প উপস্থিত আছে।


প্রশ্ন:৬
পশ্চিমা বায়ু কাকে বলে ?

উত্তর: 
উত্তর ও দক্ষিণ গােলার্ধে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে যে নিয়ত বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে পশ্চিমা বায়ু বলে। সাধারণত উভয় গােলার্ধে ৩৫°-৬০° অক্ষরেখার মধ্যে পশ্চিমদিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়। ফেরেলের সূত্র অনুসারে, পশ্চিমা বায়ু উত্তর গােলার্ধে ডানদিকে ও দক্ষিণ গােলার্ধে বামদিকে বেঁকে যথাক্রমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু রূপে প্রবাহিত হয়।


প্রশ্ন:৭
শিশির কী ?

উত্তর: 
বায়ুমণ্ডলে ভাসমান জলীয়বাষ্প রাত্রিবেলায় অধিক শীতল হলে ঘনীভূত হয়ে ঘাস, পাতা প্রভৃতির উপর জলবিন্দুর আকারে অবস্থান করে। একেই শিশির বলে। বিশেষত শরৎ, হেমন্ত ও শীত ঋতুতে শিশির দেখা যায়।


প্রশ্ন:৮
সীমান্ত বৃষ্টি বলতে কী বােঝো ?

উত্তর: 
নাতিশীতােষ্ণ অঞ্চলে উষ্ণ, আর্দ্র, হালকা বায়ু ও শীতল, শুষ্ক, ভারী বায়ু বিপরীতদিক থেকে মুখােমুখি হলে আর্দ্র, হালকা বায়ু একটি ঢাল বরাবর ঊর্ধ্বগামী হয়। এই দুই বায়ুর সংযােগস্থলকে পৃষ্ঠ সীমান্ত বলে। আর্দ্র বায়ু ওপরে উঠে শীতল হলে, জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে পৃষ্ঠ সীমান্ত বরাবর বৃষ্টি আকারে ঝরে পড়ে। ভিন্নধর্মী দুই বায়ুর সীমান্ত বরাবর এই বৃষ্টি হয় বলে, একে সীমান্ত বৃষ্টি বলে।


প্রশ্ন:৯
মেঘ কী ?

উত্তর: 
ঊর্ধ্বগামী জলীয়বাষ্প শীতল ও ঘনীভূত হয়ে জলকণা ও তুষারকণায় পরিণত হয়। ট্রপােস্ফিয়ার স্তরের বিভিন্ন উচ্চতায় ভাসমান অতিসূক্ষ্ম জলকণা ও তুষারকণার সমষ্টিকেই মেঘ বলে।


প্রশ্ন:১০
সমমেঘ রেখা কী ?

উত্তর: 
বছরের কোনাে নির্দিষ্ট সময়ে, সমপরিমাণ মেঘবিশিষ্ট স্থানগুলিকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যােগ করলে যে রেখা পাওয়া যায় তাকে সমমেঘ রেখা বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—                ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনে ভারতীয়দের জন্য শিক্ষার ক্ষেত্রে ১ লক্ষ টাকা ব্যয় করার কথা বলা হয়। সেই টাকা প্রাচ্য না পাশ্চাত্য কোন শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে তা নিয়ে ভারতীয় ও ইউরোপীয়রা প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই সমস্যার সমাধান কল্পে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক তাঁর আইন সচিব মেকলেকে ‘ পাবলিক ইনস্ট্রাকশন কমিটি ’র সভাপতি পদে নিয়োগ করেন। মেকলে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের স্বপক্ষে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে একটি প্রস্তাব পেশ করেন। এই প্রতিবেদন মেকলে মিনিটস নামে খ্যাত।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

[WBCS Special MCQs]Physics||ভৌত রাশির একক ও মাত্রা||সেট ১

WBCS Special MCQs Physics ভৌত রাশির একক ও মাত্রা প্রশ্ন ১ আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে প্রাথমিক এককের সংখ্যা হল - (a) ৩ (b) ৬ (c) ৭ (d) ৯ উত্তর :: C  প্রশ্ন ২ আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে কোনটি মূল একক নয় - (a) সেকেন্ড  (b) আম্পিয়ার  (c) ক্যান্ডেল  (d) ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড উত্তর :: D 

জুগ্যান বা জুইগেন

জুইগেন                  কখনো কখনো দেখা যায় যে, কোনো কোনো শিলাস্তূপের কঠিন ও কোমল শিলাস্তরগুলো ওপর-নিচে পরস্পরের সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। প্রচণ্ড সূর্যতাপে এইসব উচ্চভূমিতে ফাটল সৃষ্টি হলে বায়ুর অবঘর্ষণের ফলে কঠিন শিলাস্তরগুলো অতি অল্প ক্ষয় পেয়ে টিলার মতো দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোমল শিলাস্তরগুলো বেশি ক্ষয় পেয়ে ফাটল বরাবর লম্বা খাত বা গহ্বরের সৃষ্টি করে। এই রকম দুটো খাতের মধ্যে চ্যাপ্টা মাথা টিলার মতো যে ভূমিরূপের সৃষ্টি হয় তাকে জুগ্যান বা জুইগেন বলে।