Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

আঞ্চলিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা সেট-৭

ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা


প্রশ্ন:১
পশ্চিমঘাট পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে আরবসাগরে পতিত হয়েছে এরকম চারটি নদীর নাম লেখাে।

উত্তর: 
পশ্চিমঘাট পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে আরবসাগরে পতিত হয়েছে এ রকম চারটি নদী হল—
(i) গুজরাট উপকূলের ভাদর, 
(ii) কোঙ্কন উপকূলের উলহাস, 
(iii) কর্ণাটক উপকূলের সরস্বতী এবং 
(iv) মালাবার উপকূলের পেরিয়ার।


প্রশ্ন:২
পশ্চিমবাহিনী নদীর মােহনায় বদ্বীপ গড়ে ওঠেনি কেন ? অথবা, নর্মদা ও তাপ্তী নদীর মােহনায় বদ্বীপ সৃষ্টি হয়নি কেন ?

উত্তর: 
পশ্চিম ভারতের কয়েকটি নদী হল—সবরমতী, মাহী, নর্মদা, তাপ্তী প্রভৃতি। 
এই সব নদীগুলির মােহনায় বদ্বীপ গড়ে না ওঠার কারণগুলি হল— 
(i) পশ্চিমবাহিনী নদীগুলি পশ্চিমঘাট পর্বত থেকে উৎপন্ন হওয়ায় এদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ তুলনামূলকভাবে পূর্ববাহিনী নদী অপেক্ষা কম। ফলে নদীর জলে পলির পরিমাণও কম থাকে। 
(ii) নর্মদা ও তাপ্তী নদীদ্বয় দৈর্ঘ্যে বৃহৎ হলেও এরা গ্রস্ত উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, ফলে স্রোতের বেগ বেশি থাকে। মােহানায় পলি সঞ্চয়ের অবকাশ থাকে না। 
(iii) পশ্চিমবাহিনী নদীগুলির উপনদীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় মােট জলের পরিমাণ ও সঞ্চয়যােগ্য পলির পরিমাণ কম হয়। 
(iv) খাম্বাত উপসাগর গভীর হওয়ায় (সমুদ্রতলের ঢাল) পলি সঞ্চিত হতে পারে না।


প্রশ্ন:৩
লুনি নদীর গতিপথ উল্লেখ করো।

উত্তর: 
ভারতের একটি অন্তর্বাহিনী নদী হল লুনি। লুনি নদী (দৈর্ঘ্য ৪৫০ কিমি) রাজস্থানের আজমীরের দক্ষিণ-পশ্চিমে আরাবল্লি পর্বতের উত্তরাংশে নাগপাহাড়ের আনাসাগর হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। উৎপত্তির পর এই নদী রাজস্থানের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়ে কচ্ছের রানে মিলিত হয়েছে। বর্ষাকাল ছাড়া বছরের অন্যান্য সময় লুনি নদীতে জল থাকে না। এই নদীর দুটি প্রধান উপনদী হল— জওয়াই ও সুকরী।


প্রশ্ন:৪
দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ পূর্ববাহিনী নদীর মােহানায় বদ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে কেন ?

উত্তর: 
দক্ষিণ ভারতের প্রধান পূর্ববাহিনী নদীগুলি হল—মহানদী, গােদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী প্রভৃতি। প্রতিটি নদীর মােহানায় বদ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে। 
এর প্রধান কারণগুলি হল— 
(i) নদীগুলির দৈর্ঘ্য অপেক্ষাকৃত বেশি এবং উপনদীর সংখ্যাও বেশি হওয়ায় নদীর জলে পলির পরিমাণ বেশি থাকে। 
(ii) প্রতিটি নদীই বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ভারতের পূর্ব উপকূল সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপকূল সংলগ্ন মহীসােপান অঞ্চল অগভীর ও কম ঢালু। 
(iii) নদীগুলির নিম্নপ্রবাহে স্রোতের বেগ কম থাকায় মােহানায় সঞ্চয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। 
(iv) সমুদ্রস্রোতের প্রভাব কম থাকায় নদীর সঙ্গে আগত নুড়ি, কাঁকর, বালি সহজেই মােহনায় অধঃক্ষেপিত হয়। 
(v) বারবার ভূ-আলােড়নের ফলে পূর্ব উপকূল ক্রমাগত উঁচু হওয়ায় নদনদীর স্রোতের বেগ হ্রাস পেয়েছে ফলে মােহানায় সঞ্চয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। 
(vi) সমুদ্র তরঙ্গের সঞ্চয়ধর্মী প্রবণতা বদ্বীপ সৃষ্টির একটি প্রধান কারণ।


প্রশ্ন:৫
গােদাবরী ও কৃষ্ণা নদীর উৎপত্তিস্থান ও মােহানা কোথায় অবস্থিত ?

উত্তর: 
গােদাবরী নদী পশ্চিমঘাট পর্বতের এ্যম্বক শৃঙ্গা থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে। কৃষ্ণা নদী পশ্চিমঘাট পর্বতের মহাবালেশ্বর পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে বিজয়ওয়াড়ার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।


প্রশ্ন:৬
দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ নদী পূর্ববাহিনী কেন ?

উত্তর: 
আরবসাগরীয় সামুদ্রিক পাতের চাপ প্রতিরােধ করতে গিয়ে ভারতের পশ্চিম উপকূলসহ দাক্ষিণাত্য মালভূমি সামগ্রিকভাবে পূর্বদিকে ঢালু হয়ে গেছে। তাই দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ নদনদী দাক্ষিণাত্য মালভূমি-সংলগ্ন পশ্চিমঘাট পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে ভূমির স্বাভাবিক ঢাল অনুসারে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। যেমন—মহানদী, গােদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী প্রভৃতি। এইজন্যই দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ নদী পূর্বৰ্বাহিনী।


প্রশ্ন:৭
দক্ষিণ ভারতের নদনদীতে বন্যার প্রকোপ কম কেন ?

উত্তর: 
দক্ষিণ ভারতের প্রধান নদীগুলি হল—গােদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী, মহানদী, নর্মদা, তাপ্তী প্রভৃতি। এই সব নদীগুলি বেশিরভাগই বৃষ্টির জলে পুষ্ট। ফলে বর্ষাকাল ব্যতীত বছরের অন্যান্য সময় নদীতে জল প্রবাহের পরিমাণ কমে যায়। এ ছাড়া দক্ষিণাত্য মালভূমি পশ্চিমঘাট পর্বতের বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে বৃষ্টিপাতও কম হয়ে থাকে ফলে নদীতে জলের জোগান সেই পরিমাণ বৃদ্ধি পায় না। এইজন্য দক্ষিণ ভারতের নদনদীতে বন্যার প্রকোপ কম।


প্রশ্ন:৮
উত্তর-পূর্ব ভারতের চারটি নদীর নাম লেখাে।

উত্তর: 
উত্তর-পূর্ব ভারতের চারটি নদী হল—
(i) ত্রিপুরার গােমতী, 
(ii) মিজোরামের কালাদান, 
(iii) মণিপুরের বরাক এবং 
(iv) মেঘালয়ের সিমসাং।


প্রশ্ন:৯
ব্রহ্মপুত্র নদের বন্যার কারণ উল্লেখ করো।

উত্তর: 
ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে দীর্ঘ পার্বত্য পথ অতিক্রম করে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ হয়ে অসমের সমভূমির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পার্বত্য প্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ অসমের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ক্রমাগত সঞ্চিত হওয়ার ফলে নদীখাতের গভীরতা হ্রাস পেয়েছে। আবার বর্ষাকালে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী সাংপাে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি ও বরফগলা জল বয়ে নিয়ে এসে ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়। এ ছাড়া, বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে অসমের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে। ফলে নদীতে জলের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এই অতিরিক্ত জল (বৃষ্টির জল ও বরফগলা জল) বহন করার ক্ষমতা ব্রহ্মপুত্রের থাকে না। ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়।


প্রশ্ন:১০
পৃথিবীর বৃহত্তম নদীদ্বীপের নাম ও অবস্থান উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
মাজুলি নদীদ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদীদ্বীপ। অসম রাজ্যে ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহপথে মাজুলি নদীদ্বীপ অবস্থিত।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—                ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনে ভারতীয়দের জন্য শিক্ষার ক্ষেত্রে ১ লক্ষ টাকা ব্যয় করার কথা বলা হয়। সেই টাকা প্রাচ্য না পাশ্চাত্য কোন শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে তা নিয়ে ভারতীয় ও ইউরোপীয়রা প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই সমস্যার সমাধান কল্পে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক তাঁর আইন সচিব মেকলেকে ‘ পাবলিক ইনস্ট্রাকশন কমিটি ’র সভাপতি পদে নিয়োগ করেন। মেকলে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের স্বপক্ষে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে একটি প্রস্তাব পেশ করেন। এই প্রতিবেদন মেকলে মিনিটস নামে খ্যাত।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

উডের ডেসপ্যাচ বা উডের প্রতিবেদন।

উডের ডেসপ্যাচ            ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে ইংল্যান্ডের বোর্ড অব কন্ট্রোলের সভাপতি স্যার চার্লস উডের নেতৃত্বে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট একটি শিক্ষা কমিটি গঠন করে। এই কমিটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার জন্য যে সুপারিশ পেশ করেন (১৮৫৪ খ্রি., ১৯ জুলাই ) তা উডের ডেসপ্যাচ বা উডের প্রতিবেদন নামে পরিচিত।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—