Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

আঞ্চলিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা সেট-৭

ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা


প্রশ্ন:১
পশ্চিমঘাট পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে আরবসাগরে পতিত হয়েছে এরকম চারটি নদীর নাম লেখাে।

উত্তর: 
পশ্চিমঘাট পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে আরবসাগরে পতিত হয়েছে এ রকম চারটি নদী হল—
(i) গুজরাট উপকূলের ভাদর, 
(ii) কোঙ্কন উপকূলের উলহাস, 
(iii) কর্ণাটক উপকূলের সরস্বতী এবং 
(iv) মালাবার উপকূলের পেরিয়ার।


প্রশ্ন:২
পশ্চিমবাহিনী নদীর মােহনায় বদ্বীপ গড়ে ওঠেনি কেন ? অথবা, নর্মদা ও তাপ্তী নদীর মােহনায় বদ্বীপ সৃষ্টি হয়নি কেন ?

উত্তর: 
পশ্চিম ভারতের কয়েকটি নদী হল—সবরমতী, মাহী, নর্মদা, তাপ্তী প্রভৃতি। 
এই সব নদীগুলির মােহনায় বদ্বীপ গড়ে না ওঠার কারণগুলি হল— 
(i) পশ্চিমবাহিনী নদীগুলি পশ্চিমঘাট পর্বত থেকে উৎপন্ন হওয়ায় এদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ তুলনামূলকভাবে পূর্ববাহিনী নদী অপেক্ষা কম। ফলে নদীর জলে পলির পরিমাণও কম থাকে। 
(ii) নর্মদা ও তাপ্তী নদীদ্বয় দৈর্ঘ্যে বৃহৎ হলেও এরা গ্রস্ত উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, ফলে স্রোতের বেগ বেশি থাকে। মােহানায় পলি সঞ্চয়ের অবকাশ থাকে না। 
(iii) পশ্চিমবাহিনী নদীগুলির উপনদীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় মােট জলের পরিমাণ ও সঞ্চয়যােগ্য পলির পরিমাণ কম হয়। 
(iv) খাম্বাত উপসাগর গভীর হওয়ায় (সমুদ্রতলের ঢাল) পলি সঞ্চিত হতে পারে না।


প্রশ্ন:৩
লুনি নদীর গতিপথ উল্লেখ করো।

উত্তর: 
ভারতের একটি অন্তর্বাহিনী নদী হল লুনি। লুনি নদী (দৈর্ঘ্য ৪৫০ কিমি) রাজস্থানের আজমীরের দক্ষিণ-পশ্চিমে আরাবল্লি পর্বতের উত্তরাংশে নাগপাহাড়ের আনাসাগর হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। উৎপত্তির পর এই নদী রাজস্থানের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়ে কচ্ছের রানে মিলিত হয়েছে। বর্ষাকাল ছাড়া বছরের অন্যান্য সময় লুনি নদীতে জল থাকে না। এই নদীর দুটি প্রধান উপনদী হল— জওয়াই ও সুকরী।


প্রশ্ন:৪
দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ পূর্ববাহিনী নদীর মােহানায় বদ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে কেন ?

উত্তর: 
দক্ষিণ ভারতের প্রধান পূর্ববাহিনী নদীগুলি হল—মহানদী, গােদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী প্রভৃতি। প্রতিটি নদীর মােহানায় বদ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে। 
এর প্রধান কারণগুলি হল— 
(i) নদীগুলির দৈর্ঘ্য অপেক্ষাকৃত বেশি এবং উপনদীর সংখ্যাও বেশি হওয়ায় নদীর জলে পলির পরিমাণ বেশি থাকে। 
(ii) প্রতিটি নদীই বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ভারতের পূর্ব উপকূল সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপকূল সংলগ্ন মহীসােপান অঞ্চল অগভীর ও কম ঢালু। 
(iii) নদীগুলির নিম্নপ্রবাহে স্রোতের বেগ কম থাকায় মােহানায় সঞ্চয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। 
(iv) সমুদ্রস্রোতের প্রভাব কম থাকায় নদীর সঙ্গে আগত নুড়ি, কাঁকর, বালি সহজেই মােহনায় অধঃক্ষেপিত হয়। 
(v) বারবার ভূ-আলােড়নের ফলে পূর্ব উপকূল ক্রমাগত উঁচু হওয়ায় নদনদীর স্রোতের বেগ হ্রাস পেয়েছে ফলে মােহানায় সঞ্চয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। 
(vi) সমুদ্র তরঙ্গের সঞ্চয়ধর্মী প্রবণতা বদ্বীপ সৃষ্টির একটি প্রধান কারণ।


প্রশ্ন:৫
গােদাবরী ও কৃষ্ণা নদীর উৎপত্তিস্থান ও মােহানা কোথায় অবস্থিত ?

উত্তর: 
গােদাবরী নদী পশ্চিমঘাট পর্বতের এ্যম্বক শৃঙ্গা থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে। কৃষ্ণা নদী পশ্চিমঘাট পর্বতের মহাবালেশ্বর পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে বিজয়ওয়াড়ার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।


প্রশ্ন:৬
দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ নদী পূর্ববাহিনী কেন ?

উত্তর: 
আরবসাগরীয় সামুদ্রিক পাতের চাপ প্রতিরােধ করতে গিয়ে ভারতের পশ্চিম উপকূলসহ দাক্ষিণাত্য মালভূমি সামগ্রিকভাবে পূর্বদিকে ঢালু হয়ে গেছে। তাই দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ নদনদী দাক্ষিণাত্য মালভূমি-সংলগ্ন পশ্চিমঘাট পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে ভূমির স্বাভাবিক ঢাল অনুসারে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। যেমন—মহানদী, গােদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী প্রভৃতি। এইজন্যই দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ নদী পূর্বৰ্বাহিনী।


প্রশ্ন:৭
দক্ষিণ ভারতের নদনদীতে বন্যার প্রকোপ কম কেন ?

উত্তর: 
দক্ষিণ ভারতের প্রধান নদীগুলি হল—গােদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী, মহানদী, নর্মদা, তাপ্তী প্রভৃতি। এই সব নদীগুলি বেশিরভাগই বৃষ্টির জলে পুষ্ট। ফলে বর্ষাকাল ব্যতীত বছরের অন্যান্য সময় নদীতে জল প্রবাহের পরিমাণ কমে যায়। এ ছাড়া দক্ষিণাত্য মালভূমি পশ্চিমঘাট পর্বতের বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে বৃষ্টিপাতও কম হয়ে থাকে ফলে নদীতে জলের জোগান সেই পরিমাণ বৃদ্ধি পায় না। এইজন্য দক্ষিণ ভারতের নদনদীতে বন্যার প্রকোপ কম।


প্রশ্ন:৮
উত্তর-পূর্ব ভারতের চারটি নদীর নাম লেখাে।

উত্তর: 
উত্তর-পূর্ব ভারতের চারটি নদী হল—
(i) ত্রিপুরার গােমতী, 
(ii) মিজোরামের কালাদান, 
(iii) মণিপুরের বরাক এবং 
(iv) মেঘালয়ের সিমসাং।


প্রশ্ন:৯
ব্রহ্মপুত্র নদের বন্যার কারণ উল্লেখ করো।

উত্তর: 
ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে দীর্ঘ পার্বত্য পথ অতিক্রম করে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ হয়ে অসমের সমভূমির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পার্বত্য প্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ অসমের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ক্রমাগত সঞ্চিত হওয়ার ফলে নদীখাতের গভীরতা হ্রাস পেয়েছে। আবার বর্ষাকালে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী সাংপাে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি ও বরফগলা জল বয়ে নিয়ে এসে ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়। এ ছাড়া, বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে অসমের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে। ফলে নদীতে জলের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এই অতিরিক্ত জল (বৃষ্টির জল ও বরফগলা জল) বহন করার ক্ষমতা ব্রহ্মপুত্রের থাকে না। ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়।


প্রশ্ন:১০
পৃথিবীর বৃহত্তম নদীদ্বীপের নাম ও অবস্থান উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
মাজুলি নদীদ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদীদ্বীপ। অসম রাজ্যে ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহপথে মাজুলি নদীদ্বীপ অবস্থিত।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 5

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে হলে ন্যূনতম কত বছর ভারতে বসবাস করতে হয়?  উত্তরঃ ৫ বছর। প্রশ্নঃ বর্তমানে ভারতীয় সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকার আছে?  উত্তরঃ  ৬টি

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো। ১. ইতিহাসের উপাদান             ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক বিবরণ। কিন্তু এই বিবরণ কল্পনাপ্রসূত নয়; এটি নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ওপর। যে সমস্ত উৎস, সাক্ষ্য বা প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিকরা অতীত দিনের ঘটনাবলী পুনর্গঠন করেন, তাকেই 'ইতিহাসের উপাদান' (Sources of History) বলা হয়। উপাদান ছাড়া ইতিহাস রচনা করা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার শামিল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বা আর. সি. মজুমদার সকলেই একমত যে, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের ক্ষেত্রে উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ইতিহাসের উপাদানের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Historical Sources)           ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—  (ক) সাহিত্যিক উপাদান এবং  (খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান।  তবে আধুনিক যুগে এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো: ক) সাহিত্যিক উপাদান (Literary Sources):...