Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

আঞ্চলিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা সেট-৩

ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা


প্রশ্ন:১
ভারতের একটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
ভারতের একটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল হল—
(i) পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্বাংশ— দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আরবসাগরীয় শাখা পশ্চিমদিক থেকে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিম উপকূলের পশ্চিমঘাট পর্বতমালায় বাধা পেয়ে পর্বতের পশ্চিম ঢালে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। কিন্তু, এই বায়ু যখন পশ্চিমঘাট পর্বত অতিক্রম করে পর্বতের পূর্ব ঢালে পৌছায় তখন বায়ুতে জলীয়বাষ্পের অভাবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হ্রাস পায়, ও বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের সৃষ্টি করে।


প্রশ্ন:২
বরদৈছিলা ও আম্রবৃষ্টি কাকে বলে ?

উত্তর: 
গ্রীষ্মকালে অধিক উষ্ণতাজনিত কারণে স্থান বিশেষে গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এই নিম্নচাপকে কেন্দ্র করে ঝড়বৃষ্টি হয়। এই ধরনের প্রবল ঝড়বৃষ্টিকে অসমে বরদৈছিলা এবং দক্ষিণ ভারতে ‘আম্রবৃষ্টি’ বলে।


প্রশ্ন:৩
‘নরওয়েস্টার’ (Nor-Wester)  কী ?

উত্তর: 
গ্রীষ্মকালে পশ্চিমবঙ্গে যে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয় তা উত্তর-পশ্চিমদিক (Nor-North, Wester-Western) থেকে আসে বলে এই ধরনের ঝড়কে ‘নরওয়েস্টার’ বলে। এর গতিবেগ ঘন্টায় ৬০-৮০ কিমি। এই কালবৈশাখী ঝড় পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অসম, বাংলাদেশ প্রভৃতি অঞ্চলে মূলত গ্রীষ্মকালে বিকেলবেলায় ঘটে থাকে। এর ফলে স্থানীয় উষ্ণতা একলাফে ১০°-১৫° সেন্টিগ্রেড কমে যায়।


প্রশ্ন:৪
বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল কী ? উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
আর্দ্র জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু পর্বতের যে ঢালে এসে বাধাপ্রাপ্ত হয় সেই ঢালে প্রচুর শৈলােৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটে। কিন্তু, ওই বায়ু যখন পর্বত অতিক্রম করে পর্বতের বিপরীত ঢালে (অনুবাত ঢালে) এসে পৌছায় তখন বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কমে যায়। এ ছাড়া বায়ু পর্বতের ঢাল বরাবর উপর থেকে নীচের দিকে নামার সময় বায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায় এবং বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হ্রাস পায়।পর্বতের বিপরীত বা অনুবাত ঢালে এইরকম কম বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলকে বৃষ্টিচছায় (Rain Shadow) অঞ্চল বলে। যেমন—পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্ব ঢাল ভারতের একটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল।


প্রশ্ন:৫
‘আঁধি’ ও ‘লু’ কী ?

উত্তর: 
গ্রীষ্মকালে উত্তর-পশ্চিম ভারতে বিশেষ করে পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় যে ধূলিঝড় প্রবাহিত হয় তাকে ‘আঁধি’ বলে। গ্রীষ্মকালে দুপুরে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব ভারতে (বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশ, রাজদ্বান ও বিহার ) হঠং করে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে উষ্ণ বায়ুপ্রবাহ প্রবাহিত হয়। এই ধরনের বায়ুপ্রবাহকে ‘লু’ বলে।


প্রশ্ন:৬
‘Cherry Blossoms’ ?

উত্তর: 
গ্রীষ্মকালে স্থানীয় গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টির ফলে দক্ষিণ ভারতে যে ঝড়বৃষ্টি হয়, তার প্রভাবে কর্ণাটকের কফি চাষের বিশেষ উপকার হয় বলে, এই ধরনের বৃষ্টিপাতকে কর্ণাটকে ‘Cherry Blossoms’ বলে।


প্রশ্ন:৭
পশ্চিমবঙ্গের একটি খরাপ্রবণ অঞ্চলের নাম করাে।

উত্তর: 
বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলার অন্তর্গত পশ্চিমের ক্ষয়প্রাপ্ত মালভূমি হল পশ্চিমবঙ্গের একটি প্রধান খরাপ্রবণ অঞ্চল।


প্রশ্ন:৮
ভারতের কোন্ কোন্ অঞ্চলে বছরে দুবার বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয় ?

উত্তর: 
ভারতে প্রধানত দুটি অঞ্চলে বছরে দুবার বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়—(i) করমণ্ডল উপকূল— দক্ষিণ ভারতের করমণ্ডল উপকূলে বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এবং শীতের প্রারম্ভে শরৎকালে প্রত্যাবর্তন মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়। (ii) উত্তর-পশ্চিম ভারত—উত্তর-পশ্চিম ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি প্রভৃতি রাজ্যে বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এবং শীতকালে পশ্চিমা-ঝঞ্ঝার প্রভাবে বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়।


প্রশ্ন:৯
ভারতের উপকূলবর্তী অঞ্চলে জলবায়ুর প্রকৃতি কেমন ?

উত্তর: 
ভারতের উপকূলের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে জলবায়ু সমভাবাপন্ন অর্থাৎ, শীত ও গ্রীষ্মের মধ্যে তাপমাত্রার পার্থক্য কম। যেমন—মুম্বই।


প্রশ্ন:১০
প্রত্যাবর্তনকারী দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কী ?

উত্তর: 
সূর্যের দক্ষিণায়নের ফলে উত্তর-পশ্চিম ভারতের নিম্নচাপ কেন্দ্রটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং উষ্ণতা হ্রাস পাওয়ায় সেখানে উচ্চচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। এই উচ্চচাপ কেন্দ্র থেকে নির্গত শীতল বায়ু (উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু) দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে দুর্বল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুকে পশ্চাদপসরণ করতে বাধ্য করে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর এই পশ্চাদপসরণকে প্রত্যাবর্তনকারী দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 5

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে হলে ন্যূনতম কত বছর ভারতে বসবাস করতে হয়?  উত্তরঃ ৫ বছর। প্রশ্নঃ বর্তমানে ভারতীয় সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকার আছে?  উত্তরঃ  ৬টি

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো। ১. ইতিহাসের উপাদান             ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক বিবরণ। কিন্তু এই বিবরণ কল্পনাপ্রসূত নয়; এটি নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ওপর। যে সমস্ত উৎস, সাক্ষ্য বা প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিকরা অতীত দিনের ঘটনাবলী পুনর্গঠন করেন, তাকেই 'ইতিহাসের উপাদান' (Sources of History) বলা হয়। উপাদান ছাড়া ইতিহাস রচনা করা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার শামিল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বা আর. সি. মজুমদার সকলেই একমত যে, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের ক্ষেত্রে উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ইতিহাসের উপাদানের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Historical Sources)           ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—  (ক) সাহিত্যিক উপাদান এবং  (খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান।  তবে আধুনিক যুগে এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো: ক) সাহিত্যিক উপাদান (Literary Sources):...