Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৫

বায়ুমণ্ডল


প্রশ্ন:১
সমােষ্ণরেখা কাকে বলে ?

উত্তর: 
বছরের নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত জানুয়ারি ও জুলাই মাসে) যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে কোনাে অঞ্চলের আবহাওয়া মানচিত্রে ভূপৃষ্ঠের গড় সমতাপবিশিষ্ট স্থানগুলিকে যুক্ত করা হয়, সেই রেখাকে সমােষ্ণরেখা বলে। সমােষ্ণরেখাগুলি অক্ষরেখার প্রায় সমান্তরালে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকে।


প্রশ্ন:২
বায়ুচাপ কাকে বলে ?

উত্তর: 
আবহাওয়া ও জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল বায়ুচাপ। নির্দিষ্ট উষ্ণতায়, কোনাে একক ক্ষেত্রফল (এক বর্গ ইঞ্চি বা এক বর্গ সেমি) স্থানের উপরিস্থিত বায়ুস্তম্ভ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ওই স্থানের ওপর যে বল বা চাপ প্রয়ােগ করে তাকে ওই উষ্ণতায় ওই স্থানের বায়ুচাপ বলে। সাধারণভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠ এলাকায় প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে বায়ুর চাপ ১.০৩ কেজি।


প্রশ্ন:৩
বায়ুমণ্ডলে চাপের তারতম্যের কারণ কী ?

উত্তর: 
চারটি প্রধান কারণে বায়ুমণ্ডলে চাপের তারতম্য ঘটে। যেমন—
(ক) উষ্ণতার হ্রাসবৃদ্ধি, 
(খ) উচ্চতার হ্রাসবৃদ্ধি, 
(গ) বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণের হ্রাসবৃদ্ধি, 
(ঘ) পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে আবর্তন বেগের তারতম্য। 
প্রতিটি কারণের সঙ্গেই বায়ুচাপের সম্পর্ক ব্যাস্তানুপাতী।


প্রশ্ন:৪
ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য উষ্ণতা বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
যে উষ্ণতা বা শীতলতা মানবদেহে অনুভূত হয় তাকেই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য উষ্ণতা বলে। এক্ষেত্রে বাতাসের আর্দ্রতার সঙ্গে উষ্ণতার একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। শুষ্ক উষ্ণতা শরীরে স্বাচ্ছন্দ্য সৃষ্টি করে, কিন্তু আর্দ্র উষ্ণতা শরীরে প্রচণ্ড অস্বস্তির সৃষ্টি করে।


প্রশ্ন:৫
উচ্চচাপ ও নিম্নচাপ অঞ্চল বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
সাধারণত ১০১৩ মিলিবার বা তার বেশি বায়ুচাপকে উচ্চচাপ এবং ৯৮৬ মিলিবারের কম বায়ুচাপকে নিম্নচাপ ধরা হয়। তবে ‘উচ্চচাপ’ ও ‘নিম্নচাপ’ কথা দুটি আপেক্ষিক। কোনাে স্থানে বায়ুর চাপের পরিমাণ তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল অপেক্ষা বেশি হলে ওই অঞ্চলকে উচ্চচাপ অঞ্চল বলে। আবার কোনাে স্থানের বায়ুর চাপের পরিমাণ তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল অপেক্ষা কম হলে ওই অঞ্চলকে নিম্নচাপ অঞ্চল বলে।


প্রশ্ন:৬
সূর্যরশ্মির তাপীয় ফল বা ইনসােলেশন্ (Insolation) কী ? 

উত্তর: 
সূর্য থেকে আলাে ও তাপের মাধ্যমে যে শক্তি মহাশূন্যে বিকিরিত হয় তাকে ‘সৌর বিকিরণ’ বলে। মােট সৌর বিকিরণের যে পরিমাণ আলাে ও তাপ (২২০ কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র) ক্ষুদ্র তরঙ্গরূপে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এসে পৌঁছায় তাকে সূর্যরশ্মির তাপীয় ফল বা ইনসােলেশন্ বলে।


প্রশ্ন:৭
বায়ুচাপ কক্ষ কাকে বলে ?

উত্তর: 
একই সময়ে জল ও স্থলের ওপর বায়ুচাপ সমান হয় না। তাই সমচাপ অঞ্চলে জল ও স্থল পাশাপাশি অবস্থান করলে বায়ুচাপ বলয় আকারে পৃথিবীকে বেষ্টন না করে জল ও স্থলের উপর পৃথকভাবে ক্ষুদ্ৰক্ষুদ্র খণ্ডে বিভক্ত হয়ে অবস্থান করে। এই খণ্ডিত চাপবলয়গুলিকেই বায়ুচাপ কক্ষ বলে। উত্তর গােলার্ধে জল ও স্থলভাগের সহাবস্থান বেশি হওয়ায় উত্তর গােলার্ধেই বায়ুচাপ কক্ষ বেশি দেখা যায়।


প্রশ্ন:৮
সমচাপরেখা বা সমপ্রেষরেখা কাকে বলে ?

উত্তর: 
বছরের নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত জানুয়ারি ও জুলাই মাসে) যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে কোনাে অঞ্চলের আবহাওয়া মানচিত্রে ভূপৃষ্ঠের গড় সমচাপবিশিষ্ট স্থানগুলিকে যুক্ত করা হয়, সেই রেখাকে সমচাপরেখা বা সমপ্রেষ (প্রেষ=Pressure) রেখা বলা হয়। সমচাপরেখাগুলি অক্ষরেখার প্রায় সমান্তরালে, পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকে।


প্রশ্ন:৯
বৈপরীত্য উত্তাপ বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
ট্রপােস্ফিয়ার স্তরে স্বাভাবিক নিয়মে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাস পায়। কিন্তু, কোনােকোনাে ক্ষেত্রে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাসের পরিবর্তে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। উষ্ণতার হ্রাসবৃদ্ধি সংক্রান্ত স্বাভাবিক নিয়মের এই ব্যতিক্রমকেই বৈপরীত্য উত্তাপ বলা হয়। সাধারণত শীতকালীন দীর্ঘ রাত্রির শেষভাগে পার্বত্য উপত্যকা অঞ্চলে বৈপরীত্য উত্তাপের সৃষ্টি হয়।


প্রশ্ন:১০
উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার বা উষ্ণতার স্বাভাবিক হ্রাস-হার কাকে বলে ?

উত্তর: 
ট্রপােস্ফিয়ার স্তরে স্বাভাবিক নিয়মে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাস পায়। সাধারণত গড়ে প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে ৬.৪° সেলসিয়াস বা প্রতি ১০০০ ফুট উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে ৩.৬° ফারেনহাইট হারে উষ্ণতা হ্রাস পায়। একেই ‘উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার’ বা ‘উষ্ণতার স্বাভাবিক হ্রাস-হার’ বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 5

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে হলে ন্যূনতম কত বছর ভারতে বসবাস করতে হয়?  উত্তরঃ ৫ বছর। প্রশ্নঃ বর্তমানে ভারতীয় সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকার আছে?  উত্তরঃ  ৬টি

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো। ১. ইতিহাসের উপাদান             ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক বিবরণ। কিন্তু এই বিবরণ কল্পনাপ্রসূত নয়; এটি নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ওপর। যে সমস্ত উৎস, সাক্ষ্য বা প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিকরা অতীত দিনের ঘটনাবলী পুনর্গঠন করেন, তাকেই 'ইতিহাসের উপাদান' (Sources of History) বলা হয়। উপাদান ছাড়া ইতিহাস রচনা করা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার শামিল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বা আর. সি. মজুমদার সকলেই একমত যে, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের ক্ষেত্রে উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ইতিহাসের উপাদানের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Historical Sources)           ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—  (ক) সাহিত্যিক উপাদান এবং  (খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান।  তবে আধুনিক যুগে এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো: ক) সাহিত্যিক উপাদান (Literary Sources):...