Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৫

বায়ুমণ্ডল


প্রশ্ন:১
সমােষ্ণরেখা কাকে বলে ?

উত্তর: 
বছরের নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত জানুয়ারি ও জুলাই মাসে) যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে কোনাে অঞ্চলের আবহাওয়া মানচিত্রে ভূপৃষ্ঠের গড় সমতাপবিশিষ্ট স্থানগুলিকে যুক্ত করা হয়, সেই রেখাকে সমােষ্ণরেখা বলে। সমােষ্ণরেখাগুলি অক্ষরেখার প্রায় সমান্তরালে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকে।


প্রশ্ন:২
বায়ুচাপ কাকে বলে ?

উত্তর: 
আবহাওয়া ও জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল বায়ুচাপ। নির্দিষ্ট উষ্ণতায়, কোনাে একক ক্ষেত্রফল (এক বর্গ ইঞ্চি বা এক বর্গ সেমি) স্থানের উপরিস্থিত বায়ুস্তম্ভ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ওই স্থানের ওপর যে বল বা চাপ প্রয়ােগ করে তাকে ওই উষ্ণতায় ওই স্থানের বায়ুচাপ বলে। সাধারণভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠ এলাকায় প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে বায়ুর চাপ ১.০৩ কেজি।


প্রশ্ন:৩
বায়ুমণ্ডলে চাপের তারতম্যের কারণ কী ?

উত্তর: 
চারটি প্রধান কারণে বায়ুমণ্ডলে চাপের তারতম্য ঘটে। যেমন—
(ক) উষ্ণতার হ্রাসবৃদ্ধি, 
(খ) উচ্চতার হ্রাসবৃদ্ধি, 
(গ) বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণের হ্রাসবৃদ্ধি, 
(ঘ) পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে আবর্তন বেগের তারতম্য। 
প্রতিটি কারণের সঙ্গেই বায়ুচাপের সম্পর্ক ব্যাস্তানুপাতী।


প্রশ্ন:৪
ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য উষ্ণতা বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
যে উষ্ণতা বা শীতলতা মানবদেহে অনুভূত হয় তাকেই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য উষ্ণতা বলে। এক্ষেত্রে বাতাসের আর্দ্রতার সঙ্গে উষ্ণতার একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। শুষ্ক উষ্ণতা শরীরে স্বাচ্ছন্দ্য সৃষ্টি করে, কিন্তু আর্দ্র উষ্ণতা শরীরে প্রচণ্ড অস্বস্তির সৃষ্টি করে।


প্রশ্ন:৫
উচ্চচাপ ও নিম্নচাপ অঞ্চল বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
সাধারণত ১০১৩ মিলিবার বা তার বেশি বায়ুচাপকে উচ্চচাপ এবং ৯৮৬ মিলিবারের কম বায়ুচাপকে নিম্নচাপ ধরা হয়। তবে ‘উচ্চচাপ’ ও ‘নিম্নচাপ’ কথা দুটি আপেক্ষিক। কোনাে স্থানে বায়ুর চাপের পরিমাণ তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল অপেক্ষা বেশি হলে ওই অঞ্চলকে উচ্চচাপ অঞ্চল বলে। আবার কোনাে স্থানের বায়ুর চাপের পরিমাণ তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল অপেক্ষা কম হলে ওই অঞ্চলকে নিম্নচাপ অঞ্চল বলে।


প্রশ্ন:৬
সূর্যরশ্মির তাপীয় ফল বা ইনসােলেশন্ (Insolation) কী ? 

উত্তর: 
সূর্য থেকে আলাে ও তাপের মাধ্যমে যে শক্তি মহাশূন্যে বিকিরিত হয় তাকে ‘সৌর বিকিরণ’ বলে। মােট সৌর বিকিরণের যে পরিমাণ আলাে ও তাপ (২২০ কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র) ক্ষুদ্র তরঙ্গরূপে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এসে পৌঁছায় তাকে সূর্যরশ্মির তাপীয় ফল বা ইনসােলেশন্ বলে।


প্রশ্ন:৭
বায়ুচাপ কক্ষ কাকে বলে ?

উত্তর: 
একই সময়ে জল ও স্থলের ওপর বায়ুচাপ সমান হয় না। তাই সমচাপ অঞ্চলে জল ও স্থল পাশাপাশি অবস্থান করলে বায়ুচাপ বলয় আকারে পৃথিবীকে বেষ্টন না করে জল ও স্থলের উপর পৃথকভাবে ক্ষুদ্ৰক্ষুদ্র খণ্ডে বিভক্ত হয়ে অবস্থান করে। এই খণ্ডিত চাপবলয়গুলিকেই বায়ুচাপ কক্ষ বলে। উত্তর গােলার্ধে জল ও স্থলভাগের সহাবস্থান বেশি হওয়ায় উত্তর গােলার্ধেই বায়ুচাপ কক্ষ বেশি দেখা যায়।


প্রশ্ন:৮
সমচাপরেখা বা সমপ্রেষরেখা কাকে বলে ?

উত্তর: 
বছরের নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত জানুয়ারি ও জুলাই মাসে) যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে কোনাে অঞ্চলের আবহাওয়া মানচিত্রে ভূপৃষ্ঠের গড় সমচাপবিশিষ্ট স্থানগুলিকে যুক্ত করা হয়, সেই রেখাকে সমচাপরেখা বা সমপ্রেষ (প্রেষ=Pressure) রেখা বলা হয়। সমচাপরেখাগুলি অক্ষরেখার প্রায় সমান্তরালে, পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকে।


প্রশ্ন:৯
বৈপরীত্য উত্তাপ বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
ট্রপােস্ফিয়ার স্তরে স্বাভাবিক নিয়মে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাস পায়। কিন্তু, কোনােকোনাে ক্ষেত্রে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাসের পরিবর্তে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। উষ্ণতার হ্রাসবৃদ্ধি সংক্রান্ত স্বাভাবিক নিয়মের এই ব্যতিক্রমকেই বৈপরীত্য উত্তাপ বলা হয়। সাধারণত শীতকালীন দীর্ঘ রাত্রির শেষভাগে পার্বত্য উপত্যকা অঞ্চলে বৈপরীত্য উত্তাপের সৃষ্টি হয়।


প্রশ্ন:১০
উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার বা উষ্ণতার স্বাভাবিক হ্রাস-হার কাকে বলে ?

উত্তর: 
ট্রপােস্ফিয়ার স্তরে স্বাভাবিক নিয়মে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাস পায়। সাধারণত গড়ে প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে ৬.৪° সেলসিয়াস বা প্রতি ১০০০ ফুট উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে ৩.৬° ফারেনহাইট হারে উষ্ণতা হ্রাস পায়। একেই ‘উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার’ বা ‘উষ্ণতার স্বাভাবিক হ্রাস-হার’ বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

স্তূপ পর্বত

স্তূপ পর্বত             ভূ-আলোড়নজনিত প্রসারণ বলের প্রভাবে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ফাটলের মধ্যবর্তী অংশ চাপের ফলে বিচ্যুত হয়ে ওপরে উঠে যায় বা দুটি ফাটলের মধ্যবর্তী অংশ চাপের ফলে নীচে বসে যায় তখন অপেক্ষাকৃত উঁচু অংশকে স্তূপ পর্বত বলে। প্রবল ভূ-আলোড়নের ফলে ভূত্বকের বিভিন্ন অংশে চাপের পার্থক্য ঘটে। ফলে শিলায় টান ও সংনমনের সৃষ্টি হয়। টান ও সংনমনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয় এবং ফাটলরেখা বরাবর শিলার এক অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি উল্লম্ব চ্যুতির মাঝের অংশটি নীচে বসে গেলে দু-পাশ ওপরে উঠে আসে। আবার মাঝের অংশটি ওপরে উঠে গেলে দু-পাশ নীচে বসে যায়। তখন ওপরে উঠে আসা অংশকে স্তূপ পর্বত বলে।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি হল— (১) বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কোমল পাললিক শিলায় ঢেউ-এর মতো ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। (২) প্রধানত সমুদ্রগর্ভ থেকে সৃষ্টি হয় বলে ভঙ্গিল পর্বতে জীবাশ্ম দেখা যায়। (৩) ভঙ্গিল পর্বতগুলি সাধারণত পাললিক শিলায় গঠিত হলেও অনেক সময় ভঙ্গিল পর্বতে আগ্নেয় এবং রূপান্তরিত শিলার সহাবস্থান চোখে পড়ে (কারণ—ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির সময় শিলাস্তরে ফাটল সৃষ্টি হলে, সেই ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের ম্যাগমা লাভারূপে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে যা ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এর পর কালক্রমে প্রচণ্ড চাপ ও তাপের ফলে আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয়)

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...