Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

আঞ্চলিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা সেট-১

ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা


প্রশ্ন:১
ভূমিক্ষয় কী ?

উত্তর: 
প্রাকৃতিক শক্তি (বৃষ্টিপাত, জলস্রোত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি) ও মানুষের অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপের ফলে মাটির ক্ষয়সাধনকে ভূমিক্ষয় বা মাটিক্ষয় বলে। ভূমিক্ষয়ের ফলে মাটির উপরের হালকা ও অসংবদ্ধ অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত ও অপসারিত হয় এবং মাটির উর্বরতা দ্রুত হ্রাস পায়।


প্রশ্ন:২
পলি মাটিযুক্ত অঞ্চলকে ভারতের শস্যভাণ্ডার বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
নদীবাহিত পলি , বালি ও কাদা সঞ্চিত হয়ে পলি মাটির সৃষ্টি হয়। এই মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কম, কিন্তু পটাশ, চুন, ফেরাস অক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকায় এই মাটি দারুণ উর্বর এবং কৃষির পক্ষে উপযুক্ত। ভারতের অধিকাংশ খাদ্যশস্য পলি মাটিতে উৎপন্ন হয়। এই মৃত্তিকায় ধান, গম, পাট, ডাল, সরিষা প্রভৃতি শস্য প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। এইজন্য পলি মাটিযুক্ত অঞ্চলকে ভারতের শস্য ভাণ্ডার বলা হয়। 
যেমন—উৎপাদনের আধিক্যের জন্য শতদ্রু সমভূমিকে ভারতের গম ভান্ডার ও নিম্ন গঙ্গা সমভূমিকে ভারতের চালপাত্র বলা হয় ।


প্রশ্ন:৩
লালমাটি ভারতের কোথায় দেখা যায় ? এই মাটি কীভাবে সৃষ্টি হয় ?

উত্তর: 
কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চল ছাড়া প্রায় সমগ্র দাক্ষিণাত্য মালভূমি অঞলে লালমাটি দেখা যায়। এ ছাড়া, সাঁওতাল পরগনা, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ—পশ্চিমাংশে, ঝাড়খণ্ডের ছােটোনাগপুর মালভূমি অঞ্চল এবং উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর ও ঝাঁসি জেলায় এই মাটি দেখা যায়। প্রাচীন আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলার (মূলত গ্রানাইট ও নিস্) আবহবিকারের ফলে লালমাটির সৃষ্টি হয়।


প্রশ্ন:৪
ভারতের বদ্বীপ অঞ্চলের মাটি কোথায় দেখা যায় ? এই মাটির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
বদ্বীপ অঞ্চলের মাটি ভারতের পূর্ব-উপকূলের গঙ্গা, মহানদী, গােদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী প্রভৃতি নদীর বদ্বীপ অঞ্চলে এবং পশ্চিম-উপকূলের কাথিয়াবাড় উপদ্বীপ অঞ্চলে দেখা যায়।
এই মাটির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল 
(i) সমুদ্রের উপকূলে যেখানে, জোয়ারের প্রভাব বেশি সেখানে এই ধরনের মাটির সৃষ্টি হয় বলে এই মাটি কর্দমাক্ত। 
(ii) জোয়ারের জলে প্লাবিত হওয়ার দরুন এই মাটি লবণাক্ত হয়। 
(iii) নুনের আধিক্যের জন্য এই মাটি কৃষির পক্ষে অনুপযােগী।


প্রশ্ন:৫
কৃষ্ণ মৃত্তিকা কী ? এই মৃত্তিকা ভারতে কোথায় দেখা যায় ? 

উত্তর: 
লাভাগঠিত ব্যাসল্ট শিলা দীর্ঘদিন ধরে আবহবিকারের ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কালাে রং-এর যে মৃত্তিকা গঠন করে। তাকে কৃষ্ণ মৃত্তিকা বলে। এই মৃত্তিকাকে রেগুর বা Black Cotton Soil ও বলা হয়।
কৃষ্ণ মৃত্তিকা ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমির উত্তর-পশ্চিমাংশে মহারাষ্ট্র মালভূমি, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশের পশ্চিমাংশে ও কর্ণাটকের উত্তরাংশে দেখা যায়।


প্রশ্ন:৬
ডেকানট্র্যাপ অঞ্চলে কৃষ্ণমৃত্তিকার সৃষ্টি হয়েছে কেন ?

উত্তর: 
দাক্ষিণাত্য মালভূমির উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত লাভাগঠিত মালভূমিকে ডেকানট্র্যাপ বলে। লাভাগঠিত ব্যাসল্ট শিলা দীর্ঘদিন ধরে আবহবিকারপ্রাপ্ত ও ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কালাে রং-এর কৃষ্ণমৃত্তিকার সৃষ্টি করে।


প্রশ্ন:৭
পলি মাটির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
পলি মাটির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল—
(i) এটি একটি অনাঞ্চলিক মাটি। মূলত নদীবাহিত পলি, বালি ও কাদা প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে পলি মাটির সৃষ্টি হয়। 
(ii) খনিজ ও জৈবপদার্থ সমৃদ্ধ এই মৃত্তিকা খুব উর্বর এবং কৃষির পক্ষে উপযুক্ত। 
(iii) নদীর তীরবর্তী নবীন পলিমৃত্তিকাকে খাদার এবং প্রাচীন পলিমৃত্তিকাকে ভাঙর বলা হয়।


প্রশ্ন:৮
পডসল মাটি কী ? ভারতে এই মাটি কোথায় দেখা যায় ?

উত্তর: 
পার্বত্য সরলবর্গীয় বনভূমির তলদেশে অবস্থিত অধিক অম্লতাযুক্ত, অনুর্বর, ধূসর রং-এর মাটিকে পডসল মাটি বলে। পশ্চিম হিমালয় ও নীলগিরি পর্বতের উচ্চ অংশে অবস্থিত সরলবর্গীয় বনভূমি অঞ্চলে পডসল মাটি দেখা যায়।


প্রশ্ন:৯
ল্যাটেরাইট মাটি ভারতে কোথায় লক্ষ করা যায় ? এই মাটি কৃষির পক্ষে অনুপযুক্ত কেন ?

উত্তর: 
ল্যাটেরাইট মাটি কর্ণাটক ও কেরলের পশ্চিমঘাট পার্বত্য অঞ্চলে, অন্ধ্রপ্রদেশে, তামিলনাড়ু ও ওড়িশার স্থানবিশেষে, অসমের পার্বত্য অঞ্চলে ও ছােটোনাগপুর মালভূমির পূর্ব ঢালে লক্ষ করা যায়।
এই মৃত্তিকায় নাইট্রোজেন, পটাশ, চুন এবং জৈব পদার্থের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। মাটির জলধারণ ক্ষমতাও কম, ফলে ল্যাটেরাইট মাটি অনুর্বর এবং কৃষির পক্ষে অনুপযুক্ত।


প্রশ্ন:১০
খাদার ও ভাঙর কী ?

উত্তর: 
নদীর উভয় তীরস্থ প্লাবনভূমিতে নবীন সঞ্চিত পলি মাটিকে খাদার এবং প্রাচীন সঞ্চিত পলি মাটিকে ভাঙর বলে। নবীন পলি মাটি বা খাদার কম বালিযুক্ত, সাধারণত হালকা রং-এর এবং অত্যন্ত উর্বর। অন্যদিকে, প্রাচীন পলি মাটি বা ভাঙর অধিক কাদাযুক্ত, সাধারণত গাঢ় রং-এর এবং কম উর্বর।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য

  গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. গিরিখাত ক্যানিয়ন 1 গিরিখাত আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে বহু উপনদী গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। ফলে নদীখাত সামান্য প্রশস্ত হয়। ক্যানিয়ন শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে ক্যানিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সঙ্গে কোনো উপনদী মিলিত হয় না। ফলে নদীখাত একদম সংকীর্ণ হয়। 2 আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীতে গিরিখাতের সৃষ্টি হয়। শুষ্ক মরু ও মরুপ্রায় উচ্চভূমিতে প্রবাহিত নদীতে ক্যানিয়নের সৃষ্টি হয়। 3 গিরিখাত গঠনের সময় অধিক নিম্নক্ষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পার্শ্বক্ষয়ও হয়ে থাকে। ক্যানিয়ন গঠনের সময় পার্শ্বক্ষয় একদম হয় না শুধু নদীর নিম্নক্ষয়ই হয়ে থাকে। 4 গিরিখাতের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো। ক্যানিয়নের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘I’ অক্ষরের মতো। 5 যেহেতু আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে গিরিখাত সৃষ্টি হয়, সেহেতু বৃষ্টিপাতের জন্য নদীর দুই পাড়ের ক্ষয় সামা...

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...