Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

আঞ্চলিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা সেট-১

ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা


প্রশ্ন:১
ভূমিক্ষয় কী ?

উত্তর: 
প্রাকৃতিক শক্তি (বৃষ্টিপাত, জলস্রোত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি) ও মানুষের অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপের ফলে মাটির ক্ষয়সাধনকে ভূমিক্ষয় বা মাটিক্ষয় বলে। ভূমিক্ষয়ের ফলে মাটির উপরের হালকা ও অসংবদ্ধ অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত ও অপসারিত হয় এবং মাটির উর্বরতা দ্রুত হ্রাস পায়।


প্রশ্ন:২
পলি মাটিযুক্ত অঞ্চলকে ভারতের শস্যভাণ্ডার বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
নদীবাহিত পলি , বালি ও কাদা সঞ্চিত হয়ে পলি মাটির সৃষ্টি হয়। এই মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কম, কিন্তু পটাশ, চুন, ফেরাস অক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকায় এই মাটি দারুণ উর্বর এবং কৃষির পক্ষে উপযুক্ত। ভারতের অধিকাংশ খাদ্যশস্য পলি মাটিতে উৎপন্ন হয়। এই মৃত্তিকায় ধান, গম, পাট, ডাল, সরিষা প্রভৃতি শস্য প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। এইজন্য পলি মাটিযুক্ত অঞ্চলকে ভারতের শস্য ভাণ্ডার বলা হয়। 
যেমন—উৎপাদনের আধিক্যের জন্য শতদ্রু সমভূমিকে ভারতের গম ভান্ডার ও নিম্ন গঙ্গা সমভূমিকে ভারতের চালপাত্র বলা হয় ।


প্রশ্ন:৩
লালমাটি ভারতের কোথায় দেখা যায় ? এই মাটি কীভাবে সৃষ্টি হয় ?

উত্তর: 
কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চল ছাড়া প্রায় সমগ্র দাক্ষিণাত্য মালভূমি অঞলে লালমাটি দেখা যায়। এ ছাড়া, সাঁওতাল পরগনা, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ—পশ্চিমাংশে, ঝাড়খণ্ডের ছােটোনাগপুর মালভূমি অঞ্চল এবং উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর ও ঝাঁসি জেলায় এই মাটি দেখা যায়। প্রাচীন আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলার (মূলত গ্রানাইট ও নিস্) আবহবিকারের ফলে লালমাটির সৃষ্টি হয়।


প্রশ্ন:৪
ভারতের বদ্বীপ অঞ্চলের মাটি কোথায় দেখা যায় ? এই মাটির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
বদ্বীপ অঞ্চলের মাটি ভারতের পূর্ব-উপকূলের গঙ্গা, মহানদী, গােদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী প্রভৃতি নদীর বদ্বীপ অঞ্চলে এবং পশ্চিম-উপকূলের কাথিয়াবাড় উপদ্বীপ অঞ্চলে দেখা যায়।
এই মাটির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল 
(i) সমুদ্রের উপকূলে যেখানে, জোয়ারের প্রভাব বেশি সেখানে এই ধরনের মাটির সৃষ্টি হয় বলে এই মাটি কর্দমাক্ত। 
(ii) জোয়ারের জলে প্লাবিত হওয়ার দরুন এই মাটি লবণাক্ত হয়। 
(iii) নুনের আধিক্যের জন্য এই মাটি কৃষির পক্ষে অনুপযােগী।


প্রশ্ন:৫
কৃষ্ণ মৃত্তিকা কী ? এই মৃত্তিকা ভারতে কোথায় দেখা যায় ? 

উত্তর: 
লাভাগঠিত ব্যাসল্ট শিলা দীর্ঘদিন ধরে আবহবিকারের ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কালাে রং-এর যে মৃত্তিকা গঠন করে। তাকে কৃষ্ণ মৃত্তিকা বলে। এই মৃত্তিকাকে রেগুর বা Black Cotton Soil ও বলা হয়।
কৃষ্ণ মৃত্তিকা ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমির উত্তর-পশ্চিমাংশে মহারাষ্ট্র মালভূমি, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশের পশ্চিমাংশে ও কর্ণাটকের উত্তরাংশে দেখা যায়।


প্রশ্ন:৬
ডেকানট্র্যাপ অঞ্চলে কৃষ্ণমৃত্তিকার সৃষ্টি হয়েছে কেন ?

উত্তর: 
দাক্ষিণাত্য মালভূমির উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত লাভাগঠিত মালভূমিকে ডেকানট্র্যাপ বলে। লাভাগঠিত ব্যাসল্ট শিলা দীর্ঘদিন ধরে আবহবিকারপ্রাপ্ত ও ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কালাে রং-এর কৃষ্ণমৃত্তিকার সৃষ্টি করে।


প্রশ্ন:৭
পলি মাটির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
পলি মাটির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল—
(i) এটি একটি অনাঞ্চলিক মাটি। মূলত নদীবাহিত পলি, বালি ও কাদা প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে পলি মাটির সৃষ্টি হয়। 
(ii) খনিজ ও জৈবপদার্থ সমৃদ্ধ এই মৃত্তিকা খুব উর্বর এবং কৃষির পক্ষে উপযুক্ত। 
(iii) নদীর তীরবর্তী নবীন পলিমৃত্তিকাকে খাদার এবং প্রাচীন পলিমৃত্তিকাকে ভাঙর বলা হয়।


প্রশ্ন:৮
পডসল মাটি কী ? ভারতে এই মাটি কোথায় দেখা যায় ?

উত্তর: 
পার্বত্য সরলবর্গীয় বনভূমির তলদেশে অবস্থিত অধিক অম্লতাযুক্ত, অনুর্বর, ধূসর রং-এর মাটিকে পডসল মাটি বলে। পশ্চিম হিমালয় ও নীলগিরি পর্বতের উচ্চ অংশে অবস্থিত সরলবর্গীয় বনভূমি অঞ্চলে পডসল মাটি দেখা যায়।


প্রশ্ন:৯
ল্যাটেরাইট মাটি ভারতে কোথায় লক্ষ করা যায় ? এই মাটি কৃষির পক্ষে অনুপযুক্ত কেন ?

উত্তর: 
ল্যাটেরাইট মাটি কর্ণাটক ও কেরলের পশ্চিমঘাট পার্বত্য অঞ্চলে, অন্ধ্রপ্রদেশে, তামিলনাড়ু ও ওড়িশার স্থানবিশেষে, অসমের পার্বত্য অঞ্চলে ও ছােটোনাগপুর মালভূমির পূর্ব ঢালে লক্ষ করা যায়।
এই মৃত্তিকায় নাইট্রোজেন, পটাশ, চুন এবং জৈব পদার্থের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। মাটির জলধারণ ক্ষমতাও কম, ফলে ল্যাটেরাইট মাটি অনুর্বর এবং কৃষির পক্ষে অনুপযুক্ত।


প্রশ্ন:১০
খাদার ও ভাঙর কী ?

উত্তর: 
নদীর উভয় তীরস্থ প্লাবনভূমিতে নবীন সঞ্চিত পলি মাটিকে খাদার এবং প্রাচীন সঞ্চিত পলি মাটিকে ভাঙর বলে। নবীন পলি মাটি বা খাদার কম বালিযুক্ত, সাধারণত হালকা রং-এর এবং অত্যন্ত উর্বর। অন্যদিকে, প্রাচীন পলি মাটি বা ভাঙর অধিক কাদাযুক্ত, সাধারণত গাঢ় রং-এর এবং কম উর্বর।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—                ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনে ভারতীয়দের জন্য শিক্ষার ক্ষেত্রে ১ লক্ষ টাকা ব্যয় করার কথা বলা হয়। সেই টাকা প্রাচ্য না পাশ্চাত্য কোন শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে তা নিয়ে ভারতীয় ও ইউরোপীয়রা প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই সমস্যার সমাধান কল্পে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক তাঁর আইন সচিব মেকলেকে ‘ পাবলিক ইনস্ট্রাকশন কমিটি ’র সভাপতি পদে নিয়োগ করেন। মেকলে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের স্বপক্ষে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে একটি প্রস্তাব পেশ করেন। এই প্রতিবেদন মেকলে মিনিটস নামে খ্যাত।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

উডের ডেসপ্যাচ বা উডের প্রতিবেদন।

উডের ডেসপ্যাচ            ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে ইংল্যান্ডের বোর্ড অব কন্ট্রোলের সভাপতি স্যার চার্লস উডের নেতৃত্বে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট একটি শিক্ষা কমিটি গঠন করে। এই কমিটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার জন্য যে সুপারিশ পেশ করেন (১৮৫৪ খ্রি., ১৯ জুলাই ) তা উডের ডেসপ্যাচ বা উডের প্রতিবেদন নামে পরিচিত।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—