Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বারিমণ্ডল, সেট-৩

বারিমণ্ডল


প্রশ্ন:১
উষ্ণ স্রোত কীভাবে জলবায়ুকে প্রভাবিত করে ?

উত্তর: 
নিম্ন অক্ষাংশ থেকে প্রবাহিত উষ্ণ স্রোত উচ্চ অক্ষাংশের শীতল অঞ্চলে সমুদ্রজলের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। উষ্ণ স্রোত যে উপকূলে প্রবাহিত হয় সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে। কারণ—উষ্ণ স্রোতের উপরের বাতাস উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির। উষ্ণ স্রোত নিরক্ষীয় অঞ্চল ও মেরু অঞ্চলের সমুদ্রের জলে উষ্ণতার সমতা বিধানে সাহায্য করে। তাছাড়া উষ্ণ স্রোত সংলগ্ন উপকূলের উষ্ণতাও বৃদ্ধি করে।


প্রশ্ন:২
আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবাহিত দুটি করে উষ্ণ ও শীতল স্রোতের নাম লেখাে।

উত্তর: 
আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবাহিত প্রধান দুটি উষ্ণ স্রোত হল—
(ক) ব্রাজিল স্রোত এবং 
(খ) উপসাগরীয় স্রোত। 

এই মহাসাগরে প্রবাহিত প্রধান দুটি শীতল স্রোত হল—
(ক) ল্যাব্রাডর স্রোত এবং 
(খ) বেঙ্গুয়েলা স্রোত।


প্রশ্ন:৩
সমুদ্রস্রোত কীভাবে জলবায়ু ও আবহাওয়াগত বিপর্যয় সৃষ্টি করে ?

উত্তর: 
যেসব উপকূলে উষ্ণ ও শীতল সমুদ্রস্রোতের মিলন ঘটে সেখানে জলবায়ু বা আবহাওয়াগত বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়। কারণ—দুই ভিন্নধর্মী স্রোতের মিলনের ফলে উপকূল সংলগ্ন সমুদ্রে ঘন কুয়াশার সৃষ্টি হয়। তা ছাড়া দুটি ভিন্নধর্মী স্রোত সংলগ্ন উষ্ণ ও শীতল বায়ু পরস্পরের সংস্পর্শে এলে তীব্র সংঘাতের সৃষ্টি হয় এবং উপকূলীয় সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়। জাপান ও নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে এই কারণেই প্রায় সারাবছর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করে।


প্রশ্ন:৪
মগ্নচড়া কী ?

উত্তর: 
মেরু অঞ্চল থেকে শীতল স্রোতের মাধ্যমে বাহিত হিমশৈল প্রচুর নুড়ি, বালি, কাঁকর, পলি, পাথর বহন করে আনে। হিমশৈল উষ্ণ স্রোতের সংস্পর্শে এলে গলতে শুরু করে। হিমশৈলবাহিত শিলাখণ্ডসমূহ অগভীর মহীসােপান অঞ্চলে সঞ্চিত হয়ে যে স্বল্পবিস্তৃত বা সুবিস্তৃত, নিমজ্জিত ভূমিরূপ সৃষ্টি করে তাকে মগ্নচড়া বলে। মহীসােপানগুলি সামুদ্রিক মৎস্যক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ—গ্র্যান্ড ব্যাংক, ডগার্স ব্যাংক।


প্রশ্ন:৫
মধ্য অক্ষাংশে সমুদ্রস্রোত পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয় কেন ?

উত্তর: 
সমুদ্রের ওপর দিয়ে নিয়মিতভাবে প্রবলবেগে নিয়ত বায়ু প্রবাহিত হবার সময় উপরিতলে ঘর্ষণজনিত বাধার সৃষ্টি হলে, তারই প্রভাবে সমুদ্র জলরাশি নিয়ত বায়ুর অনুকূলে চালিত হয়। মধ্য অক্ষাংশীয় অঞ্চলে নিয়ত বায়ু উত্তর গােলার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিমদিক থেকে এবং দক্ষিণ গােলার্ধে উত্তর-পশ্চিমদিক থেকে পশ্চিমা বায়ুরূপে প্রবাহিত হয়। তাই এই অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত সারাবছর পশ্চিম থেকে পূর্বে পশ্চিমা বায়ুর অনুকূলে প্রবাহিত হয়।


প্রশ্ন:৬
উত্তর ভারত মহাসাগরীয় স্রোতকে ‘মৌসুমি স্রোত’ বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
ভারত মহাসাগরে বিশেষত উত্তর ভারত মহাসাগরে, সমুদ্রস্রোত নিয়ত বায়ুর পরিবর্তে, ঋতুভেদে প্রবাহিত মৌসুমি বায়ুর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হহয। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই অংশের সমুদ্রস্রোত দক্ষিণ থেকে উত্তরে প্রবাহিত হয়। একে ‘দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি স্রোত’ বলে। শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সমুদ্রস্রোত উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। একে ‘উত্তর-পূর্ব মৌসুমি স্রোত’ বলে। উত্তর ভারত মহাসাগরীয় স্রোত প্রধানত মৌসুমি বায়ুর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় বলে এই অংশের সমুদ্রস্রোতকে ‘মৌসুমি স্রোত’ বলা হয়।


প্রশ্ন:৭
সমুদ্রস্রোতের প্রকৃতি কীভাবে নিয়ত বায়ুকে প্রভাবিত করে ?

উত্তর: 
সমুদ্রস্রোতের প্রকৃতি নিয়ত বায়ুকে প্রভাবিত করে। যেমন—উষ্ণ স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নিয়ত বায়ু উষ্ণতা ও আদ্রতা লাভ করে, ফলে সমুদ্র সংলগ্ন উপকূলে বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে। আবার শীতল স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নিয়ত বায়ু শীতল ও শুষ্ক হবার ফলে প্রবাহিত অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।


প্রশ্ন:৮
ভারত মহাসাগরে প্রবাহিত দুটি করে উষ্ণ ও শীতল স্রোতের নাম লেখাে।

উত্তর: 
ভারত মহাসাগরে প্রবাহিত প্রধান দুটি উষ্ণ স্রোত হল—
(ক) উত্তর ও দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত এবং 
(খ) আগুলহাস স্রোত। 

এই মহাসাগরে প্রবাহিত দুটি শীতল স্রোত হল—
(ক) সুমেরু স্রোত এবং 
(খ) পশ্চিম অস্ট্রেলীয় স্রোত।


প্রশ্ন:৯
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রবাহিত দুটি করে উষ্ণ ও শীতল স্রোতের নাম লেখাে।

উত্তর: 
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রবাহিত প্রধান দুটি উষ্ণ স্রোত হল—
(ক) উত্তর ও দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত এবং 
(খ) জাপান স্রোত বা কুরোশিও স্রোত। 

এই মহাসাগরে প্রবাহিত প্রধান দুটি শীতল স্রোত হল—
(ক) বেরিং স্রোত এবং 
(খ) হামবোল্ড স্রোত প্রভৃতি।


প্রশ্ন:১০
শীতল স্রোত কীভাবে জলবায়ুকে প্রভাবিত করে ?

উত্তর: 
 শীতল স্রোত সংলগ্ন উপকূলের উষ্ণতা হ্রাস করে। উচ্চ অক্ষাংশ থেকে প্রবাহিত শীতল স্রোত নিম্ন অক্ষাংশের উষ্ণ অঞ্চলে সমুদ্রের জলের উষ্ণতা হ্রাস করে। শীতল স্রোতের উপরিভাগে বায়ু শীতল ও শুষ্ক হয়। তাই, যে উপকূলে শীতল স্রোত প্রবাহিত হয় সেখানে বৃষ্টিপাত খুব কম হয়। এছাড়া, শীতল স্রোত মেরু অঞ্চল ও নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমুদ্রজলে উষ্মতার সমতা বিধানে সাহায্য করে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—                ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনে ভারতীয়দের জন্য শিক্ষার ক্ষেত্রে ১ লক্ষ টাকা ব্যয় করার কথা বলা হয়। সেই টাকা প্রাচ্য না পাশ্চাত্য কোন শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে তা নিয়ে ভারতীয় ও ইউরোপীয়রা প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই সমস্যার সমাধান কল্পে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক তাঁর আইন সচিব মেকলেকে ‘ পাবলিক ইনস্ট্রাকশন কমিটি ’র সভাপতি পদে নিয়োগ করেন। মেকলে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের স্বপক্ষে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে একটি প্রস্তাব পেশ করেন। এই প্রতিবেদন মেকলে মিনিটস নামে খ্যাত।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

উডের ডেসপ্যাচ বা উডের প্রতিবেদন।

উডের ডেসপ্যাচ            ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে ইংল্যান্ডের বোর্ড অব কন্ট্রোলের সভাপতি স্যার চার্লস উডের নেতৃত্বে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট একটি শিক্ষা কমিটি গঠন করে। এই কমিটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার জন্য যে সুপারিশ পেশ করেন (১৮৫৪ খ্রি., ১৯ জুলাই ) তা উডের ডেসপ্যাচ বা উডের প্রতিবেদন নামে পরিচিত।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—