Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা - Important for all government jobs in West Bengal

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-কোশের গঠন এবং কাজ, সেট-৫

কোশের গঠন এবং কাজ


প্রশ্ন:১
রাইবােজোমের ও ক্যারিওজোম-এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

উত্তর: 
কোশের সাইটোপ্লাজমে মুক্তভাবে বা এন্ডােপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে ও নিউক্লীয় পর্দার গায়ে অবস্থিত প্রােটিন সংশ্লেষে অংশগ্রহণকারী রাইবােপ্রােটিন নির্মিত যে দানা বা কণিকা দেখা যায় তাদের রাইবােজোম (Ribosome) বলে। অপরপক্ষে, সহজে বর্ণযুক্ত করা যায় নিউক্লিয়াসমধ্যস্থ এমন গােলাকার ক্রোমাটিন বস্তুকে ক্যারিওজোম (Karyosome) বলে।


প্রশ্ন:২
কোন্ প্রকার কোশে অধিক সংখ্যক গলগি বডি এবং কোন্ প্রকার কোশে অধিক সংখ্যক লাইসােজোম পাওয়া যায় ?

উত্তর: 
ক্ষরণকারী কোশে গলগি বডি অধিকসংখ্যায় থাকে। শ্বেতকণিকা ও ম্যাক্রোফ্যাজে অধিকসংখ্যায় লাইসােজোম থাকে।


প্রশ্ন:৩
প্রােক্যারিওট ও ইউক্যারিওট কাদের বলে ? প্রত্যেকের উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত জীবকে প্রােক্যারিওট (Prokaryote) এবং আদর্শ নিউক্লিয়াসযুক্ত জীবকে ইউক্যারিওট (Eukaryote) বলে।
ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ-সবুজ শৈবাল, মাইকোপ্লাজমা ইত্যাদি প্রােক্যারিওট এবং উন্নত শ্রেণির উদ্ভিদ ও প্রাণী হল ইউক্যারিওট।


প্রশ্ন:৪
নিউক্লিওয়েড বা জেনােফোর কী ?

উত্তর: 
ব্যাকটেরিয়ার নিউক্লীয় পদার্থে অবস্থিত প্যাঁচালাে, গােলাকার দ্বিতন্ত্রী DNA-কে নিউক্লিওয়েড বা জেনােফোর (Nucleoid or genophore) বলা হয়।


প্রশ্ন:৫
ক্যারিওজোম ও ক্রোমােজোমের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

উত্তর: 
কোশের নিউক্লিয়াসের মধ্যে যেসব গােলাকার ক্রোমাটিন পদার্থ থাকে তাদের ক্যারিওজোম (Karyosome) বলে। পক্ষান্তরে, কোশ বিভাজনের সময় ক্রোমাটিন সূত্র থেকে যে দণ্ডকার বা সূত্রাকার অংশগুলি সৃষ্টি হয় তাদের ক্রোমােজোম (Chromosome) বলে।


প্রশ্ন:৬
মাইক্রোটিউবিউল ও মাইক্রোফিলামেন্টের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

উত্তর: 
কোশের সাইটোপ্লাজমে দীর্ঘ ও ফাঁপা প্রায় 25 nm ব্যাসসম্পন্ন যেসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নলাকার অংশগুলি থাকে তাদের মাইক্রোটিউবিউল (Microtubule) বলে। অপরপক্ষে, কোশে 4-6 nm ব্যাসসম্পন্ন যেসব অতি সূক্ষ্ম তন্তু থাকে তাদের মাইক্রোফিলামেন্ট (Microfillament) বলে। এরা প্রধানত অ্যাকটিন ও মায়ােসিন নামক প্রােটিন দিয়ে গঠিত। মাইক্রোটিউবিউল কোশ বিভাজনের সময় বেমতন্তু হিসেবে উপস্থিত হয় এবং ক্রোমােজোমের চলনে সহায়তা করে। মাইক্রোফিলামেন্ট পেশির সংকোচন-প্রসারণে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করে।


প্রশ্ন:৭
মাইটোকন্ড্রিয়া ও মাইক্রোজোমের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

উত্তর: 
আদর্শ কোশের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা দ্বি-একক পর্দাবেষ্টিত দণ্ডাকার বা সূত্রাকার যেসব অঙ্গাণু কোশের প্রয়ােজনীয় শক্তি উৎপাদন করে, তাদের মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria) বলে।
অপরপক্ষে, কোশীয় উপাদানকে কেন্দ্রাতিগ যন্ত্রের সাহায্য তীব্র বেগে ঘােরালে যেসব আণুবীক্ষণিক কণা পৃথক হয়ে পড়ে, তাদের মাইক্রোজোম (Microsome) বলে।


প্রশ্ন:৮
গলগি বডি ও নিজল্ বডির মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

উত্তর: 
কোশের সাইটোপ্লাজমে নিউক্লিয়াসের কাছে একক পদাবেষ্টিত চ্যাপটা থলির মতাে এবং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গহ্বরের মতাে যেসব অঙ্গাণু দলবদ্ধভাবে অবস্থান করে কোশের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের গলগি বডি (Golgi body) বলে।
অপরপক্ষে, স্নায়ুকোশের অ্যাক্সন হিলক (axon hillock) ও অ্যাক্সন ছাড়া কোশের সর্বত্র যে ক্ষারযুক্ত নিউক্লিওপ্রােটিন দানা ছড়িয়ে থাকে তাদের নিজল্ বডি (Nissle body) বলে। এগুলি স্নায়ুপ্রবাহে অংশগ্রহণ করে।


প্রশ্ন:৯
এন্ডােপ্লাজমিক রেটিকিউলাম ও সারকোপ্লাজমিক রেটিকিউলাম বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
আদর্শ কোশের সাইটোপ্লাজমে ছড়িয়ে থাকা একক পদাবেষ্টিত যে নালিকাগুলি কোশকে অনেকগুলি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত করে তাদের এন্ডােপ্লাজমিক রেটিকিউলাম (Endoplasmic reticulum) বলে। অপরপক্ষে, পেশিকোশের সাইটোপ্লাজমে (সারকোপ্লাজম) অবস্থিত নালিকাগুলিকে সারকোপ্লাজমিক রেটিকিউলাম (Sarcoplasmic reticulum) বলে।


প্রশ্ন:১০
সেন্ট্রোজোম ও লাইসােজোমের মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করাে।

উত্তর: 
প্রাণীকোশের সাইটোপ্লাজমে নিউক্লিয়াসের কাছে সেন্ট্রোস্ফিয়ার ও সেন্ট্রিওল নিয়ে গঠিত যে অঙ্গাণু কোশ বিভাজনকালে বেমতন্তু গঠন করে, তাকে সেন্ট্রোজোম (Centrosome) বলে।
অপরপক্ষে, প্রাণীকোশের সাইটোপ্লাজমে একক পর্দাবেষ্টিত উৎসেচকপূর্ণ যে অঙ্গাণু সমস্ত কোশাভ্যন্তরীয় পাচনে অংশগ্রহণ করে, তাদের লাইসােজোম (Lysosome) বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা - Important for all government jobs in West Bengal

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...