বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...
কোশের গঠন এবং কাজ
প্রশ্ন:১
ইউক্যারিয়ন, হেটারােক্যারিয়ন ও সিনক্যারিয়ন কাকে বলে ?
উত্তর:
একটি কোশে একটি প্রজাতির নিউক্লিয়াস থাকলে তাকে ইউক্যারিয়ন (Eukaryon),
দুটি প্রজাতির দুটি নিউক্লিয়াস একটি কোশে থাকলে তাকে হেটারােক্যারিয়ন (Heterokayon) এবং দুটি প্রজাতির দুটি নিউক্লিয়াস মিলিত হয়ে একটি নিউক্লিয়াস গঠন করে একটি কোশে অবস্থান করলে, তাকে সিনক্যারিয়ন (Synkaryon) বলা হয়।
প্রশ্ন:২
মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোশের শক্তিঘর বলার কারণ কী ?
উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে ক্রেবস চক্রের মাধ্যমে কোশের প্রয়ােজনীয় শক্তি উৎপন্ন হওয়ায় মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোশের শক্তিঘর (Power house of cell) বলে।
প্রশ্ন:৩
এমিওসাইটোসিস বলতে কী বােঝাে ?
উত্তর:
যে পদ্ধতিতে ক্ষরণপদার্থসহ গহ্বর বিদীর্ণ হয়ে গহ্বর-মধ্যস্থ পদার্থটি কোশের বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়, তাকে কোশ উদগিরণ বা এমিওসাইটোসিস বা সেল-ভােমিটিং (Emiocytosis or cell-vomiting) বলে।
প্রশ্ন:৪
পিনােজোম ও ফ্যাগােজোম কাকে বলে ?
উত্তর:
পিনােসাইটোসিস পদ্ধতিতে তরলবস্তুসহ যে গহ্বর সৃষ্টি হয় তাকে পিনােজোম (Pinosome) বলে এবং ফ্যাগােসাইটোসিস পদ্ধতিতে কঠিন বস্তুসহ যে গহ্বরের সৃষ্টি হয় তাকে ফ্যাগােজোম (Phagosome) বলে।
প্রশ্ন:৫
নিউক্লিওলােনেমা কী ?
উত্তর:
নিউক্লিওলাসের মধ্যে রাইবােনিউক্লিও-প্রােটিন দিয়ে গঠিত যে সূত্রাকার অঞ্চল থাকে, তাকে নিউক্লিওলােনেমা (Nucleolonema) বলে।
প্রশ্ন:৬
রাইবােজোমকে প্রােটিন ফ্যাক্টরি বলার কারণ কী ?
উত্তর:
রাইবােজোমের মধ্যে কোশের প্রােটিন সংশ্লেষিত হয়, তাই রাইবােজোমকে প্রােটিন ফ্যাক্টরি (Protein factory) বলে।
প্রশ্ন:৭
ক্রোমােসেন্টার কী ?
উত্তর:
স্থির নিউক্লিয়াসে গাঢ়ভাবে রঞ্জিত হেটারােক্রোমাটিন অঞ্চলকে ক্রোমােসেন্টার (Chromocentre) বলা হয়।
প্রশ্ন:৮
নিউক্লিয়াসকে কোশের মস্তিষ্ক বা মগজ বলা হয় কেন ?
উত্তর:
নিউক্লিয়াস কোশের যাবতীয় বিপাকীয় ক্রিয়াগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করায় নিউক্লিয়াসকে কোশের মস্তিষ্ক বা মগজ (Brain of cell) বলা হয়।
প্রশ্ন:৯
রােটেশন ও সারকুলেশন-এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।
উত্তর:
রােটেশন (Rotation) প্রক্রিয়ায় কোশের সাইটোপ্লাজম কেন্দ্রীয় একটি বড়াে কোশগহ্বরকে কেন্দ্র করে একমুখে আবর্তিত হতে থাকে।
অপরপক্ষে, সারকুলেশন (Circulation) প্রক্রিয়ায় সাইটোপ্লাজম অনেকগুলি ছােটো ছােটো ভ্যাকুওলকে বেষ্টন করে বিভিন্ন দিকে আবর্তিত হতে থাকে।
প্রশ্ন:১০
সিনােসাইট ও সিনসাইটিয়াম বলতে কী বােঝাে ?
উত্তর:
উদ্ভিদের বহুনিউক্লিয়াসযুক্ত কোশকে সিনােসাইট (Coenocyte) বলে, যেমন—ভাউকেরিয়া (শৈবাল), রাইজোপাস (ছত্রাক) ইত্যাদি উদ্ভিদ।
প্রাণীদের বহুনিউক্লিয়াসযুক্ত কোশকে সিনসাইটিয়াম (Cynsiticium) বলে, যেমন—ওপালিনা, মেরুদন্ডী প্রাণীদের ঐচ্ছিক পেশিকোশ ইত্যাদি।

Comments
Post a Comment